খুঁজুন
শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩২

চাঁদপুর-২ আসনে সবার প্রত্যাশিত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর-২ আসনে সবার প্রত্যাশিত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ

চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের উত্তর নিশ্চিন্তপুর গ্রামের কৃতি সন্তান অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন পেশাজীবি সাধারণ জনগণ।

অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ ১৯৭২ সালের মে মাসে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯৭ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি এফসিপিএস (মেডিসিন) ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে সিঙ্গাপুর থেকে রিউমাটোলজীতে ফেলোশিপ সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (সাবেক পিজি হাসপাতাল) রিউমাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক এবং মেডিসিন অনুষদের ডীন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বাংলাদেশ রিউমাটোলজি সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ, মেম্বার- ড্রাগ কন্ট্রোল কমিটি, ড্রাগ এডমিস্ট্রেশন অথরিটি এবং বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময়ে তাঁর সার্বিক চিকিৎসার দায়িত্বও পালন করেছিলেন তিনি।

পেশাগত জীবনের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ডা. শামীম আহমেদ বর্তমানে চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি (৩ নং) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সততা, সুনাম ও যোগ্য নেতৃত্বগুণের কারণে ইতোমধ্যেই তিনি স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের মাঝে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।

মানবিক সেবামূলক কার্যক্রমের জন্যও তিনি এলাকায় ব্যাপক পরিচিত। প্রতি বছর তিনি ১০০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়ে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করেন এবং অসহায় মানুষদের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান করেন। এজন্য সাধারণ মানুষ তাঁকে ‘মানবিক ডাক্তার’ হিসেবে ডাকেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা নিতে আসা মতলব ও চাঁদপুরের রোগীদেরও তিনি সবসময় সহযোগিতা করে থাকেন।

এছাড়া সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন মন্দির ও উপাসনালয়ে আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করেছেন। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ মনে করছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদকে মনোনয়ন দিলে তিনি চাঁদপুর-২ আসনে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী হবেন এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবেন।

বিএনপির নেতাকর্মী, সাধারণ জনগণ ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের প্রত্যাশা হলো অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদকে যদি মনোনয়ন দেওয়া হয়, তবে তিনি শুধু দলকেই শক্তিশালী করবেন না; বরং এলাকার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাব্যবস্থা ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষার মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করবেন। তাঁর নেতৃত্বে চাঁদপুর-২ আসন জাতীয় রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।

সুলতানাবাদ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও মতলব কলেজ ছাত্রদলের নির্বাচিত সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন, আমরা অবশ্যই ভালো নম্র ভদ্র এবং সুশিক্ষিত একজন এমপি চাই। যিনি মতলবের মানুষের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে কাজ করবেন এবং উন্নয়ন করবেন। এক্ষেত্রে অধ্যাপক ডাঃ শামীম আহমেদ হতে পারে একজন পছন্দের ব্যক্তি। যিনি বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসক প্যানেলের একজন। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ব বিদ্যালয়ে আছেন। তিনি প্রতি বছরই পুরো পিজি হাসপাতালটাই নিয়ে আসেন মতলবের মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া জন্য। তারেক জিয়া বলেছেন জনগণের পছন্দের ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। সেই সূত্রে ডাঃ শামীম আহমেদ একজন যোগ্য প্রার্থী মনে করি। আমি তার মত এমন একজন নম্র ভদ্র এমপি চাই, যার কাছে মানুষ গিয়ে কথা বলতে পারবেন, মানুষকে সেবা করবেন।

বাগানবাড়ি ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা তৃণমুল কর্মী হিসেবে যার কাছে গিয়ে কথা বলতে পারবো এমন একজনকে এমপি হিসেবে চাই। সেক্ষেত্রে অধ্যাপক ডাঃ শামীম আহমেদ পছন্দের ব্যক্তি। কারণ তিনি ৫ আগষ্টের পরদিনই মতলবে এসে বলেছিলেন সবাই শান্তি বজায় রাখবেন, কেউ আইন শৃঙ্খলা নস্ট করবেন না। তাছাড়া তিনি একজন নম্র ভদ্র এবং জনবান্ধব। তাই তিনি তাকে যদি দল মনোনয়ন দেন এবং তিনি যদি এমপি হন তাহলে আমরা ভালো থাকতে পারবো বলে আমি বিশ্বাস করি।

ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা যুবদল নেতা গাজী মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা এমন একজন এমপি চাই যার তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক আছে। এবং এমপি হওয়ার পরে নেতাকর্মীদের বিপদে আপদে পাশে থাকবে। কারণ আমরা তৃণমুলে রাজনীতি করি কিছু পাওয়ার জন্য নয় শুধু নেতা আমাদের খোঁজ খবর রাখবে এমন একজন নেতা চাই। সে হিসেবে অধ্যাপক ডাঃ শামীম আহমেদ আমার পছন্দের ব্যক্তি। তাহলেই দল শক্তিশালী হবে এবং জনগণও ভালো চলবে।

তৃণমূলের আরেক কর্মী মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, আগামী নির্বাচনে আমরা এমন একজন এমপি প্রার্থী চাই যিনি কর্মীদের সুখে দুঃখে পাশে থাকবেন। সে হিসেবে আমি মনে করি অধ্যাপক ডাঃ শামীম আহমেদ যোগ্য প্রার্থী।

চাঁদপুর জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের পরিচিত সভা

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের পরিচিত সভা

চাঁদপুর জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের নবগঠিত কমিটির পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৪ টায় চাঁদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ে কুরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে ফুল দিয়ে বরণ করেন জেলা গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দরা।

