খুঁজুন
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩ ফাল্গুন, ১৪৩২

চাঁদপুর-ঢাকা নৌরুটে দ্রুতগামী নৌযান দেয়ার দাবী

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫, ৮:২২ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর-ঢাকা নৌরুটে দ্রুতগামী নৌযান দেয়ার দাবী

চাঁদপুর নৌ বন্দর দেশের অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র, ঐতিহাসিক সংযোগস্থল এবং গুরুত্বপূর্ণ ভৌগলিক অবস্থান হিসেবে পরিচিত। কিন্তু বহুবছর চাঁদপুর-ঢাকা নৌরুটে চলাচলকারী লঞ্চের সেবার মান উন্নতি না হওয়ায় যাত্রী সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এই রুটে দ্রুতগতিসম্পন্ন নৌযান চালু করা ও সেবার মান বৃদ্ধির দাবী জানিয়েছে বিভিন্ন পেশা শ্রেণির লোকজন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে জেলাবাসীর পক্ষে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক।

সোমবার সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।

চাঁদপুর নৌ বন্দরটি এক সময় ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে থাকলেও তিন নদীর মোহনা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া এবং ডাকাতিয়া নদীর গভীরতা কমে যাওয়ায় বিকল্প হিসেবে শহরের নিশি বিল্ডিং এলাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে বর্তমানে তৈরী হচ্ছে আধুনিক নৌ বন্দর। কিন্তু আধুনিক নৌ বন্দরের সাথে নৌযানগুলোও আধুনিক হওয়া প্রয়োজন মনে করেন এই রুটের যাত্রীরা।

চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক দেলোয়ার আহমেদ বলেন, এই রুটের লঞ্চগুলোতে উন্নতি হয়নি। তাদের মত করে পরিচালনা করে। তারা শীত এবং গরম মৌসুমে এসির ভাড়া একই রকম নেয়। কিন্তু সেবার মান বৃদ্ধি হয়নি।

ফরিদগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা সমাজকর্মী শিমুল হাসান বলেন, ঢাকা-চাঁদপুর নৌরুটে ভ্রমণ খুবই চমৎকার। কিন্তু ৫০ টাকার ভাড়া ৩০০টাকা হলেও যাত্রী সেবার মান ভালো হয়নি। সেবার মান বৃদ্ধি হলে যাত্রী বাড়বে।

শহরের পুরান বাজারের বাসিন্দা শিক্ষক ও লেখক আইরিন সুলতানা লিমা বলেন, সড়ক পথের চাইতে লঞ্চে এখন সময় বেশি লাগে। সড়ক পথে দুই থেকে আড়াই ঘন্টায় ঢাকায় পৌঁছানো যায়। সেখানে লঞ্চে সময় লাগে ৪ থেকে সাড়ে ৪ঘন্টা। এই পদ্ধতির পরিবর্তন করে দ্রুতগামী নৌযান এখন সময়ের দাবী।

শহরের কুমিল্লা সড়কের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, দ্রুত নৌযান এবং সেবার মান উন্নত করে যৌক্তিক ভাড়া নিতে পারে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। তবে বর্তমান সেবার মান খুবই খারাপ। এক সময় লঞ্চের ভ্রমণই ছিলো সবার কাছে প্রথম পছন্দ। বিশেষ করে চাঁদপুরের দক্ষিণাঞ্চল ও শরীয়তপুরের যাত্রীরা এখনো এই রুটে যাতায়াত করে।

শহরের চেয়ারম্যানঘাট এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী এ.ওয়াই.এম. জাকারিয়া বলেন, আরো অনেক আগে চাঁদপুর নৌ বন্দর নির্মাণ এবং লঞ্চগুলোর যাত্রীসেবা বৃদ্ধির প্রয়োজন ছিলো। ব্যবস্থাপনা বেহাল হওয়ার কারণে যাত্রী অনেক কমেছে। এখন নতুন করে আধুনিক নৌ বন্দর নির্মাণ এবং দ্রুতগামী নৌযান দিলেও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা খুবই কম মনে হয়।

