খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২৬ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

শীতের পিঠা সমাচার

অধ্যাপক মো. মসিউল আযম
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৫:০২ অপরাহ্ণ
শীতের পিঠা সমাচার

শীত মৌসুমে রসের পিঠা। আবহমান কাল থেকেই যশোরের রয়েছে এর অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্য। আত্মীয়-স্বজনেরা এ সময়ে তাকিয়ে থাকেন কবে পিঠা আসবে, এর স্বাদ গ্রহণ করবো।

শৈশবে স্কুলের পাঠ্যবইয়ে একটি কবিতার কথা এখনা মনে পড়ে- ‘যশোর জেলায় আছে রে ভাই, পাটালী গুড়, খেজুর গাছ, ফরিদপুরের কি মজাদার, পদ্মা নদীর ইলিশ মাছ।’

এবার পিঠা খাওয়ার বাস্তব অভিজ্ঞতা আমি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। ইতোপূর্বে এ ধারণা আমার ছিল না। সাধারণ মানুষের পিঠা খাওয়ার স্বাদ এখন নাগালের বাইরে।

কর্ম সুবাদে বর্তমানে আমার তিন মেয়ে জামাই, নাতি-নাতনিরা ঢাকার বাসিন্দা। এবার তারা পিঠা খেতে চেয়েছিল। ঢাকায় পিঠা খাওয়া বা পাওয়া যায়, কিন্তু মেয়েদের বাপের বাড়ির পিঠা, বিশেষ করে যশোরের পিঠার প্রতি রয়েছে বিশেষ দুর্বলতা। তাদের আবদার পূরণে পিঠার উপকরণ জোগাতে হিমশিম খাওয়ার জোগাড়। তাহলে সাধারণ মানুষ কীভাবে পিঠা খেতে পারবে?

আশির দশকে সপরিবারে বসবাস করতাম যশোর শহরের ঘোপ সড়ক ও জনপথ বিভাগের স্টাফ কোয়ার্টারে। শীতের সকালে শহরের আশে পাশে গ্রাম থেকে ছিকে-বাক কাঁধে নিয়ে রস বিক্রি করতে আসত চাষিরা। প্রতি ঠিলে রস পাওয়া যেত দশ-বারো টাকায়। আর দুধ কিনতাম পনেরো-ষোল টাকা সের। পাটালী কিনেছি প্রতি সের পঁচিশ-ত্রিশ টাকায়। তখন ১নং-২নং বলে কোনো পাটালী ছিল না, সবই ছিল ১নং।

পিঠা খেতে প্রায় পঞ্চাশ বছর পর এসে এখন দুই ঠিলে রস কিনেছি ৭০০/, দুধ চার কেজি ২৮০/-, চালের গুড়া তৈরি করতে আলো-চাল পাঁচ কেজি ৩৫০/-, পিঠা স্বাদ বাড়াতে দুই কেজি পাটালী ৬০০/-। ভাগ্যবশত বাড়ির নারিকেল গাছে দুটি ঝুনা নারিকেল পাওয়া গেছে বলে কিছুটা রক্ষা।

মাটির ছাঁচে তৈরি পিঠা একটি বড় টিনের হাঁড়িতে রাখা হয়। ভারী ওজনের সেই হাঁড়ি বহন করা আমার একার পক্ষে সম্ভব ছিল না। সেটি বহনের জন্যে সঙ্গী হিসেবে শক্তিশালী একজন প্রতিবেশীকে পাওয়া যায়। বাড়ি থেকে যশোর স্টেশন পর্যন্ত ইজি বাইক ভাড়া ২০০/-, যশোর থেকে ঢাকা-কমলাপুর স্টেশন পর্যন্ত দুজনের ট্রেনভাড়া ১,১০০/-, কমলাপুর স্টেশন থেকে ঢাকা মিরপুর পর্যন্ত সিএনজি ভাড়া ৫০০/- সর্বমোট ৩,৭৩০/-। এখন টাকার অংকে হিসাব করলে প্রতি পিস পিঠার মূল্য যাই পড়ুক, সেটি বড় কথা নয়। তবু মেয়ে জামাই, নাতি-নাতনিরা পিঠা খেতে চেয়েছে সেটি আমার কাছে বড় আনন্দের কথা।

