খুঁজুন
শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩২

শাবান মাসে যেসব আমল বাড়িয়ে দিতেন নবীজি

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৪:৫০ অপরাহ্ণ
শাবান মাসে যেসব আমল বাড়িয়ে দিতেন নবীজি

চলছে শাবান মাস। হিজরি চান্দ্রবর্ষের অষ্টম এই মাসের পরেই আসছে মহিমান্বিত মাস রমজান। রমজানের চূড়ান্ত প্রস্তুতি হিসেবে শাবানকে ভালোভাবেই কাজে লাগাতেন প্রিয়নবীজি। অন্যদেরকেও বিশেষ আমলে উৎসাহিত করতেন। নিচে শাবান মাসে নবীজির আমলগুলো তুলে ধরা হলো।

১. রোজা রাখা
শাবানকে বলা হয় সর্বাধিক রোজা রাখার মাস। রাসুলুল্লাহ (স.) রমজান ছাড়া শাবান মাসে সবচেয়ে বেশি রোজা রাখতেন। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘আমি নবী কারিম (স.)-কে শাবান মাসের মতো এত অধিক (নফল) রোজা অন্যকোনো মাসে রাখতে দেখিনি। এ মাসের অল্প ক’দিন ছাড়া বলতে গেলে সারা মাসই তিনি রোজা রাখতেন। (তিরমিজি: ৭৩৭)

শাবান মাসের রোজা খুব প্রিয় ছিল নবীজির। আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, ‘রাসুল (স.)-এর কাছে অন্যান্য মাসের তুলনায় এ মাসে রোজা রাখা অধিক প্রিয় ছিল। তিনি রমজান পর্যন্ত রোজা রাখতেন। (আবু দাউদ: ২০৭৬)

মূলত রমজানের আগের মাস হওয়ায় অনেকে শাবানের প্রতি গুরুত্বারোপ করে না। সবার মধ্যে এর গুরুত্ব তৈরি করতে রাসুল (স.) সর্বাধিক রোজা রাখতেন এই মাসে। উসামা বিন জায়েদ (রা.) বর্ণনা করেছেন, আমি রাসুল (স.)-কে জিজ্ঞাসা করি, হে আল্লাহর রাসুল, শাবান মাসে আপনি যে পরিমাণ রোজা রাখেন, সেই পরিমাণ রোজা অন্য মাসে রাখতে দেখি না। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, রমজান ও রজবের মধ্যবর্তী এ মাসের ব্যাপারে মানুষ উদাসীন থাকে। এটা এমন মাস, যে মাসে বান্দার আমল আল্লাহর কাছে পেশ করা হয়। আমি চাই, আল্লাহর কাছে আমার আমল এমন অবস্থায় পেশ করা হোক, যখন আমি রোজাদার। (সুনানে নাসায়ি: ২৩৫৭)

তাই শাবান মাসে অন্যান্য নেক আমলের পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী রোজা রাখার চেষ্টা করা কর্তব্য। কিন্তু রোজা রাখবে শাবান মাসের ২৭ তারিখ পর্যন্ত। হাদিসে রমজানের এক-দুই দিন আগে রোজা রাখতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। (দ্র. সহিহ বুখারি: ১৯১৪)

২. শবে বরাতে দীর্ঘসময় ইবাদত করা
শাবান মাসের ১৫তম রাতে ইবাদতের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। হজরত আবু মুসা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বর্ণনা করেছেন, আল্লাহ ১৫ শাবানের রাতে অবতরণ করেন। অতঃপর সৃষ্টিজগতের সবাইকে ক্ষমা করেন। কেবল মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া। (ইবনে মাজাহ: ১৩৯০) অন্য হাদিসে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারীকে ক্ষমা না করার কথাও এসেছে। এই সময়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ফায়সালা করা হয়। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘এই রাতে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ বিষয় ফায়সালা হয়।’ (সুরা দুখান: ৪)

আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে ইকরামা (রা.) বলেছেন, এ রাতে যাবতীয় রাতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জীবিতদের তালিকা করা হয় এবং হাজিদের নাম লেখা হয়। এরপর তাতে আর বাড়ানো হয় না এবং কমানো হয় না। (তাবারি: ২১/১০)