তিনি আরো বলেন, বিমান বন্দর, রেল স্টেশন ও বাস স্ট্যান্ডে যাত্রীরা তাদের মালপত্র নিয়ে আসতে কোন জামালে পোহাতে হয় না। কিন্তু লঞ্চঘাটে প্রত্যেক যাত্রীকে এই বিষয়টি নিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। এই ঘাট ইজারা দিয়ে কি ধরণের সুবিধা হয়, বিষয়টি নিয়ে ভাবা প্রয়োজন।

এদিকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন গত ১৬ অক্টোবর নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ে দেয়া চিঠিতে উল্লেখ করেন, ঢাকা থেকে বরিশাল বিভাগের সকল জেলা এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ঢাকাসহ সারাদেশের লঞ্চ, কার্গো ও জাহাজ চলাচলের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে চাঁদপুর নদী বন্দর ব্যবহৃত হয়। চাঁদপুর শহর পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মোহনায় অবস্থিত হওয়ায় এবং ইলিশের বাড়ি হিসেবে পরিচিতি পাওয়ায় ভ্রমন পিপাসু মানুষের কাছে আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান হিসেবে গড়ে উঠেছে। জনসাধারণ নৌ পথে চাঁদপুর-ঢাকা যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

বর্তমানে নদীপথে চাঁদপুর-ঢাকা যাতায়াতে সাড়ে ৩ঘন্টা থেকে ৪ঘন্টা সময় লাগে। অপরদিকে সড়কপথে যাতায়াতে সময় লাগে দুই থেকে আড়াই ঘন্টা। ধীরগতির পুরোনো লঞ্চ সড়কপথের তুলনায় নদীপথে দীর্ঘ সময় ব্যয় হওয়ায় জনসাধারণ নদীপথে যাতায়াত থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। নদীপথে যাতায়াত তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল, আরামদায়ক ও নিরাপদ। নদীপথের যাতায়াত স্বল্পসময়ে সম্পন্ন করার জন্য দ্রুতগতির লঞ্চ চলাচল নিশ্চিত করা প্রয়োজন। লঞ্চ কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা থাকলে বর্তমানে যে সকল লঞ্চ ৩ঘন্টায় চাঁদপুর থেকে ঢাকায় পৌছায় ওইসব লঞ্চ আড়াই ঘন্টায়ও পৌঁছানো সম্ভব।

এছাড়াও বেশিরভাগ লঞ্চে নিম্নমানের আসন, অপ্রতুল লাইফ জ্যাকেট, অপরিস্কার শৌচাগার ও অভ্যন্তরীণ পরিবেশ সন্তোষজনক নয়। এদিকে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ানে চাঁদপুর আধুনিক লঞ্চ টার্মিনালের উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ লঞ্চে যাতায়াতের স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না কলে উন্নত লঞ্চ টার্মিনাল নির্মাণ করেও আশানুরুপ ফল না পাওয়া সম্ভাবনা বেশি।

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন বলেন, চাঁদপুর-ঢাকা নৌরুট সচল রাখার জন্য আমি মনে করি আধুনিক এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন লঞ্চ চালুর উদ্যোগ, লঞ্চসমূহ সংস্কার, সেবার মান বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং আড়াই ঘন্টার মধ্যে চাঁদপুর-ঢাকা পৌঁছানোর লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, চাঁদপুর জেলার জনসাধারণ ছাড়াও শরীয়তপুর এবং লক্ষ্মীপুর জেলার কয়েকটি এলাকার জনগণ চাঁদপুর হতে ঢাকায় নৌরুটে যাতায়াত করেন। সড়কের ওপরে চাম কমাতে হলে জনপ্রিয় এই নৌরুটের সেবার মান বৃদ্ধি করা প্রয়োজন, অন্যথায় ভবিষ্যতে যাত্রীর অপ্রতুলতায় লঞ্চ সেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টার উদ্যোগে বনভোজন আয়োজন

