খুঁজুন
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯ মাঘ, ১৪৩২

বইমেলার অর্থনীতি : বৈষম্য প্রেক্ষিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ২:২৮ অপরাহ্ণ
বইমেলার অর্থনীতি : বৈষম্য প্রেক্ষিত

‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাসব্যাপী চলছে বইমেলা। মেলায় অংশ নেওয়া ৭০৮টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ১ হাজার ৮৪ ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৯৯টি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৬০৯টি প্রতিষ্ঠানকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এবার মোট প্যাভিলিয়নের সংখ্যা ৩৭টি, যার মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৩৬টি। লিটলম্যাগ চত্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চের কাছাকাছি গাছতলায় করা হয়েছে। সেখানে ১৩০টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিশু চত্বরে ৭৪টি প্রতিষ্ঠানকে ১২০ ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মেলার পুরো মাস জুড়ে এইসব স্টলে থাকে ভিড়। প্যাভিলিয়ন বা স্টলে ব্যস্ততা অঢেল, তড়িৎ চলাফেরা, হাঁক-ডাক, শোরগোল লেগেই থাকে। এর বাইরে ক্রেতা-পাঠকদের ভিড়, গাদাগাদি, ঠেলাঠেলি তো আছেই। বই ব্যাগে ভরা হচ্ছে, টাকা দেওয়া হচ্ছে, রশিদ কাটা হচ্ছে—সব মিলিয়ে একটা দক্ষযজ্ঞ ব্যাপার।

আশেপাশে অনেক স্টল সাজানো গোছানো। রংপুর থেকে এসেছে একটি প্রকাশনী সংস্থা। স্মিতহাস্যের এক যুবক বসে আছেন স্টলে। মাঝে মাঝে দুই একজন সেখানে আসছেন, দুই চারটা বই উল্টেপাল্টে দেখে চলে যাচ্ছেন। না, বই বিক্রি হচ্ছে না তেমন। কেউ বইগুলোর সামনে দাঁড়ালে বিক্রেতা যুবকটির মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠছে—প্রত্যাশা করছেন যে, বই বিক্রি হতে পারে।

যে কেউ কোনো বই হাতে নিলে, সে যুবাটি বইটি সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছেন। তাতে কিছুটা ফল হচ্ছে—কেউ কেউ দুই একটা বই কিনছেন বটে। কিন্তু তেমনটা নয়। ক্যাশবাক্সের দিকে তাকিয়ে দেখা গেল, সেখানে ক’টা একশ টাকার নোট ভিন্ন আর কিছুই নেই। ‘এমন বিক্রি-বাট্টা হলে দোকানের ভাড়াই যে উঠবে না’—ভ্রু-কুঞ্চিত হয় বিক্রেতা যুবাটির।

বিজ্ঞাপন

ঠিক সে সময়েই আমি দাঁড়ালাম স্টলের সামনে। চোখ যায় একটি কবিতার বইয়ের দিকে। পকেট থেকে টাকা বের করি বইটি কেনার উদ্দেশে। কিনে নেই বইটি—তাকাই বিক্রেতা যুবকটির পরিতৃপ্ত মুখের দিকে।

সে স্টল থেকে কৌণিকভাবে অস্থায়ীভাবে তৈরি করা পথ দিয়ে ক্লান্ত পায়ে চলছিলেন একজন। আটপৌরে শাড়ি পরা প্রৌঢ়া মহিলা, কাঁধে একটি ঝোলা, হাতে ধরা কটি বই—এমনভাবে ধরেছেন যেন সবাই দেখতে পায়। বোঝা গেল যে, হাতে ধরা বইটির লেখক তিনি নিজে। পাশ দিয়ে কেউ গেলেই মহিলা থামাচ্ছেন, এগিয়ে ধরছেন তার বইটি, অনুরোধ করছেন কিনতে।

…এই যে এত সব পার্থক্য, এত যে ফারাক, তার তো একটা অর্থনৈতিক ব্যাপ্তি আছে—যা আসলে বৈষম্যের। আন্দাজ করতে পারি যে, চুক্তি সম্পাদনের সময়ে প্রথম বইটির লেখকের যে সম্মানী ধরা হয়েছে, দ্বিতীয় লেখকের ভাগ্যে তা জোটেনি।