প্রিয়নবীজি শবে বরাতে দীর্ঘ সেজদার সঙ্গে নামাজ আদায় করতেন। হজরত আলা ইবনুল হারিছ (রহ) থেকে বর্ণিত, হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, একবার রাসুলুল্লাহ (স.) রাতে নামাজে দাঁড়ান এবং এত দীর্ঘ সেজদা করেন যে, আমার ধারণা হলো তিনি হয়তো মৃত্যুবরণ করেছেন। আমি তখন উঠে তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দিলাম। তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলি নড়ল। যখন তিনি সেজদা থেকে উঠলেন এবং নামাজ শেষ করলেন তখন আমাকে লক্ষ করে বললেন, হে আয়েশা, অথবা বলেছেন, ও হুমায়রা, তোমার কি এই আশংকা হয়েছে যে, আল্লাহর রাসুল তোমার হক নষ্ট করবেন? আমি উত্তরে বললাম, না, ইয়া রাসুলুল্লাহ। আপনার দীর্ঘ সেজদা থেকে আমার আশংকা হয়েছিল, আপনি মৃত্যুবরণ করেছেন কিনা। নবীজি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি জানো এটা কোন রাত? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই ভালো জানেন। রাসুলুল্লাহ (স.) তখন ইরশাদ করলেন- هذه ليلة النصف من شعبان، إن الله عز وجل يطلع على عباده في ليلة النصف من شعبان، فيغفر للمستغفرين ويرحم المسترحمين ويؤخر أهل الحقد كما هم ‘এটা হল অর্ধ-শাবানের রাত। (শাবানের চৌদ্দ তারিখের দিবাগত রাত।) আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে তাঁর বান্দার প্রতি মনোযোগ দেন এবং ক্ষমা প্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করেন এবং অনুগ্রহপ্রার্থীদের প্রতি অনুগ্রহ করেন আর বিদ্বেষ পোষণকারীদের ছেড়ে দেন তাদের অবস্থাতেই।’ (শুআবুল ঈমান, বায়হাকি ৩/৩৮২-৩৮৩)

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এ রাতের নফল আমলসমূহ, বিশুদ্ধ মতানুসারে একাকীভাবে করণীয়। ফরজ নামাজ তো অবশ্যই মসজিদে আদায় করতে হবে। এরপর যতটুকু নফল পড়ার তা নিজ নিজ ঘরে একাকী পড়বে। এসব নফল আমলের জন্য দলে দলে মসজিদে এসে সমবেত হওয়ার কোনো প্রমাণ হাদিস শরিফেও নেই আর সাহাবায়ে কেরামের যুগেও এর রেওয়াজ ছিল না। (দ্র. ইকতিজাউস সিরাতিল মুসতাকিম ২/৬৩১-৬৪১; মারাকিল ফালাহ, পৃ. ২১৯)

৩. বেশি বেশি দান সাদকা ও কোরআন তেলাওয়াত
শাবান মাস শুরু হলে নবীজির দান-সদকা ও কোরআন তেলাওয়াতের পরিমাণ বেড়ে যেত। নবীজির দেখাদেখি সাহাবিরাও এসব নেক আমলে বিশেষ মনোযোগী হতেন। আনাস ইবনে মালেক (রা.) বলেন, প্রিয়নবীজির সাহাবায়ে কেরাম শাবান মাসের চাঁদ দেখলে বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াতে মশগুল হয়ে পড়তেন। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, যাঁদের ওপর জাকাত ফরজ হয়েছে, তাঁরা মালের জাকাত আদায় করে দিতেন। যাতে গরিব ও অসহায় মুসলমানদের রোজা রাখার ব্যবস্থা হয়ে যায়। বিচারকরা কয়েদিদের ডেকে শাস্তির হকদার হলে শাস্তি দিতেন, না হয় মুক্তি দিয়ে দিতেন। (লাতায়েফুল মায়ারেফ: ১/২২১)

