খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

হাইমচরের পল্লীর রনি বাড়ীতে বসেই বিভিন্ন শাড়ী প্রস্তুতে দৃষ্টি কেড়েছে

শওকত আলী
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
হাইমচরের পল্লীর রনি বাড়ীতে বসেই বিভিন্ন শাড়ী প্রস্তুতে দৃষ্টি কেড়েছে

জেলা চাঁদপুরের হাইমচরের পল্লীর মোহাম্মদ রনি পাটোয়ারী তার নিজ বাড়ীতে বসেই প্রসিদ্ব মানের নামী-দামী বেনারশি, কাতান ও জামদানী শাড়ী তৈরী করে সাড়া ফেলে দিয়েছেন এবং সকলের দৃষ্টি কেড়ে নিচ্ছেন। এখানে সব চেয়ে বেশী প্রস্তুত হচ্ছে এবং অর্ডার পড়ছে বিভিন্ন দামের রকমারী জামদানী শাড়ী।

এখানে প্রস্তুত করা জামদানী ৩৮শ’ টাকা থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যস্ত বিক্রি হচ্ছে। অর্ডার পেলে ৪/৫ লাখ টাকা দামের জামদানি শাড়ীও তৈরিতে রনির পারদর্শীতা রয়েছে।

তিনি হাইমচর এলাকার ৩ নাম্বার দক্ষিণ আলগী দুর্গাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম চর কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা। প্রতিনিয়ত নিজ এলাকা ছাড়িয়ে এই জামদানি শাড়ীর বেশী চাহিদা ও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে মরিয়া এই তরুন উদ্যোক্তা রনি পাটোয়ারী।

মঙ্গলবার দিনব্যাপী নিজের একটি দো’চালা টিনের ঘরে ক্ষুদ্র পরিসরে জামদানি শাড়ী তৈরিতে রনির ব্যস্ততা দেখা যায়।

রনির পিতা মো: বিল্লাল হোসেন পাটোয়ারী প্রতিবেদককে জানান, আমার ছেলে প্রায় ২০ বছর আগে পারিবারিক অভাব অনাটন কাটাতে হাইমচর ছেড়ে পারি জমায় নারায়ণগঞ্জ শহরে। পরে সেখানে নানা জায়গায় থেকে জামদানি কাপড় বুনার পুরো কাজ শিখে সে পুনরায় এলাকায় ফিরে আসেন। রনির একাডেমিক তেমন পড়াশুনা না থাকলেও এখন এই শাড়ী বিক্রির উপার্জনের অর্থ দিয়েই সংসার চালাচ্ছে।

রনির মা সালমা বেগম জানান, সুতা, নাটাই, কাঠের ফ্রেম, সিজার, কেচিসহ নানা যন্ত্রপাতি দিয়ে একা হাতে এক একটি জামদানী তৈরি করতে রনির ৩/৪ দিন সময় লেগে যায়। তাই নানান স্থান থেকে অর্ডার আসলেও তা ডেলিভারি দিতে ওর সময় লেগে যাচ্ছে। যদি সামর্থ্যবানরা এগিয়ে আসতো তাহলে রনির এখানে আরও অনেকের কর্মসংস্থানের সুযোগ করা যেত।

বিভিন্ন রকমের জামদানি শাড়ী প্রস্তুতে উদ্যোক্তা রনি পাটোয়ারী জানান, আমাদের ৭ ভাইবোনের মধ্যে এখন পরিবারসহ এলাকায় জামদানি শাড়ী তৈরি করে আমি সাড়া ফেলছি। তবে এ কাজটিতে আরও অনেকের কর্মসংস্থান তৈরির প্রত্যাশা রয়েছে। এজন্য আমার প্রয়োজন সরকারি বেসরকারি ভাবে অর্থ সহায়তা।

রনি পাটোয়ারী আরও জানান, আমার তৈরি এক একটি জামদানি শাড়ীর বর্তমান মূল্য ৩৮শ’ টাকা থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যস্ত। তবে যেকানো চাহিদানুযায়ী অর্ডার পেলে ৪/৫ লাখ টাকা দামের জামদানি শাড়ীও তৈরিতে আমার পারদর্শীতা রয়েছে। আমার এ কাজকে এগিয়ে নিতে আমি সবার দোয়া ও সহায়তা কামনা করছি।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে জেলা চাঁদপুরের হাইমচর ৩নাম্বার দক্ষিণ আলগী দূর্গাপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান সর্দার আব্দুল জলিল বলেন, রনির এ ধরনের রকমারী জামদানি শাড়ীর এই ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানকে অনেক বড় করতে আমার পরিষদ থেকে সহায়তা চাইলে সহায়তা করা হবে। আমি চাই এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে যাক এবং দেশ বিদেশে এর খবর ছড়িয়ে পড়ে এর চাহিদা ছড়িয়ে পড়ুক।