মনির হেসেন খান
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টার উদ্যোগে বনভোজন আয়োজন
সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের চাঁদপুর জেলা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা আলমগীর আলম জুয়েলের উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজন ও বন্ধু মেলার আয়োজন করা হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারী শনিবার ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নে অবস্হিত মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যময় কোম্পানীর চরে এই বনভোজনের আয়োজন করা হয়। উক্ত বনভোজনে সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের  চাঁদপুর জেলা কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্হিত ছিলেন।
আরও উপস্হিত ছিলেন সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের সাবেক জেলা কো- অর্ডিনেটর ও বর্তমান কমিটির প্রধান উপদেষ্টা চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি, চাঁদপুর জেলা বি,এন,পির শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক, জেলা লায়ন ক্লাব অব চাঁদপুর রুপালির সভাপতি,  তাওসিফ এন্ড তাওহিদ এন্টারপ্রাইজ বিকাশ ও গ্রামীন লিমিটেডের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ,  ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আলমগীর আলম জুয়েল, সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের জেলা জয়েন কো- অর্ডিনেটর ইলিয়াস মিয়া, বাহাউদ্দীন বাহার, উত্তম চন্দ্র দেবনাথ, জেলা কমিটির জয়েন কো- অর্ডিনেটর ও চ্যারিটি প্রধান সাংবাদিক মনির হোসেন খান, জয়েন কো- অর্ডিনেটর হাকিম প্লাজা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সফিকুর রহমান, ব্যবসায়ী নেতা সৈয়দ আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী চাঁদপুর জেলা হার্ডওয়ার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান খান লিটন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান, সাবেক ছাত্র নেতা ও ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান খোকা, বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ মেজবা উদ্দিন মাল, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও রেফারি কাজী টুমু সহ আরও অনেকে।
 উক্ত বনভোজন ও বন্ধু মেলায় স্বাগত বক্তব্যে আলমগীর আলম জুয়েল বলেন সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনটি মুলত একটি সামাজিক মানবিক এবং একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এই সংগঠনটির মুল লক্ষ ও উদ্দেশ্য হলো পিছিয়ে পড়া বন্ধু ও মানবতার সেবায় কাজ করা। সমাজসেবা এবং বন্ধুদের সহযোগিতায় সংগঠনটির নানান উদ্যোগের প্রশংসা করে জুয়েল বলেন ভবিষ্যতেও এর ধারাবাহিকতা তিনি অব্যাহত রাখবেন। পরে বিকেলে শহরের কুমিল্লা রোডস্হ জুয়েলের অফিসে চা চক্রের আয়োজনের মধ্য দিয়ে উক্ত বনভোজনের আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।

কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা

মো. ইউনুস
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা

কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা ও প্রতিরোধ বিষয়ক অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ব্রাকের আয়োজনে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কি রোগ হতে পারে, যেমন ডেঙ্গু, মেলেরিয়া, চিকুনবুনিয়া ঠান্ডা কাশি শাস।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় পর্যাপ্ত পরিমানে গাছ লাগাতে হবে। সরকারি বেসরকারি উদ্যোগকে আরো কার্যকর ও সমন্বিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সোহেল রানা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ জাহিদ হোসাইন, ডাঃ পংকজ চন্দ্র সরকার।
অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন ব্র্যাক প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ শহীদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাকের জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য প্রকল্পের কর্মকর্তা মোঃ বেলাল হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নার্সিং সুপার ভাইজার তাসনীমা, সিনিয়র স্টাফ নার্স আয়েশা বেগম, ইপি আই বোরহান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ব্রজ পোদ্দার সহ গণমাধ্যমকর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ব্র্যাকের আয়োজনে জলবায়ু পরিবর্তনে কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ৩২ টি ওঠান বৈঠক ও ডেঙ্গ প্রতিরোধ অভিযান ৮টি, ৩৬টি সচেতনা মূলক মাইকিং, ৩ টি সমন্বয়ক সভা, ১টি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ট্রেনিং ও সিএইচসিপিদের ট্রেনি ২টি করা হয়।

হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ

নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ
চাঁদপুর সদর উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন বই বিতরণ করা হয়েছ।
১ জানুয়ারী বই বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান খান।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় বই বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মধুসূদন দাস।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও অভিভাবক বৃন্দ।