খুঁজুন
শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩২

গ্রাহকবান্ধব সেবায় নজর কম অপারেটরগুলোর, থেমে নেই অভিযোগ

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
গ্রাহকবান্ধব সেবায় নজর কম অপারেটরগুলোর, থেমে নেই অভিযোগ

দেশে পরিচালিত মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম অভিযোগ জমা পড়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি)। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে কলড্রপ, ইন্টারনেটে ধীরগতি, মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি), অটো ইন্টারনেট প্যাকেজ অ্যাকটিভ ও রিচার্জিংয়ের মতো বিষয়। গত ৯ মাসে অপারেটরগুলোর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের প্রায় ছয় হাজার ৯৪৮টি অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগের তালিকার শীর্ষে রয়েছে রবি আজিয়াটা।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্যমতে, গত ৯ মাসে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর বিরুদ্ধে গ্রাহকরা প্রায় ছয় হাজার ৯৪৮টি অভিযোগ করেন। এরমধ্যে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে প্রায় দুই হাজার ৯৬টি, রবি আজিয়াটার বিরুদ্ধে প্রায় দুই হাজার ৭৩১টি, বাংলালিংকের বিরুদ্ধে প্রায় এক হাজার ২৪টি ও রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে প্রায় এক হাজার ৯৭টি।

এসব অভিযোগের বিষয়ে বিটিআরসি জানায়, কলড্রপ, ইন্টারনেটে ধীরগতি, মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি), অটো ইন্টারনেট প্যাকেজ অ্যাকটিভ, রিচার্জিংসহ গ্রাহকদের বিভিন্ন রকম অভিযোগ রয়েছে। এসময়ে ছয় হাজার ৯৪৮টি অভিযোগের মধ্যে পাঁচ হাজার ৫২৯টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। বাকি এক হাজার ১৯টি অভিযোগ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি কর্মকর্তা সাহেদ আলম বলেন, ‘আমরা বর্তমানে সাড়ে পাঁচ কোটি গ্রাহককে ওয়্যারলেস বা মোবাইল সেবা দিচ্ছি। এরপরও প্রতিটি অভিযোগই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা ও সমাধান করি।

সাহেদ আলম আরও বলেন, ‘উত্থাপিত অভিযোগগুলোর ৯০ শতাংশের বেশি এরই মধ্যে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। বাকিগুলোও দ্রুত সমাধানের প্রক্রিয়ায়। আমরা বিটিআরসির নির্দেশনা মেনে চলছি। গ্রাহকদের চাহিদা ও সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সেবা দিচ্ছি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, অপারেটরগুলোর সেবা পেতে অনেক গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়লেও সবাই অভিযোগ করেন না। আবার অনেক গ্রাহক জানেনও না ভোগান্তির জন্য কোথায় কীভাবে অভিযোগ করতে হয়। এরমধ্যে প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেসব গ্রাহক রয়েছেন তারা প্রতিনিয়ত নেটওয়ার্ক ও কলড্রপের মতো সমস্যায় ভুগলেও বিপুল সংখ্যক গ্রাহক অভিযোগ করতে চান না বা অভিযোগের সিস্টেম জানেন না। তাদের দাবি গ্রাহকদের প্রকৃত অভিযোগ অনেক বেশি।

দেশে কম শিক্ষিত বা নিরক্ষর অনেক গ্রাহক রয়েছেন, যারা অপারেটরগুলোর কাছে প্রতারিত হলেও অভিযোগ জানাতে পারেন না- বলেন সংশ্লিষ্টরা।

জানতে চাইলে মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, ‘অপারেটরগুলোর বিরুদ্ধে বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের বিভিন্ন রকম অভিযোগ থাকলেও অভিযোগ করেন মাত্র কয়েক শতাংশ গ্রাহক। অনেক গ্রাহক সময়ের অভাবে অভিযোগ করতে অপারগতা দেখান। আবার অনেক গ্রাহক জানেন না কোথায় কীভাবে অভিযোগ করতে হয়। গ্রাহকবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে অপারেটরগুলোকে কোনো ছাড় নয়। বরং উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।’

অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস শারফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘সব প্রচেষ্টার কেন্দ্রে রয়েছেন আমাদের গ্রাহক। আমরা গ্রাহকদের প্রতিটি অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সমাধানের চেষ্টা করি। গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। দেশের সবচেয়ে বেশি মানুষের আস্থাভাজন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সর্বোচ্চ মানের সেবা প্রদানে আমাদের নানান ধরনের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা নিরন্তর চলছে এবং চলবে।’

জানতে চাইলে বাংলালিংকের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশনস গাজী তৌহিদ আহমেদ বলেন, ‘বাংলালিংকের প্রতিটি গ্রাহকের অভিযোগ আমরা সেবা উন্নয়নের অনন্য সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করি। গ্রাহকের প্রতিক্রিয়া সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমস্যা দ্রুত, কার্যকরী ও স্বচ্ছভাবে সমাধান করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

‘যদিও অভিযোগের পরিমাণ একটি সূচক মাত্র, আমরা বিশ্বাস করি সমাধানের গতি, গুণমান ও গ্রাহক সন্তুষ্টিই প্রকৃত মূল্যায়ক। তাই বাংলালিংক সম্প্রসারিত ফোরজি কাভারেজ এবং দ্রুততর ডিজিটাল সলিউশন নিশ্চিত করে ক্রমবর্ধমান গ্রাহক চাহিদা পূরণে আরও উন্নত সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’- যোগ করেন অপারেটরটির এ কর্মকর্তা।

চাঁদপুর জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের পরিচিত সভা

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের পরিচিত সভা

চাঁদপুর জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের নবগঠিত কমিটির পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৪ টায় চাঁদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ে কুরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে ফুল দিয়ে বরণ করেন জেলা গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দরা।

চাঁদপুর জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি জিএম মানিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান এবং সহ-সভাপতি ফারুক হাসানের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কাজী রাসেল।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য ও রাখেন চাঁদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান, যুগ্ম আহবায়ক সাংবাদিক জাকির হোসেন, মাসুম সরকার, যুগ্ম সদস্য সচিব সামিউল প্রধান, উমর সালমান, চাঁদপুর জেলা যুব অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল আহমেদ শাওন, চাঁদপুর সদর উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মোঃ রাশেদুল ইসলাম, সদস্য সচিব মোঃ আল-আমিন (সুমন), চাঁদপুর পৌর যুব অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মাসুদ রানা নিশান।

সভায় আর বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি আবু সাঈদ চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমেদ বেপারী, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আরবি আহমেদ শাওন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইউসুফ বেপারী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর মিজি, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি সংরক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক সাকিব আহমেদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ সাদ সরকার প্রমূখ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গাজা শহর দখলের অনুমোদন দেবেন নেতানিয়াহু

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
গাজা শহর দখলের অনুমোদন দেবেন নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গাজা শহর দখলের পরিকল্পনার চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন বলে জানিয়েছেন। তবে এরমধ্যে হামাসের সঙ্গে চলমান আলোচনাও আবার শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। যার লক্ষ্য হচ্ছে অবশিষ্ট জিম্মিদের মুক্তি এবং প্রায় দুই বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসান।

বৃহস্পতিবার গাজার কাছে সেনাদের সঙ্গে কথা বলার সময় নেতানিয়াহু বলেন, তিনি এখনো গাজা সিটি দখলের পরিকল্পনায় অটল রয়েছেন। এই পরিকল্পনার আওতায় রয়েছে প্রায় ১০ লাখ মানুষকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়া এবং ফিলিস্তিনি ঘরবাড়ি ধ্বংসের ধারাবাহিক অভিযান।