৪. রমজানের মাসায়েল নিয়ে আলোচনা
রাসুলুল্লাহ (স.) ও সাহাবায়ে কেরাম শাবান মাসে রমজানের মাসয়ালা-মাসায়েল নিয়ে আলোচনা করতেন। আমাদেরও বিষয়টি নিয়ে মনোযোগী হওয়া বাঞ্ছনীয়। রমজানের রোজা যেহেতু বছরে একবার আসে সেহেতু তার বিধি-বিধানগুলো অনেকের কাছে স্মরণ নাও থাকতে পারে। তাই শাবান মাসে আমাদের করণীয় হলো, রমজানের বিধি-বিধান জেনে নেওয়া। যাতে রমজানের নিয়ামত আমাদের হাতছাড়া হয়ে না যায়।

৫. শাবানের প্রত্যেকটা দিন হিসাব রাখা
রমজানের প্রস্তুতির জন্য আরেকটি উত্তম কাজ হতে পারে শাবান মাসের তারিখের হিসাব রাখা। মুসলমানদের জন্য চন্দ্রমাসের হিসাব রাখা ফরজে কেফায়া। অনেকেই তা রাখেন। তবে রমজানের আগমনের সঠিক হিসাব রাখার জন্য শাবান মাসের তারিখের হিসাব রাখা সুন্দর একটি আমল। আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসুল (স.) শাবান মাসের তারিখ এতটাই মনে রাখতেন, যতটা অন্য মাসের তারিখ মনে রাখতেন না। শাবানের ২৯ তারিখ চাঁদ দেখা গেলে পরের দিন রমজানের রোজা রাখতেন। আর সেই দিন আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে শাবান ৩০তম দিন পূর্ণ করে রমজানের রোজা শুরু করতেন। (সুনানে আবু দাউদ: ২৩২৭)

৬. বরকতের দোয়া
রমজানের দুই মাস আগ থেকেই রাসুল (স.) একটি দোয়া বেশি বেশি পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আনাস (রা.) বর্ণনা করেছেন, রজব মাস শুরু হলে রাসুল (স.) দোয়া পাঠ করতেন— اَللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِىْ رَجَبَ وَ شَعْبَانَ وَ بَلِّغْنَا رَمَضَانَ (অর্থ) ‘হে আল্লাহ, আমাদের রজব ও শাবান মাসে বরকত দিন এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন। (বায়হাকি: ৩৫৩৪; নাসায়ি: ৬৫৯; মুসনাদে আহমদ: ২৩৪৬)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে শাবান মাসে নবীজির অনুসরণে যত সম্ভব নফল রোজা রাখার তাওফিক দান করুন। দোয়া ও ইবাদত-বন্দেগিতে কাটানোর তাওফিক দান করুন। আমিন।

ভিপি নুরের উপর হামলার প্রতিবাদে চাঁদপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

‘আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে হামলাকারীদের আটক করা না হলে পরিনাম হবে ভয়াবহ’

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
‘আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে হামলাকারীদের আটক করা না হলে পরিনাম হবে ভয়াবহ’

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের উপর হামলার প্রতিবাদে চাঁদপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। শনিবার বিকেলে চাঁদপুর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড জেলা গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সম্মুখে চাঁদপুর কুমিল্লা মহসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রায় ঘন্টা খানেক ব্লকেড করেন। এতে করে যান চলাচলে সাময়িক বিগ্ন ঘটে। পরবর্তীতের একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কালি বাড়ী শপথ চত্বরে সমাবেশে মিলিত হয়। এ কর্মসূচিতে একত্বতা পোষণ করে অংশগ্রহন করেন এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, জুলাই মঞ্চ, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র-জনতা সহ আরো অনেকেই।

সমাবেশে জেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কাজী রাছেলের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক জাকির হোসেন এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জিওপি’র সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান, জেলা খেলাফত মজিলিসের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, এনসিপি’র সদর উপজেলার মূখ্য সমন্বয়ক তামিম খান, এনসিপি নেতা সাইফুল ইসলাম, জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম. শরীফ হোসেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি জি.এম. মানিক, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের জেলা সভাপতি সৈয়দ সাকিবুল ইসলাম, জুলাই মঞ্চের পৌর আহ্বায়ক তুহিন আহমেদ, ছাত্রদের পক্ষে রাকিব ভূঁইয়া, সাগর হোসেনসহ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা জাতীয় পার্টি, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ বাহিনীর বিরুদ্ধে এই হামলার অভিযোগ করে। এছাড় অন্তবর্তী সরকার ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকার গঠন এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেন তারা।