উঁহু, এ পর্যন্ত কাউকেই সে বইটি কিনতে দেখা গেল না। কেউ তার অনুরোধের দিকে ভ্রূক্ষেপ না করে তাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছেন, কেউ কেউ অবশ্য মৃদু হেসে হাত নেড়ে তাদের অপারগতার কথা মহিলাকে জানাচ্ছেন। মুখোমুখি আমরা দুইজন থামি। মহিলাটি আমার সামনে তার বইটি তুলে ধরলে আমি বিনাবাক্যে সেটি কিনে নেই। খুশির আভা ছড়িয়ে পড়ে আমাদের দুইজনের মুখেই—তিনি বিক্রি করতে পেরে এবং আমি কিনতে পেরে।

এতটা পথ হেঁটে ক্লান্ত বোধ করি। বসে পড়ি সিমেন্ট বাঁধানো একটা বেঞ্চিতে। ব্যাগ থেকে বোতল বের করে কয়েক ঢোঁক পানি খাই, মুখ মুছি। তারপর এক এক করে কেনা বই তিনটি চোখের সামনে তুলে ধরি। বই তিনটির বিষয়বস্তুর উৎকর্ষতা কোনটি কী রকম, তা জানি না, তবে উল্টে-পাল্টে দেখে তিনটি জিনিস পরিষ্কার হয়ে যায় আমার কাছে।

এক, তিনটে বইয়ের প্রথমটি একজন খ্যাতিমান লেখকের লেখা; দ্বিতীয় বইটির কবির পরিচিতি আছে কিছুটা, কিন্তু তিনি বিখ্যাত কোনো কবি নন, আর তৃতীয় বইটির লেখক একেবারেই অজানা আমার কাছে।

দুই, সেই সঙ্গে প্রচ্ছদ ও প্রচ্ছদ শিল্পীর নামের দিকে বুঝতে পারি যে, বই তিনটির লেখকদের মতো তাদের প্রচ্ছদ শিল্পীদের মধ্যেও তারতম্য রয়েছে। প্রথম বইটির প্রচ্ছদ শিল্পী আমাদের দেশের অন্যতম এক শিল্পী, অন্য দুটোর শিল্পী আমার কাছে অপরিচিত।

তিন, বই তিনটির কাগজ, ছাপা, অঙ্গসৌষ্ঠব, বাঁধাইের ভেতরেও ফারাক অনেক।

এইসব ভাবতে ভাবতে মনে হলো, এই যে এত সব পার্থক্য, এত যে ফারাক, তার তো একটা অর্থনৈতিক ব্যাপ্তি আছে—যা আসলে বৈষম্যের। আন্দাজ করতে পারি যে, চুক্তি সম্পাদনের সময়ে প্রথম বইটির লেখকের যে সম্মানী ধরা হয়েছে, দ্বিতীয় লেখকের ভাগ্যে তা জোটেনি। হয়তো তার সঙ্গে কোনো চুক্তিপত্রই সম্পাদিত হয়নি। চুক্তি কিংবা সম্মানীর কথা তো অপ্রাসঙ্গিক তৃতীয় লেখকের ক্ষেত্রে। তেমনি সম্মানীর নিশ্চয়ই উল্লেখযোগ্য তারতম্য আছে তিন প্রচ্ছদ শিল্পীর মধ্যে। বই উল্টে বুঝতে পারলাম যে, তৃতীয় বইটির লেখক এবং প্রচ্ছদ শিল্পী একই ব্যক্তি—হতে পারে, সেই ব্যক্তিটি একাধারে লেখক এবং শিল্পী, কিন্তু এমনও তো হতে পারে ব্যয় সংকোচ করার জন্যেই এমনটা করা হয়েছে। সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই, প্রথম বইটির প্রকাশনার পেছনে বেশ অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। বইটির কাগজ অত্যন্ত দামি। বিখ্যাত মুদ্রকের কাছে বইটি ছাপা হয়েছে। মুদ্রণের ছোঁয়া বইটির পাতায় পাতায়। ভুল তেমনটা চোখে পড়ে না। বাঁধাই অত্যন্ত শক্ত, খুলে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই।

এর বিপরীতে অন্য দু’টি বইয়ের পেছনে যে অর্থের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তা স্পষ্ট। বইয়ের কাগজ অত ভালো নয়, ছাপা ভালো মানের নয়, ছাপার ভুলও অনেক। মানে, নিখুঁত সম্পাদনার জন্যে প্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় করা যায়নি। বাঁধাইও হয়েছে সস্তা জায়গায়—ফলে, বাঁধাইয়ের অবস্থাও সঙ্গিন। মনে হচ্ছে, বই এখনই খুলে খুলে আসবে। সারা মেলা বাতিতে বাতিতে ঝলমল করছে। চোখ মেলে তাকাই চারদিকে। কোনো কোনো স্টল বা প্যাভিলিয়নের আকার, সাজসজ্জা, বাতি আর জৌলুস চোখ ধাঁধিয়ে দেয়। অন্যগুলো যেন লুকিয়ে রাখতে চাইছে নিজেকে।