গ্রামে এখন ঢেঁকির প্রচলন নেই। যশোরের এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে গ্রামের বাড়িতে ঢেঁকিঘর নির্মাণ করেছি। শীত মৌসুমে মহিলারা পালাক্রমে ঢেঁকি ব্যবহার করছেন। প্রতিদিন ভোর থেকে রাত পর্যন্ত আলো-চাল, কুমড়া বড়ির ডাল ইত্যাদি কোটায় ব্যস্ত থাকেন। তাদের বসার জন্যে আসন, বৈদ্যুতিক আলো, টয়লেট ব্যবস্থা করেছি, বাচ্চাদের খেলাধূলার জন্য আরও কিছু ভবিষ্যত কর্ম-পরিকল্পনা রয়েছে।

লেখক: প্রবীণ সাংবাদিক, কলাম লেখক ও উন্নয়ন কর্মী

কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা

মো. ইউনুস
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:০৯ অপরাহ্ণ
কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা
কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা ও প্রতিরোধ বিষয়ক অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১০ ডিসেম্বর বুধবার ব্রাকের আয়োজনে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কি রোগ হতে পারে, যেমন ডেঙ্গু, মেলেরিয়া, চিকুনবুনিয়া ঠান্ডা কাশি শাস।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সোহেল রানা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন  modc  ডাঃ  পংকজ চন্দ্র সরকার, নার্সিং সুপার ভাইজার তাসনীমা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র স্টাফ নার্স মাকসুদা ও বাসন্তী দেবনাথ,  mt  ইপি আই বোরহান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ব্রজ পোদ্দার, ব্রাকের cco অফিসার মোঃ বেলাল হোসেন ও প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ সহিদুল ইসলাম সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

দৈনিক আলোকিত চাঁদপুরের যুগ্ম বার্তা সম্পাদক রাজুর মায়ের দাফন সম্পন্ন 

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
দৈনিক আলোকিত চাঁদপুরের যুগ্ম বার্তা সম্পাদক রাজুর মায়ের দাফন সম্পন্ন 
দৈনিক আলোকিত চাঁদপুর পত্রিকার যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও চাঁদপুর জেলা সাংবাদিক ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম রাজুর মা ফেরদৌসী বেগম (৬৫) এর জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের সকদি পাঁচগাঁও গ্রামের মিয়াজী বাড়ির মরহুম আব্দুছ ছাত্তার মিয়াজির স্ত্রী, সাংবাদিক মো. জাহাঙ্গীর আলম রাজুর মমতাময়ী ‘মা’ ফেরদৌসী বেগম দীর্ঘদিন ফুসফুসে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৫ ডিসেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টা ১৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
৬ ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় মরহুমার
জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি ২ ছেলে, ২ মেয়ে ও নাতি নাতনি সহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মরহুমার জানাজায় উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক আলোকিত চাঁদপুর পত্রিকার সম্পাদক মো. জাকির হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মনিরুজ্জামান বাবলু, বার্তা সম্পাদক মিজান লিটন ভূঁইয়া, দৈনিক প্রিয় চাঁদপুর পত্রিকার বার্তা সম্পাদক আরিফুল ইসলাম শান্ত, সাংবাদিক মারুফ হোসেন,  অলিউল্লাহ মাহবুব, মরহুমার আত্মীয়-স্বজনসহ স্থানীয় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
জানাজার নামাজে ইমামতি করেন হাফেজ মাওলানা আব্দুল হাকিম।
সাংবাদিক রাজুর মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দৈনিক আলোকিত চাঁদপুর পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মো. জাকির হোসেন ও জেলা সাংবাদিক ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
ওনারা মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

মধ্যরাতের পর খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়া হবে

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
মধ্যরাতের পর খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়া হবে

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থায় আজ মধ্যরাতের পর লন্ডনে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের বাইরে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমরা ইনশাআল্লাহ কাতার এয়ার লাইন্সের মাধ্যমে আজ মধ্যরাতের পর বা আগামীকাল সকালে উনাকে (খালেদা জিয়াকে) লন্ডনে নিয়ে যাবো। দেশ-দেশের বাইরের বেশ কিছু চিকিৎসক উনার সঙ্গে যাবেন।

তিনি দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চেয়েছেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং খালেদা জিয়ার পরিবার থেকে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। ঢাকাস্থ বিভিন্ন দূতাবাসকেও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

এদিকে, বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্রের বরাতে বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান লন্ডন থেকে ঢাকায় আসছেন। খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

গত ২৩ নভেম্বর হঠাৎ শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে খালেদা জিয়াকে দ্রুত রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিনি বর্তমানে ওই হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) রয়েছেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খালেদা জিয়া ‘খুব ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে’ চলে গেছেন।

৮০ বছর বয়সী সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনির সমস্যাসহ নানান শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন।