খুঁজুন
শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩২

জেলার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ ভাবে চলছে দানব ট্রাক্টর ও ভটভটি

শওকত আলী
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ মে, ২০২৫, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
জেলার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ ভাবে চলছে দানব ট্রাক্টর ও ভটভটি

চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও সদরে অবৈধ ভাবে যন্ত্রচালিত মালবাহী বাহনের কারনে কোটি কোটি টাকায় নির্মিত ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চাঁদপুর জেলার অধিকাংশ গ্রামীণ সড়কগুলো। একই সাথে এ সব নিয়ন্ত্রণহীন বাহনের কারণে দুর্ঘটনাও বাড়ছে। এ বিষয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বলছেন এসব বাহনের বিরুদ্ধে অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জেলার বিভিন্ন স্থানে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, জেলার চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়ক, ফরিদগঞ্জ, হাইমচর, হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলার গ্রামীণ সড়কে অবাধে চলছে সেচ যন্ত্রচালিত অবৈধ যানবাহন নামক ভটভটি। এছাড়া গ্রামীণ সড়কগুলোতে বেপরোয়া ভাবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বালু, মাটি ও ইটবাহী ট্রাক্টর গুলো।

জমিতে আবাদি কাজের জন্য ব্যবহৃত এসব ট্রাক্টরের কারণে বিভিন্ন সময়ে ঘটছে বড় বড় দুর্ঘটনা। স্থানীয় পরিবহন শ্রমিকদের অভিযোগ, পুলিশের সামনে দিয়ে এসব নিষিদ্ধ যান চলাচল করলেও এগুলো বন্ধ করার জন্য নেয়া হচ্ছে না স্থায়ী কোনো আইনগত পদক্ষেপ।

আঞ্চলিক মহাসড়কসহ ফরিদগঞ্জ, হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলার প্রধান সড়কে যানবাহনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিদিন চলছে সেচযন্ত্র চালিত অবৈধ ভটভটি। শ্যালো ইঞ্জিন ব্যবহার করে স্থানীয়ভাবে এসব অবৈধ যানবাহন তৈরি করা হচ্ছে। তাদের নেই কোনো যান্ত্রিক ফিটনেস ও আইনিগত বৈধতা।

শাহরাস্তি উপজেলার স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পরিবহন ব্যয় কমাতে ট্রাক ও পিকআপের বিকল্প এ বাহনে বালু, সিমেন্ট, কাঠ, সবজিসহ বিভিন্ন পন্য বহনে ব্যবহার হচ্ছে এ যন্ত্রচালিত দানব।

এছাড়া গ্রামীণ সড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ ট্রাক্টর। কৃষি কাজের জন্য ভর্তুকি দিয়ে কেনা ইঞ্জিনের পেছনে ট্রলি সংযোগ করে ট্রাকের বিকল্প পন্য পরিবহনে এ যানের ব্যবহা করা হচ্ছে। বিভিন্ন ইটভাটায় মাটি সরবারাহের কৃষি জমির টপ সয়েল বিক্রি ও জমির মাঝেই নিজস্ব রাস্তা তৈরি করে ট্রাক্টর চলাচল করে।

চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী মো. নাহিদ হোসেন জানান, সড়কে বিভিন্ন যানবাহনের সাথে পাল্লা দিয়ে চলা ভটভটি ও ট্রাক্টর নামক দানবের কারণে প্রায়ই বিভিন্ন দূর্ঘটনা ঘটছে। বাস বা অটোরিকশায় চড়েও এসব যানবাহন দেখে যাত্রী সাধারন আঁতকে উঠতে হয়।

হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা মামুন মিয়া জানান, ট্রাক্টরগুলো বন্ধ হচ্ছে না ইটভাটা মালিকদের ব্যক্তিগত লাভের জন্য। তারা এই দানব বাহনকে জমি থেকে মাটি কাটার কাজে বেশি ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সঠিকভাবে কাজ করলে এসব বাহন সড়ক চলতে পারবে না।

হাইমচর উপজেলার মহজমপুর গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর হোসেন বলেন, ট্রাক্টর চলাচলে বিগত পুলিশ সুপার শামছুন্নাহারের সময় এ দানব ট্রাক্টর চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। এরপর কয়েক বছর বন্ধ থাকলেও এখন আবার সড়কে চলছে এসব যন্ত্রচালিত বাহন। এসব বাহন বন্ধ না করলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত গ্রামিণ সড়কগুলো নষ্ট হয়ে ব্যাপক ক্ষতির মূখে পড়বে।

শাহরাস্তি উপজেলার কালিয়াপাড়া এলাকার পরিবহন শ্রমিক আহসান হাবিব বলেন, ভটভটি দিয়ে বিভিন্ন মালামাল ও তরিতরকারি আনা-নেয়া করা হয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সড়কে অবৈধ ও অনিরাপদ এসব যান চলাচল করছে। খরচ বাঁচাতে মিনি ট্রাকের বিকল্প হিসেবে এই যানবাহন ব্যবহার করা হয়। এসব গাড়ির ব্রেক সিস্টেম ভালো না। নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে। এই যানবাহন চালকদের নেই কোনো ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স। অনেক সময় মালপত্রসহ গাড়ি উল্টে পড়ে যত্রতত্র।

মেহের ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, প্রতিটি যানবাহন বাজারে আসার আগে তাদের গতি, বেগ ও ব্রেকিং সিস্টেম বুয়েটে পরীক্ষা করে অনুমোদন নেয়া হয়ে থাকে। স্থানীয় ভাবে তৈরি করা এসব যানবাহন যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে না থাকায় পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় এগুলো কোন বাহনের পর্যায়ে পড়ে না।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা নিরাপদ সড়ক চাই সভাপতি মো. বারাকাত উল্লাহ পাটওয়ারী বলেন, ট্রাক্টরে মাল পরিবহন ও চলাচল বন্ধে বহুবার সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। কিন্তু আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ কঠোর না হওয়ায় এসব দানব যান বাহন বন্ধ হচ্ছে না। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এসব বাহনের লাগাম টেনে ধরা দরকার।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া বলেন, ট্রাক্টরসহ অবৈধ যান চলাচল বন্ধে ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব যান স্থায়ীভাবে বন্ধে পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, চাষাবাদের কাজে ব্যবহৃত যন্ত্র চালিত এসব বাহন কোনভাবেই সড়কে চলার অনুমতি নেই। জেলার যেসব থানা ও উপজেলায় এ ধরনের যানবাহন চলাচল করে, ওই সব থানার ওসি এবং ট্রাফিক পুলিশকে এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দ্রুত নির্দেশনা দেওয়া হবে।

চাঁদপুর জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের পরিচিত সভা

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের পরিচিত সভা

চাঁদপুর জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের নবগঠিত কমিটির পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৪ টায় চাঁদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ে কুরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে ফুল দিয়ে বরণ করেন জেলা গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দরা।

চাঁদপুর জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি জিএম মানিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান এবং সহ-সভাপতি ফারুক হাসানের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কাজী রাসেল।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য ও রাখেন চাঁদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান, যুগ্ম আহবায়ক সাংবাদিক জাকির হোসেন, মাসুম সরকার, যুগ্ম সদস্য সচিব সামিউল প্রধান, উমর সালমান, চাঁদপুর জেলা যুব অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল আহমেদ শাওন, চাঁদপুর সদর উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মোঃ রাশেদুল ইসলাম, সদস্য সচিব মোঃ আল-আমিন (সুমন), চাঁদপুর পৌর যুব অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মাসুদ রানা নিশান।

সভায় আর বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি আবু সাঈদ চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমেদ বেপারী, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আরবি আহমেদ শাওন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইউসুফ বেপারী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর মিজি, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি সংরক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক সাকিব আহমেদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ সাদ সরকার প্রমূখ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গাজা শহর দখলের অনুমোদন দেবেন নেতানিয়াহু

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
গাজা শহর দখলের অনুমোদন দেবেন নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গাজা শহর দখলের পরিকল্পনার চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন বলে জানিয়েছেন। তবে এরমধ্যে হামাসের সঙ্গে চলমান আলোচনাও আবার শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। যার লক্ষ্য হচ্ছে অবশিষ্ট জিম্মিদের মুক্তি এবং প্রায় দুই বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসান।

বৃহস্পতিবার গাজার কাছে সেনাদের সঙ্গে কথা বলার সময় নেতানিয়াহু বলেন, তিনি এখনো গাজা সিটি দখলের পরিকল্পনায় অটল রয়েছেন। এই পরিকল্পনার আওতায় রয়েছে প্রায় ১০ লাখ মানুষকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়া এবং ফিলিস্তিনি ঘরবাড়ি ধ্বংসের ধারাবাহিক অভিযান।

