খুঁজুন
রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ১৬ ভাদ্র, ১৪৩২

সংঘর্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা না পেয়ে কাঁদলেন উপ-উপাচার্য

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
সংঘর্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা না পেয়ে কাঁদলেন উপ-উপাচার্য

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের দফায় দফায় সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, প্রক্টরসহ দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ধরনের সহায়তা না পাওয়ায় কান্নায় ভেঙে পড়েন আহত উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন।

রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় সংঘর্ষ বাধলে প্রশাসন থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা না পেয়ে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান।

এ সংক্রান্ত একটি ভিডিওতে উপ-উপাচার্য ড. মো. কামাল উদ্দিনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি কমপারেটিভলি ভালো আছি। আমার ছাত্ররা সবচেয়ে বেশি আহত। আমরা এখন পর্যন্ত আর্মি-বিজিবির কোনো সাহায্য পাচ্ছি না। প্রত্যেকটা ছাত্রকে তারা দা দিয়ে কোপাচ্ছে। এটা কোন জগতে আছি আমরা? আপনারা আমাদের ছাত্রদের উদ্ধার করুন। আমাদের প্রক্টর, প্রো-ভিসি (একাডেমিক) আহত, আমাদের প্রায় সব শিক্ষক-ছাত্র আহত। আমরা মেডিকেলে জায়গা দিতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের ক্যাডাররা হেলমেট পরে আমাদের ছাত্রদের মারতেছে। আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছি, প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে কথা বলেছি, কিন্তু এখনো আমাদের পাশে কেউ নেই।

এসময় কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, আমি হাত জোড় করে ক্ষমা চাচ্ছি। আমাদের শিক্ষার্থীরা তোমরা শান্ত হও। এলাকাবাসী আপনারা শান্ত হোন। আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এত বছর ধরে আছি, এই গ্রামের সঙ্গে আমাদের ভালো সম্পর্ক ছিল। অন্য একটি কুচক্রী মহলের ইন্ধনে এ ঘটনা ঘটেছে। এই গেমে কেউ হাত দিয়েন না।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা শান্ত হও। আমরা তোমাদের পাশে আছি। এ ঘটনার বিচার হবে।

মতলব প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে আল রশিদ ক্লাবের মতবিনিময়

মোঃ রবিউল আলম
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ
মতলব প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে আল রশিদ ক্লাবের মতবিনিময়

মতলব প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন মতলব আল রশিদ ক্লাবের পুণর্গঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ। রবিবার সকাল সাড়ে দশটায় প্রেসক্লাব কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন আল রশিদ ক্লাবের সভাপতি ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমদাদ হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া,ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মতলব দক্ষিণ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মোজাহিদুল ইসলাম কিরণ।

সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মতলব প্রেসক্লাবের আহবায়ক মোঃ আমির খসরু, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক গোলাম সারওয়ার সেলিম।

এসময় বক্তারা বলেন, মতলব দক্ষিণ উপজেলার পুরোনো একটি ক্রীড়া সংগঠন আল রশিদ ক্লাবটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর নতুন আঙ্গিকে আবার চালু করার প্রক্রিয়া গ্রহণ করায় সকলেই সন্তোষ প্রকাশ করেন। মাদকের ভয়াবহতা থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে ক্রীড়াঙ্গনকে উজ্জীবিত করা হবে।

সভায় ক্লাব সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়, পরিকল্পনা বা সমস্যা নিয়ে পারস্পরিক আলোচনা ও মতামত আদান-প্রদান করা হয়। এই ধরনের সভায় সাধারণত ক্লাবের কার্যক্রম, উন্নয়ন বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়। এ ক্ষেত্রে সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংবাদিকদের সর্বাত্বক সহযোগিতা কামনা করেন আল রশিদ ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

মতবিনিময় সভায় আল রশিদ ক্লাবের সহ সভাপতি আবুল বাশার, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজেদুল আরেফিন শাওন উপস্থিত ছিলেন মতলব প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দ।

পরে ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা সাবেক সচিব এবং কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল মোঃ জাকির হোসেন কামালকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান আল্ রশিদ ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

ফ্যাসিবাদদের কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় দিবেন না: শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ৮:০০ অপরাহ্ণ
ফ্যাসিবাদদের কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় দিবেন না: শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক

কল্যাণপুর ইউনিয়নের ১,২ ও ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ও নবায় কর্মসূচীর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকেলে উত্তর দাসাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন ও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।

তিনি বলেন, গত ১৫ বছর কল্যাণপুর ইউনিয়নে এত উন্নয়ন হয়েছে, যে রাস্তার মোটরসাইকেল চলাচল করতে গিয়ে বালুতে আটকে যায়। ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ উন্নয়নের নামে লুটপাট করেছে। তারা আমাদের দলীয় কার্যালয়ে ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করেছেন। এতে আমাদের অনেক জরুরি কাগজপত্র নষ্ট ও পুড়ে গেছে। ফ্যাসিবাদদের কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় দিবেন না। ফ্যাসিবাদদের বাদ দিয়ে সদস্য পদ সংগ্রহ করবেন। নারীরাও সদস্যপদ সংগ্রহ করবেন।

কল্যাণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন খানের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি সহ-সভাপতি দেওয়ান মো. সফিকুজ্জামান।

কল্যাণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল আলম খানের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহজালাল মিশন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হযরত আলী ঢালী, যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তার হোসেন সাগর, অ্যাড. তাফাজ্জল হোসেন, সদস্য মোশারফ হোসেন সিকদার, পীরজাদা বরকত উল্যাহ খান, জেলা যুবদলের সভাপতি মানিকুর রহমান মানিক, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান নজু, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ খান, দপ্তর সম্পাদক মানিক কাজী প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য এ কে এম ফজলুল হক সেলিম, সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান খান কাজল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. ইমান হোসেন গাজী, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন পাটওয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান সোহাগ, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু হানিফ কাকন, সদস্য সচিব পীরজাদা জুনায়েদ উল্যাহ খান, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. জিসান আহমেদ, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি আশিকুর রহমান শিপনসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীরা।

হাইমচরের কাটাখালির ঐতিহ্যবাহী মসজিদটি এখন কালের স্বাক্ষী

শওকত আলী
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
হাইমচরের কাটাখালির ঐতিহ্যবাহী মসজিদটি এখন কালের স্বাক্ষী

মোঘল আমলের আদলে নির্মিত শত বছরের পুরাতন ঐতিহ্য ধারন করে দাড়িয়ে আছে চুন সুরকির তৈরী হাইমচরের কাটাখালির ঐতিহ্যবাহী মসজিদটি কালের স্বাক্ষী হিসেবে। চাঁদপুরের প্রাচীনতম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম হাইমচর উপজেলার কাটাখালি জামে মসজিদ। বর্তমানে এটি কাটাখালি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ নামে পরিচিত।

১৯০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এ মসজিদ এখন স্থানীয়দের কাছে ইবাদতের মারকাজ। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে মোঘল আমলে তৈরি মসজিদগুলোর আদলে তৈরি হয়েছে এ মসজিদ। স্থানীয়দের দান-অনুদানেই চলছে মসজিদের নিয়মিত ব্যয়।

সংস্কার হলে মসজিদটির সৌন্দর্য আরও বিকশিত হবে, এমন অভিমত এলাকার ধর্মপ্রান মুসল্লিদের।

গত শুক্রবার দুপুরে ওই এলাকায় গিয়ে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মুসল্লিদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

কাটাখালি জামে মসজিদ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মসজিদ এলাকায় মোট জমির পরিমাণ ৩৩ শতাংশ। তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটির দেয়ালের দুরুত্ব ৩ বর্গফুট। মূল মসজিদের দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট এবং প্রস্থ ৩০ ফুট। মসজিদের অভ্যন্তরে তিনটি গম্বুজের নিচে খুবই চমৎকার শৈল্পিকতায় আঁকা রয়েছে ১২টি নকশা। মূল ভবনে কোনো পিলার নেই, তবে বারান্দায় রয়েছে ২৪টি পিলার।

নির্মাণ সামগ্রী হিসেবে ব্যবহার হয়েছে চুন-সুরকি। ঝুলন্ত বিম রয়েছে দুটি। মেহরাব বড় একটি এবং ছোট তিনটি। কোরআন শরিফসহ ধর্মীয় গ্রন্থ রাখার জন্য বক্স আছে একটি। মসজিদের ওপরে একটি বড় এবং দুই পাশে দুটি ছোট গম্বুজ রয়েছে। মসজিদ ঘেঁষে রয়েছে পুকুর, যাতে রয়েছে বাঁধানো সিঁড়ি।