নেতানিয়াহু বলেন, একই সঙ্গে আমি আমাদের সব জিম্মিকে মুক্তি এবং যুদ্ধের অবসানের জন্য ইসরায়েলের গ্রহণযোগ্য শর্তে অবিলম্বে আলোচনা শুরুর নির্দেশ দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখন সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে রয়েছি।

গাজা সিটিতে সম্ভাব্য বড় অভিযান আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হতে পারে, যদি বৃহস্পতিবার বিকেলে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে নেতানিয়াহু চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে থাকেন।

এরই মধ্যে ইসরায়েলি বাহিনী গাজা শহরে আক্রমণ জোরদার করেছে এবং গত ১০ দিনে ট্যাঙ্ক এগিয়ে আসায় হাজারো ফিলিস্তিনি নিজ ঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।

এরই মধ্যে হামাস জানিয়েছে, তারা কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে, যা ইসরায়েল মেনে নিলে সম্ভাব্য এই হামলা এড়ানো যেতে পারে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও ৬০ হাজার রিজার্ভ সেনা ডাকার পরিকল্পনা করছে এবং অতিরিক্ত ২০ হাজার সেনার মেয়াদ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

ক্ষমতাচ্যুত হলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ৮:২১ অপরাহ্ণ
ক্ষমতাচ্যুত হলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত। এর আগে কম্বোডিয়ার সাবেক নেতা হুন সেনের সঙ্গে একটি ফোনকলের রেকর্ড ফাঁস হওয়ার জেরে আদালত তার পদ স্থগিত করেছিলেন। শুক্রবার পেতোংতার্নকে ক্ষমতা থেকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এখন দেশটির আইনপ্রণেতারা যদি একমত হন তবে নতুন একটি সরকার গঠন করতে পারেন। আর সেটি সম্ভব না হলে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

পেতংতার্ন ২০২৪ সালের আগস্টে ৩৭ বছর বয়সে থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মাত্র এক বছর ক্ষমতায় থাকার পরই ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন তিনি। সদ্য সাবেক এ নারী থাই রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী সিনাওয়াত্রা পরিবারের সদস্য।

ফাঁস হওয়া সেই ফোনকলে তাকে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে ‘আঙ্কেল’ বলতে শোনা যায়। ওই সময় তিনি তার নিজ দেশের সেনাবাহিনীর সমালোচনা করে বলেন, তার সেনাদের কারণেই কম্বোডিয়ার এক সেনার প্রাণ গেছে।

গত ১৫ জুনের ওই ফোনকলে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে পেতংতার্ন বলেন, ‘কোনো কিছু চাইলে, আমাকে বলবেন। আমি বিষয়টি দেখব।’ তার এই মন্তব্যটি নিয়েই মূলত বেশি সমালোচনা শুরু হয়।

ফোনকলটি ফাঁস হওয়ার সময় থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে চরম সীমান্ত উত্তেজনা চলছিল। থাইল্যান্ডের মানুষের মধ্যে তখন জাতীয়তাবাদও প্রচণ্ডরকমভাবে দেখা যাচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে পেতংতার্ন ও হুনের ফোনকলটি সামনে আসে।

হুন সেনের সঙ্গে পেতংতার্নের ওই ধরনের কথোপথন থাইল্যান্ডের সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক বিরূপ প্রভাব ফেলে। বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করে পেতোংতার্ন গোপনে থাইল্যান্ডের স্বার্থকে বিসর্জন দিচ্ছেন।

এদিকে, ফোনকলটি প্রকাশের কয়েক সপ্তাহ পর দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষও ছড়িয়ে পড়ে। পাঁচ দিনের ওই সংঘর্ষে অন্তত ৩৮ জন নিহত হন, যাদের অধিকাংশই সাধারণ মানুষ। বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন লাখো মানুষ। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ওই সংঘর্ষ থামে।

অবশ্য বিষয়টি সামনে আসতেই পেতংতার্ন সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চান। তিনি দাবি করেন, কম্বোডিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমনের কৌশল হিসেবে তিনি এভাবে কথা বলেছিলেন।

সূত্র: সিএনএন