উঠে পড়লাম, এবার ফিরতে হবে। দুইজন সুবেশ ভদ্রলোক আমার সামনে চলছেন। তাদের পেছনে অন্য আরেকজন লোক বিশাল দুটো বইয়ের ব্যাগ দুই হাতে বহন করছেন—ব্যাগের ভারে বহনকারী প্রায় নুয়ে পড়েছেন। কানে এলো, প্রথম ব্যক্তিটি পরম পরিতৃপ্তির সঙ্গে দ্বিতীয় ব্যক্তিটিকে বলছেন, ‘প্রায় ৫ হাজার টাকা কিনলাম’। ‘কী কী বই কিনলেন?’

দ্বিতীয় ব্যক্তির প্রশ্ন। ‘তাতো ঠিক বলতে পারবো না। দোকানি যেগুলো ভালো বলেছে, সেগুলোই কিনে নিয়েছি। তার কথা শুনে মনে হলো, তিনি যেন মাছ কিনতে বেরিয়েছিলেন। ‘সেকি! পড়ে দেখেননি?’, দ্বিতীয় ব্যক্তি আঁতকে ওঠেন। ‘পড়ার কি সময় আছে আমার? বসার ঘরে সাজিয়ে রাখবো, দেখতে পাবে সবাই’, প্রথম ব্যক্তির জবাব। তাদের দুইজনকে পাশ কাটিয়ে যখন একটি শিশুতোষ প্রকাশনীর পাশ দিয়ে যখন যাচ্ছি, তখন দেখি আরেক দৃশ্য। বাচ্চাদের একটি বই নিয়ে বাবা-ছেলেতে টানাটানি। বুঝলাম, ছেলেটি বইটি চায়, কিন্তু বাবা তাকে নানাভাবে বোঝাচ্ছেন যে, তার পকেটে আর এত টাকা নেই।

‘তোমাকে না তিনটে বই কিনে দিলাম, বাবা। আর তো কেনার মতো টাকা নেই আমার কাছে’। ‘বইটার দাম বেশি না, বাবা। মাত্র দু’শো টাকা। দাও না কিনে?’ ‘না, বাবা। এবার আর হবে না’। ‘এরমধ্যেই ৭০০ টাকার বই কিনেছি। আর টাকা নেই আমার কাছে’, বাবার কণ্ঠস্বরটি করুণ হয়ে ওঠে।

ছেলের হাত থেকে বইটি নিয়ে বাবা ফেরত রেখে দেন, তারপর পা বাড়ান সামনের দিকে। ছেলেটি মুখ কালো করে বাবাকে অনুসরণ করে—একবার করুণ চোখে তাকায় পেছনের দিকে, ফেলে আসা বইটির দিকে। এই তো প্রায় ফটকের কাছে এসে গেছি। সারা মেলা বাতিতে বাতিতে ঝলমল করছে। চোখ মেলে তাকাই চারদিকে। কোনো কোনো স্টল বা প্যাভিলিয়নের আকার, সাজসজ্জা, বাতি আর জৌলুস চোখ ধাঁধিয়ে দেয়। অন্যগুলো যেন লুকিয়ে রাখতে চাইছে নিজেকে। মনে মনে ভাবি, ওই বড় বড় স্টল বা প্যাভিলিয়নগুলো না জানি কত খরচ হয়েছে—প্রখ্যাত স্থপতি, বিখ্যাত শিল্পী, দক্ষ মিস্ত্রি, দামি উপকরণ ও অনুষঙ্গ। জানি, ছোট ছোট স্টলগুলোর সঙ্গতি হয়নি এসব করার। অল্প অর্থে কাজ সেরেছে তারা।কথায় কথায় আমরা আজকাল অসমতার কথা বলি, বলি অর্থনৈতিক বৈষম্যের কথা। বইমেলার ক্ষেত্রেও সেটা সত্যি। বইমেলার অর্থনীতিই তো একমাত্র কথা নয়, শেষ কথা তো নয়, সে অর্থনীতির বৈষম্য যে বড় প্রকট।

ড. সেলিম জাহান ।। ভূতপূর্ব পরিচালক, মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন দপ্তর এবং দারিদ্র্য দূরীকরণ বিভাগ, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র

হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ

নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ
চাঁদপুর সদর উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন বই বিতরণ করা হয়েছ।
১ জানুয়ারী বই বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান খান।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় বই বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মধুসূদন দাস।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও অভিভাবক বৃন্দ।