এ বিষয়ে হাইমচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে সালমা নাজনীন তৃষা বলেন, প্রশাসনিক বিভিন্ন মেলায় এই রকমারী জামদানি শাড়ীকে তুলে ধরাসহ এ শিল্পটিকে ছড়িয়ে দিতে রনি পাটওয়ারীর এই শিল্প তৎপরতাকে ঘিরে আরও ব্যাপকভাবে কর্মপরিকল্পনা নেয়া হবে। এ জন্য আমার পরিষদ থেকে যেকোন সহায়তার জন্য উপজেলা প্রশাসন পাশে থাকার আশ্বাস দিতে পারি।

সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টার উদ্যোগে বনভোজন আয়োজন

মনির হেসেন খান
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টার উদ্যোগে বনভোজন আয়োজন
সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের চাঁদপুর জেলা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা আলমগীর আলম জুয়েলের উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজন ও বন্ধু মেলার আয়োজন করা হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারী শনিবার ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নে অবস্হিত মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যময় কোম্পানীর চরে এই বনভোজনের আয়োজন করা হয়। উক্ত বনভোজনে সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের  চাঁদপুর জেলা কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্হিত ছিলেন।
আরও উপস্হিত ছিলেন সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের সাবেক জেলা কো- অর্ডিনেটর ও বর্তমান কমিটির প্রধান উপদেষ্টা চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি, চাঁদপুর জেলা বি,এন,পির শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক, জেলা লায়ন ক্লাব অব চাঁদপুর রুপালির সভাপতি,  তাওসিফ এন্ড তাওহিদ এন্টারপ্রাইজ বিকাশ ও গ্রামীন লিমিটেডের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ,  ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আলমগীর আলম জুয়েল, সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের জেলা জয়েন কো- অর্ডিনেটর ইলিয়াস মিয়া, বাহাউদ্দীন বাহার, উত্তম চন্দ্র দেবনাথ, জেলা কমিটির জয়েন কো- অর্ডিনেটর ও চ্যারিটি প্রধান সাংবাদিক মনির হোসেন খান, জয়েন কো- অর্ডিনেটর হাকিম প্লাজা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সফিকুর রহমান, ব্যবসায়ী নেতা সৈয়দ আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী চাঁদপুর জেলা হার্ডওয়ার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান খান লিটন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান, সাবেক ছাত্র নেতা ও ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান খোকা, বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ মেজবা উদ্দিন মাল, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও রেফারি কাজী টুমু সহ আরও অনেকে।
 উক্ত বনভোজন ও বন্ধু মেলায় স্বাগত বক্তব্যে আলমগীর আলম জুয়েল বলেন সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনটি মুলত একটি সামাজিক মানবিক এবং একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এই সংগঠনটির মুল লক্ষ ও উদ্দেশ্য হলো পিছিয়ে পড়া বন্ধু ও মানবতার সেবায় কাজ করা। সমাজসেবা এবং বন্ধুদের সহযোগিতায় সংগঠনটির নানান উদ্যোগের প্রশংসা করে জুয়েল বলেন ভবিষ্যতেও এর ধারাবাহিকতা তিনি অব্যাহত রাখবেন। পরে বিকেলে শহরের কুমিল্লা রোডস্হ জুয়েলের অফিসে চা চক্রের আয়োজনের মধ্য দিয়ে উক্ত বনভোজনের আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।

কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা

মো. ইউনুস
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা

কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা ও প্রতিরোধ বিষয়ক অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ব্রাকের আয়োজনে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কি রোগ হতে পারে, যেমন ডেঙ্গু, মেলেরিয়া, চিকুনবুনিয়া ঠান্ডা কাশি শাস।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় পর্যাপ্ত পরিমানে গাছ লাগাতে হবে। সরকারি বেসরকারি উদ্যোগকে আরো কার্যকর ও সমন্বিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সোহেল রানা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ জাহিদ হোসাইন, ডাঃ পংকজ চন্দ্র সরকার।
অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন ব্র্যাক প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ শহীদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাকের জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য প্রকল্পের কর্মকর্তা মোঃ বেলাল হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নার্সিং সুপার ভাইজার তাসনীমা, সিনিয়র স্টাফ নার্স আয়েশা বেগম, ইপি আই বোরহান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ব্রজ পোদ্দার সহ গণমাধ্যমকর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ব্র্যাকের আয়োজনে জলবায়ু পরিবর্তনে কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ৩২ টি ওঠান বৈঠক ও ডেঙ্গ প্রতিরোধ অভিযান ৮টি, ৩৬টি সচেতনা মূলক মাইকিং, ৩ টি সমন্বয়ক সভা, ১টি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ট্রেনিং ও সিএইচসিপিদের ট্রেনি ২টি করা হয়।

হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ

নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ
চাঁদপুর সদর উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন বই বিতরণ করা হয়েছ।
১ জানুয়ারী বই বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান খান।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় বই বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মধুসূদন দাস।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও অভিভাবক বৃন্দ।