বক্তারা বলেন, প্রথমে পুলিশ ও সেনাবাহিনী আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়, তারপর জাতীয় পার্টি। ঘটনার সময় নুরুল হক নুর মাটিতে পড়ার পর লাল টি-শার্ট পরা এক যুবক বেধড়ক মারধর করে। এ ঘটনায় জিড়তদের আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আটক করতে না পারলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

বক্তারা আরো বলেন, ইন্টিরিয়াম সরকারের সহযোগীতায় ফ্যাসিস্টদের দোষর জাতীয় পার্টি তাদের রাজনৈতিক কর্মকন্ড পরিচালনা করছেন এবং তাদের উপর ভর করে আওয়ামী ফ্যাসিবাদরা ফিরে আসার চেষ্টা করছেন। ২৪ এর বাংলায় রাজনিতি করার অধিকার হারিয়ে ফেলছেন। তাদেরকে যারা সহযোগীতা করবে তারাই হলো ফ্যাসিস্টদের দোষর।

ভিপি নুরের ওপর হামলা দেশে সংকটের নতুন মাত্রা যোগ করবে: মাকসুদুর রহমান

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
ভিপি নুরের ওপর হামলা দেশে সংকটের নতুন মাত্রা যোগ করবে: মাকসুদুর রহমান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান বলেছেন, ভিপি নুরের ওপর হামলা পূর্ব পরিকল্পিত কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। নুরের ওপর হামলা রহস্য জন্ম দিয়েছে। কাদের ইশারায় ভিপি নুরের ওপর হামলা হয়েছে তা সরকারকে জনতার সামনে স্পষ্ট করতে হবে। এ হামলা ফ্যাসিবাদী কায়দায় হয়েছে। এ হামলা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। বরং এ হামলা দেশে সংকটের নতুন মাত্রা যোগ করবে। পতিত সরকার জাতীয় পার্টি দিয়ে ট্রাম্পকার্ড খেলতে চায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ফ্যাসিবাদের দোসর জাতীয় পার্টির রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।

শনিবার সকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলা ও সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল যৌথসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

সেক্রেটারি কেএম ইয়াসিন রাশেদ সানীর পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন মাওলানা নাছির উদ্দীন, মাওলানা হেলাল আহমাদ, মাওলানা আনসার আহমাদ, ডা. বেলাল হোসাইন, হাফেজ নেয়ামতুল্লাহ, মাওলানা আবু হানিফ, মাওলানা মজিবুর রহমান, আবুল বাশার, ফয়সাল আহমাদ প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মাকসুদুর রহমান আরও বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল শক্তি ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই যেন ফ্যাসিবাদীরা বাংলাদেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠা হতে না পারে সেজন্য সকলকে সজাগ থাকতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষকদের আলটিমেটাম, ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে আমরণ অনশন

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
প্রাথমিক শিক্ষকদের আলটিমেটাম, ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে আমরণ অনশন

বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও পদোন্নতিসহ তিন দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মহাসমাবেশ থেকে সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা।

আগামী ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাবি না মেনে নিলে পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে আমরণ অনশন কর্মসূচি করবেন সারাদেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

শনিবার বিকেল ৪টার দিকে শহীদ মিনারে আয়োজিত মহাসমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

প্রাথমিক শিক্ষকদের ছয়টি পৃথক সংগঠনের মোর্চা ‘সহকরী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ’ এ মহাসমাবেশ আয়োজন করে। মহাসমাবেশে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে শিক্ষকদের দাবির প্রতি একাত্মতা জানান।

শিক্ষকদের দাবিগুলো হলো—প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে এন্ট্রি পদ সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন-ভাতা দেওয়া, শতভাগ শিক্ষককে পদোন্নতি এবং ১০ ও ১৬ বছরপূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন।

ঐক্য পরিষদের অন্যতম নেতা ও বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সহকারী শিক্ষকদের দাবি মেনে না নিলে ২৬ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সহকারী শিক্ষক ঐক্য সংগঠন আমরণ অনশন শুরু করবে।