আলগী-সকদী পাঁচগাঁও ঈদগাহ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের তাফসিরুল কোরআন মাহফিল সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ
আলগী-সকদী পাঁচগাঁও ঈদগাহ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের তাফসিরুল কোরআন মাহফিল সম্পন্ন

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫ নং রামপুর ইউনিয়নের আলগী-সকদী পাঁচগাঁও ঈদগাহ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে বার্ষিক তাফসিরুল কোরআন মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে। ২৬ ডিসেস্বর শুক্রবার আলগী পোলের গোড়া (স্বাধীন বাংলা বাজার) সংলগ্ন আলগী-সকদী পাঁচগাঁও কেন্দ্রীয়  ঈদগাহ ময়দানে বিকাল ৩ টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরামগণ তাফসির পেশ করেন।

তাফসীরুল কোরআন মাহফিলে ইসলামীক ফাউন্ডেশনের সাবেক উপ-পরিচালক আলহাজ্ব ড. মুহাম্মদ আব্দুল হক এর সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে তাফসির পেশ করেন ঢাকা জামি’আতুস সাহাবা মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্সের খতিব হাফেজ মাওলানা শায়খ বোরহান বিন মোহাম্মদ খান।
বিশেষ বক্তা হিসেবে তাফসির পেশ করেন চাঁদপুর ওয়ারলেস বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর, হযরত মাওলানা দ্বীন ইসলাম চাঁদপুরী, ভাটের গাঁও ইচুলী বাড়ি জামে মসজিদের খতিব বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন হযরত মাওলানা আব্দুল বাকী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক জে.এম. মেহেদী মাসুদ (মিঠু)।
এছাড়াও অন্যান্য ওলামায়ে কেরামদের মধ্যে তাফসির পেশ করেন আলগী-সকদী পাঁচগাঁও ঈদগাহ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা মুফতি ইউসুফ আল- হাবিবী, চাঁদপুর প্রফেসর পাড়া জামে মসজিদের সাবেক খতিব হযরত মাওলানা ইয়াকুব আলী তপদার।
বিশিষ্ট সংগঠক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মাওলানা মিজানুর রহমান এর যৌথ সঞ্চালনায় তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ আমলের নিয়তে কোরআর হাদিসের আলোকে হুজুরদের আলোচনা শুনেন।
মাহফিলে সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন আবুল কালাম মজুমদার, আব্দুর রহিম গাজী, লিয়াকত আলী খান, মো. নান্নু মিয়াজি, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম রাজু, মো. ইমন শেখ, মো. মুজাহিদ আহমেদ প্রমুখ।
মাহফিলের পূর্বে ইসলামী সাংস্কৃতি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
সুশৃঙ্খল ভাবে তাফসিরুল কোরআন মাহফিল সম্পন্ন করায় সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন মাহফিল এন্তেজামিয়া কমিটি।

বিজয়ের দিনে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করলেন শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক

মিজান লিটন
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
বিজয়ের দিনে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করলেন শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক

মহান বিজয় দিবস একটি ভালো দিন তাই আমি মনোনয়নপত্র সংগ্রহে এই দিনটি বেছে নিলাম। বিজয়ের দিনে মনোনয়নপত্র উত্তোলন কালে চাঁদপুর – ৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী
শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এ কথা বলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র উত্তোলনের প্রথম দিন
(১৬ই ডিসেম্বর) মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক নাজমুল হাসান সরকারের কাছ থেকে এ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি ও চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, আজকের এই দিনটি মহান বিজয়ের দিন এটি একটি ভালো দিন আমার সৌভাগ্য এই দিনটিতে আমি আমার মনোনয়োন সংগ্রহ করতে পেরেছি। চাঁদপুরের পাঁচটি আসনের সর্বপ্রথম আমিই মনোনয়ন সংগ্রহ করলাম। আমি আমরা আশাবাদী একটি সুষ্ট, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে।

এ সময় তিনি আরো বলেন, ১৭ বছর আমরা যেই দিনটির জন্য অপেক্ষায় ছিলাম আজ সেই কাঙ্খিত দিনটি সামনে এসেছে। তাই আমরা চাই প্রশাসন যেন নিরপেক্ষ থেকে একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়।

মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ কালে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্যা সেলিম, জসিম উদ্দিন খান বাবুল, দেওয়ান মোহাম্মদ শফিকুজ্জামান, সংগঠনিক সম্পাদক মো. মনির চৌধুরী।