চাঁদপুর জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি জিএম মানিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান এবং সহ-সভাপতি ফারুক হাসানের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কাজী রাসেল।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য ও রাখেন চাঁদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান, যুগ্ম আহবায়ক সাংবাদিক জাকির হোসেন, মাসুম সরকার, যুগ্ম সদস্য সচিব সামিউল প্রধান, উমর সালমান, চাঁদপুর জেলা যুব অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল আহমেদ শাওন, চাঁদপুর সদর উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মোঃ রাশেদুল ইসলাম, সদস্য সচিব মোঃ আল-আমিন (সুমন), চাঁদপুর পৌর যুব অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মাসুদ রানা নিশান।

সভায় আর বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি আবু সাঈদ চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমেদ বেপারী, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আরবি আহমেদ শাওন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইউসুফ বেপারী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর মিজি, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি সংরক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক সাকিব আহমেদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ সাদ সরকার প্রমূখ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গাজা শহর দখলের অনুমোদন দেবেন নেতানিয়াহু

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
গাজা শহর দখলের অনুমোদন দেবেন নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গাজা শহর দখলের পরিকল্পনার চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন বলে জানিয়েছেন। তবে এরমধ্যে হামাসের সঙ্গে চলমান আলোচনাও আবার শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। যার লক্ষ্য হচ্ছে অবশিষ্ট জিম্মিদের মুক্তি এবং প্রায় দুই বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসান।

বৃহস্পতিবার গাজার কাছে সেনাদের সঙ্গে কথা বলার সময় নেতানিয়াহু বলেন, তিনি এখনো গাজা সিটি দখলের পরিকল্পনায় অটল রয়েছেন। এই পরিকল্পনার আওতায় রয়েছে প্রায় ১০ লাখ মানুষকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়া এবং ফিলিস্তিনি ঘরবাড়ি ধ্বংসের ধারাবাহিক অভিযান।

নেতানিয়াহু বলেন, একই সঙ্গে আমি আমাদের সব জিম্মিকে মুক্তি এবং যুদ্ধের অবসানের জন্য ইসরায়েলের গ্রহণযোগ্য শর্তে অবিলম্বে আলোচনা শুরুর নির্দেশ দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখন সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে রয়েছি।

গাজা সিটিতে সম্ভাব্য বড় অভিযান আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হতে পারে, যদি বৃহস্পতিবার বিকেলে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে নেতানিয়াহু চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে থাকেন।

এরই মধ্যে ইসরায়েলি বাহিনী গাজা শহরে আক্রমণ জোরদার করেছে এবং গত ১০ দিনে ট্যাঙ্ক এগিয়ে আসায় হাজারো ফিলিস্তিনি নিজ ঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।

এরই মধ্যে হামাস জানিয়েছে, তারা কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে, যা ইসরায়েল মেনে নিলে সম্ভাব্য এই হামলা এড়ানো যেতে পারে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও ৬০ হাজার রিজার্ভ সেনা ডাকার পরিকল্পনা করছে এবং অতিরিক্ত ২০ হাজার সেনার মেয়াদ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

ক্ষমতাচ্যুত হলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ৮:২১ অপরাহ্ণ
ক্ষমতাচ্যুত হলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত। এর আগে কম্বোডিয়ার সাবেক নেতা হুন সেনের সঙ্গে একটি ফোনকলের রেকর্ড ফাঁস হওয়ার জেরে আদালত তার পদ স্থগিত করেছিলেন। শুক্রবার পেতোংতার্নকে ক্ষমতা থেকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এখন দেশটির আইনপ্রণেতারা যদি একমত হন তবে নতুন একটি সরকার গঠন করতে পারেন। আর সেটি সম্ভব না হলে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

পেতংতার্ন ২০২৪ সালের আগস্টে ৩৭ বছর বয়সে থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মাত্র এক বছর ক্ষমতায় থাকার পরই ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন তিনি। সদ্য সাবেক এ নারী থাই রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী সিনাওয়াত্রা পরিবারের সদস্য।

ফাঁস হওয়া সেই ফোনকলে তাকে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে ‘আঙ্কেল’ বলতে শোনা যায়। ওই সময় তিনি তার নিজ দেশের সেনাবাহিনীর সমালোচনা করে বলেন, তার সেনাদের কারণেই কম্বোডিয়ার এক সেনার প্রাণ গেছে।

গত ১৫ জুনের ওই ফোনকলে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে পেতংতার্ন বলেন, ‘কোনো কিছু চাইলে, আমাকে বলবেন। আমি বিষয়টি দেখব।’ তার এই মন্তব্যটি নিয়েই মূলত বেশি সমালোচনা শুরু হয়।

ফোনকলটি ফাঁস হওয়ার সময় থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে চরম সীমান্ত উত্তেজনা চলছিল। থাইল্যান্ডের মানুষের মধ্যে তখন জাতীয়তাবাদও প্রচণ্ডরকমভাবে দেখা যাচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে পেতংতার্ন ও হুনের ফোনকলটি সামনে আসে।

হুন সেনের সঙ্গে পেতংতার্নের ওই ধরনের কথোপথন থাইল্যান্ডের সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক বিরূপ প্রভাব ফেলে। বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করে পেতোংতার্ন গোপনে থাইল্যান্ডের স্বার্থকে বিসর্জন দিচ্ছেন।

এদিকে, ফোনকলটি প্রকাশের কয়েক সপ্তাহ পর দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষও ছড়িয়ে পড়ে। পাঁচ দিনের ওই সংঘর্ষে অন্তত ৩৮ জন নিহত হন, যাদের অধিকাংশই সাধারণ মানুষ। বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন লাখো মানুষ। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ওই সংঘর্ষ থামে।

অবশ্য বিষয়টি সামনে আসতেই পেতংতার্ন সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চান। তিনি দাবি করেন, কম্বোডিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমনের কৌশল হিসেবে তিনি এভাবে কথা বলেছিলেন।

সূত্র: সিএনএন