নেতানিয়াহু বলেন, একই সঙ্গে আমি আমাদের সব জিম্মিকে মুক্তি এবং যুদ্ধের অবসানের জন্য ইসরায়েলের গ্রহণযোগ্য শর্তে অবিলম্বে আলোচনা শুরুর নির্দেশ দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখন সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে রয়েছি।

গাজা সিটিতে সম্ভাব্য বড় অভিযান আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হতে পারে, যদি বৃহস্পতিবার বিকেলে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে নেতানিয়াহু চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে থাকেন।

এরই মধ্যে ইসরায়েলি বাহিনী গাজা শহরে আক্রমণ জোরদার করেছে এবং গত ১০ দিনে ট্যাঙ্ক এগিয়ে আসায় হাজারো ফিলিস্তিনি নিজ ঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।

এরই মধ্যে হামাস জানিয়েছে, তারা কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে, যা ইসরায়েল মেনে নিলে সম্ভাব্য এই হামলা এড়ানো যেতে পারে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও ৬০ হাজার রিজার্ভ সেনা ডাকার পরিকল্পনা করছে এবং অতিরিক্ত ২০ হাজার সেনার মেয়াদ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

ক্ষমতাচ্যুত হলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ৮:২১ অপরাহ্ণ
ক্ষমতাচ্যুত হলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত। এর আগে কম্বোডিয়ার সাবেক নেতা হুন সেনের সঙ্গে একটি ফোনকলের রেকর্ড ফাঁস হওয়ার জেরে আদালত তার পদ স্থগিত করেছিলেন। শুক্রবার পেতোংতার্নকে ক্ষমতা থেকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এখন দেশটির আইনপ্রণেতারা যদি একমত হন তবে নতুন একটি সরকার গঠন করতে পারেন। আর সেটি সম্ভব না হলে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

পেতংতার্ন ২০২৪ সালের আগস্টে ৩৭ বছর বয়সে থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মাত্র এক বছর ক্ষমতায় থাকার পরই ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন তিনি। সদ্য সাবেক এ নারী থাই রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী সিনাওয়াত্রা পরিবারের সদস্য।

ফাঁস হওয়া সেই ফোনকলে তাকে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে ‘আঙ্কেল’ বলতে শোনা যায়। ওই সময় তিনি তার নিজ দেশের সেনাবাহিনীর সমালোচনা করে বলেন, তার সেনাদের কারণেই কম্বোডিয়ার এক সেনার প্রাণ গেছে।

গত ১৫ জুনের ওই ফোনকলে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে পেতংতার্ন বলেন, ‘কোনো কিছু চাইলে, আমাকে বলবেন। আমি বিষয়টি দেখব।’ তার এই মন্তব্যটি নিয়েই মূলত বেশি সমালোচনা শুরু হয়।

ফোনকলটি ফাঁস হওয়ার সময় থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে চরম সীমান্ত উত্তেজনা চলছিল। থাইল্যান্ডের মানুষের মধ্যে তখন জাতীয়তাবাদও প্রচণ্ডরকমভাবে দেখা যাচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে পেতংতার্ন ও হুনের ফোনকলটি সামনে আসে।

হুন সেনের সঙ্গে পেতংতার্নের ওই ধরনের কথোপথন থাইল্যান্ডের সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক বিরূপ প্রভাব ফেলে। বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করে পেতোংতার্ন গোপনে থাইল্যান্ডের স্বার্থকে বিসর্জন দিচ্ছেন।

এদিকে, ফোনকলটি প্রকাশের কয়েক সপ্তাহ পর দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষও ছড়িয়ে পড়ে। পাঁচ দিনের ওই সংঘর্ষে অন্তত ৩৮ জন নিহত হন, যাদের অধিকাংশই সাধারণ মানুষ। বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন লাখো মানুষ। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ওই সংঘর্ষ থামে।

অবশ্য বিষয়টি সামনে আসতেই পেতংতার্ন সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চান। তিনি দাবি করেন, কম্বোডিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমনের কৌশল হিসেবে তিনি এভাবে কথা বলেছিলেন।

সূত্র: সিএনএন