খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

দূরপাল্লার সব বাসে ১ জুনের মধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ মে, ২০২৫, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
দূরপাল্লার সব বাসে ১ জুনের মধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ

ঈদযাত্রায় ডাকাতি ও ছিনতাইসহ নারী যাত্রীদের হেনস্তা রোধে দূরপাল্লার প্রতিটি বাসে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে বাস মালিকদের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।

নির্দেশনা বাস্তবায়নে বাস মালিকদের সাত দিন (১ জুনের মধ্যে) সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিটি বাসে ক্যামেরা স্থাপনে ব্যর্থ হলে ঈদযাত্রায় সেসব বাসকে সিরিয়াল না দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

রোববার রাজধানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সভায় এ নির্দেশনা দেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম। সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির আয়োজনে সভায় পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা অংশ নেন।
ঈদযাত্রায় ডাকাতি-ছিনতাইসহ নারী যাত্রীদের হেনস্তা বন্ধে দূরপাল্লার বাসে সিসি ক্যামেরা স্থাপনে শনিবার জরুরি নির্দেশনা দিয়ে বাস মালিক সমিতিসহ জেলা শাখার অন্তর্ভুক্ত কোম্পানিগুলোকে চিঠি দেয় পরিবহন মালিক সমিতি।

এর আগে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে গত ৮ এপ্রিল পরিবহন মালিক সমিতিকে চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলমের সই করা শনিবারের চিঠিতে বলা হয়, বেশ কিছুদিন ধরে দূরপাল্লার বাসে যাতায়াতের ক্ষেত্রে যাত্রীরা প্রায়শ ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মুখে পড়ছেন। নারী যাত্রীরা বিভিন্নভাবে লাঞ্ছনা ও হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে ঘটছে দুর্ঘটনা।

চিঠিতে আরও বলা হয়, উল্লিখিত ঘটনাগুলো সঠিকভাবে নির্ণয় ও তদন্ত করা এবং বন্ধ করার জন্য দূরপাল্লার প্রতিটি বাসে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি বাধ্যতামূলক করে আমাদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, দূরপাল্লা রুটে চলাচলকারী প্রতিটি কোম্পানি ও সমিতির বাসে অনতিবিলম্বে আগামী সাতদিনের (১ জুন) মধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করার জন্য মালিকদের নির্দেশনা দেওয়া হলো। এ নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন না করলে স্ব স্ব গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিসি ক্যামেরা স্থাপন না করলে এবং গাড়ির গতি নির্দিষ্ট করা না থাকলে প্রয়োজনে সেসব গাড়ি চলাচলে সিরিয়াল দেওয়া বন্ধ রাখতে চিঠিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টার উদ্যোগে বনভোজন আয়োজন

মনির হেসেন খান
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টার উদ্যোগে বনভোজন আয়োজন
সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের চাঁদপুর জেলা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা আলমগীর আলম জুয়েলের উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজন ও বন্ধু মেলার আয়োজন করা হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারী শনিবার ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নে অবস্হিত মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যময় কোম্পানীর চরে এই বনভোজনের আয়োজন করা হয়। উক্ত বনভোজনে সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের  চাঁদপুর জেলা কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্হিত ছিলেন।
আরও উপস্হিত ছিলেন সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের সাবেক জেলা কো- অর্ডিনেটর ও বর্তমান কমিটির প্রধান উপদেষ্টা চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি, চাঁদপুর জেলা বি,এন,পির শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক, জেলা লায়ন ক্লাব অব চাঁদপুর রুপালির সভাপতি,  তাওসিফ এন্ড তাওহিদ এন্টারপ্রাইজ বিকাশ ও গ্রামীন লিমিটেডের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ,  ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আলমগীর আলম জুয়েল, সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের জেলা জয়েন কো- অর্ডিনেটর ইলিয়াস মিয়া, বাহাউদ্দীন বাহার, উত্তম চন্দ্র দেবনাথ, জেলা কমিটির জয়েন কো- অর্ডিনেটর ও চ্যারিটি প্রধান সাংবাদিক মনির হোসেন খান, জয়েন কো- অর্ডিনেটর হাকিম প্লাজা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সফিকুর রহমান, ব্যবসায়ী নেতা সৈয়দ আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী চাঁদপুর জেলা হার্ডওয়ার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান খান লিটন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান, সাবেক ছাত্র নেতা ও ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান খোকা, বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ মেজবা উদ্দিন মাল, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও রেফারি কাজী টুমু সহ আরও অনেকে।
 উক্ত বনভোজন ও বন্ধু মেলায় স্বাগত বক্তব্যে আলমগীর আলম জুয়েল বলেন সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনটি মুলত একটি সামাজিক মানবিক এবং একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এই সংগঠনটির মুল লক্ষ ও উদ্দেশ্য হলো পিছিয়ে পড়া বন্ধু ও মানবতার সেবায় কাজ করা। সমাজসেবা এবং বন্ধুদের সহযোগিতায় সংগঠনটির নানান উদ্যোগের প্রশংসা করে জুয়েল বলেন ভবিষ্যতেও এর ধারাবাহিকতা তিনি অব্যাহত রাখবেন। পরে বিকেলে শহরের কুমিল্লা রোডস্হ জুয়েলের অফিসে চা চক্রের আয়োজনের মধ্য দিয়ে উক্ত বনভোজনের আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।

কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা

মো. ইউনুস
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা

কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা ও প্রতিরোধ বিষয়ক অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ব্রাকের আয়োজনে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কি রোগ হতে পারে, যেমন ডেঙ্গু, মেলেরিয়া, চিকুনবুনিয়া ঠান্ডা কাশি শাস।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় পর্যাপ্ত পরিমানে গাছ লাগাতে হবে। সরকারি বেসরকারি উদ্যোগকে আরো কার্যকর ও সমন্বিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সোহেল রানা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ জাহিদ হোসাইন, ডাঃ পংকজ চন্দ্র সরকার।
অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন ব্র্যাক প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ শহীদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাকের জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য প্রকল্পের কর্মকর্তা মোঃ বেলাল হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নার্সিং সুপার ভাইজার তাসনীমা, সিনিয়র স্টাফ নার্স আয়েশা বেগম, ইপি আই বোরহান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ব্রজ পোদ্দার সহ গণমাধ্যমকর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ব্র্যাকের আয়োজনে জলবায়ু পরিবর্তনে কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ৩২ টি ওঠান বৈঠক ও ডেঙ্গ প্রতিরোধ অভিযান ৮টি, ৩৬টি সচেতনা মূলক মাইকিং, ৩ টি সমন্বয়ক সভা, ১টি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ট্রেনিং ও সিএইচসিপিদের ট্রেনি ২টি করা হয়।

হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ

নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ
চাঁদপুর সদর উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন বই বিতরণ করা হয়েছ।
১ জানুয়ারী বই বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান খান।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় বই বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মধুসূদন দাস।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও অভিভাবক বৃন্দ।