এ জেলা চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা মূলত মেঘনা উপকুলীয় অঞ্চল। নদী ভাঙনের কারণে এ এলাকার লোকজনকে বারবার বসতি পরিবর্তন করতে হয়। নদী ভাঙনের শিকার অনেকে এ মসজিদের কাছে এসে নতুন করে বসতি গড়েছেন।

পাশের গাজীপুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মুন্সিও (৭৬) তাদের একজন। নদী ভাঙনের পর মসজিদের পশ্চিমে পরিবার নিয়ে বসতি করে আছেন।

তিনি বলেন, আমার জন্মের পরে এ মসজিদ দেখছি। বিগত প্রায় আড়াই দশক ধরে এ মসজিদে নামাজ পড়ি। আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাশাপাশি প্রতি জুমার নামাজ আদায় করি। অনেক সময় মসজিদে জায়গা পাওয়া যায় না, কারণ অনেক মুসল্লির সমাগম ঘটে এখানে। অনেক দূর থেকেও মানুষ এসে এ মসজিদে নামাজ আদায় করতে দেখা যাচ্ছে।

এ এলাকার আরেক মুসল্লি আলী আহম্মদ গাজী বলেন, এক সময় মসজিদের পশ্চিমে অনেক বসতি ছিল। নদী ভাঙার কারণে মুসল্লির সংখ্যা কিছুটা কমেছে। ছোট বেলায় দেখেছি, মূল মসজিদের অবকাঠামো ছিল স্বল্প পরিসরে। এরপর যারাই এ মসজিদের খেদমতে ছিলেন, তারা মসজিদ সংস্কার করেছেন এবং মুসল্লি বেড়ে যাওয়ায় মসজিদের আকারও বাড়ানো হয়েছে। এখানে প্রতি জুমার নামাজের দিন ৬০০ থেকে ৭০০ মুসল্লি আগমন ঘটে। এছাড়া এ কাটাখালি জামে মসজিদটির সৌন্দর্য দেখার জন্য অনেক স্থান থেকে এখানে শতশত লোকজন আসেন।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য হাসান তপাদার বলেন, ছোট বেলা থেকেই মসজিদটি দেখে আসছি। আমাদের পূর্বপুরুষরাই এ মসজিদে প্রথমে সাত শতাংশ জমি দান করেন এবং পরে আরও জমি দান করেন। এর মধ্যে একজন জমিদাতা হলেন আব্দুর রহমান। বর্তমানে মসজিদ এরিয়াটি প্রায় ৩৩ শতাংশের মধ্যে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে গত কয়েক বছর ধরে বারান্দাসহ মসজিদের অংশ বাড়ানো হয়েছে। যারাই এ মসজিদ পরিচালনা কমিটিতে ছিলেন, প্রত্যেকেই আন্তরিক হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

হাসান তপাদার আরও বলেন, মসজিদের খুব কাছে মেঘনা নদী। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মসজিদের দক্ষিণ-পশ্চিমে কিছু অংশ ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবী করছেন, ভাঙন প্রতিরোধেও সরকারের দৃষ্টি দেওয়া উচিত।

মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা খলিলুর রহমান বলেন, দুই বছরের বেশি সময় এ মসজিদের খেদমতে আছি। অনেক দূর-দূরান্ত থেকে এ মসজিদে লোকজন নামাজ পড়তে আসেন। জুমার দিন ছাড়াও এ কাটাখালি জামে মসজিদে নিয়মিত জামায়াতে প্রায় ৩০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করছেন।

মসজিদের কোষাধ্যক্ষ মফিজ উল্লাহ শাহ্ বলেন, চাঁদপুরের দক্ষিণে কাটাখালি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের অনেক সুনাম রয়েছে। শুধুমাত্র নামাজ আদায় করার জন্য অনেক লোক চাঁদপুর জেলার বাইরে থেকেও একানে আসছেন।

তিনি বলেন, আমাদের মসজিদটির মূল ভবন এমনভাবে তৈরি, যেখানে শুধুমাত্র চুন-সুরকি ব্যবহার হয়েছে। ইট-সিমেন্ট ও বালুর ব্যবহার হয়নি। যখন বাইরে প্রচন্ড গরম, তখন মসজিদের ভেতরে নামাজ আদায় করলে খুব শীতল অবস্থার অনুভূত হয়।