খুঁজুন
শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩২

সুষ্ঠু নির্বাচনে সরকারকে সহযোগিতা দিতে সেনাবাহিনী প্রস্তুত

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
সুষ্ঠু নির্বাচনে সরকারকে সহযোগিতা দিতে সেনাবাহিনী প্রস্তুত

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারকে সহযোগিতা দিতে সেনাবাহিনীর সর্বাত্মক প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

মঙ্গলবার ঢাকা সেনানিবাসে ‘অফিসার্স অ্যাড্রেস’ অনুষ্ঠানে সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

সেনাপ্রধান বলেন, দেশ এখন নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে। এসময়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। সেনারা দীর্ঘদিন ধরে মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। আগে এত দীর্ঘ সময় মাঠে থাকতে হয়নি। তাই সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি দূরত্ব থাকলে তা দূর করতে হবে।

বিভিন্ন মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে নিয়ে কটূক্তি প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান বলেন, এসব মন্তব্যে অখুশি হওয়ার কিছু নেই। যারা এসব করছে, তাদের বয়স কম। তারা আমাদের সন্তানের বয়সী। তারা বড় হলে নিজেদের ভুল বুঝতে পারবে। তখন নিজেরাই লজ্জিত হবে।

সেনাপ্রধান বলেন, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে একজন সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নৈতিক স্খলনের বিষয়ে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, তবে মিডিয়া ট্রায়ালের ভিত্তিতে শাস্তি দেওয়া হবে না।

সেনাপ্রধান জোর দিয়ে বলেন, সেনাবাহিনী একটি পেশাদার সংগঠন। মাঠে দায়িত্ব পালনের সময় পেশাদারত্ব দেখাতে হবে। প্রতিশোধমূলক কোনো কর্মকাণ্ডে জড়ানো যাবে না।

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, একজন সেনা কর্মকর্তাকে গড়ে তুলতে রাষ্ট্র বিপুল অর্থ ব্যয় করে। তাই অপরাধে জড়ানোর আগে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অপরাধে জড়িয়ে পড়ার পর তাকে বিদায় দিলে তা রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় ছাড়া কিছু নয়।

‘ভুয়া তথ্য’ প্রসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর বার্তা ছড়ানো হচ্ছে। এসব দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না, বরং সতর্ক থাকতে হবে, কেউ যেন বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে না পারে।

সেনাসদস্যদের উদ্দেশে সেনাপ্রধান আরও বলেন, দেশের মানুষ এখন সেনাসদস্যদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে এবং বাহিনীর চেইন অব কমান্ড অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।

ভিপি নুরের উপর হামলার প্রতিবাদে চাঁদপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

‘আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে হামলাকারীদের আটক করা না হলে পরিনাম হবে ভয়াবহ’

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
‘আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে হামলাকারীদের আটক করা না হলে পরিনাম হবে ভয়াবহ’

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের উপর হামলার প্রতিবাদে চাঁদপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। শনিবার বিকেলে চাঁদপুর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড জেলা গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সম্মুখে চাঁদপুর কুমিল্লা মহসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রায় ঘন্টা খানেক ব্লকেড করেন। এতে করে যান চলাচলে সাময়িক বিগ্ন ঘটে। পরবর্তীতের একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কালি বাড়ী শপথ চত্বরে সমাবেশে মিলিত হয়। এ কর্মসূচিতে একত্বতা পোষণ করে অংশগ্রহন করেন এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, জুলাই মঞ্চ, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র-জনতা সহ আরো অনেকেই।

সমাবেশে জেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কাজী রাছেলের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক জাকির হোসেন এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জিওপি’র সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান, জেলা খেলাফত মজিলিসের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, এনসিপি’র সদর উপজেলার মূখ্য সমন্বয়ক তামিম খান, এনসিপি নেতা সাইফুল ইসলাম, জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম. শরীফ হোসেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি জি.এম. মানিক, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের জেলা সভাপতি সৈয়দ সাকিবুল ইসলাম, জুলাই মঞ্চের পৌর আহ্বায়ক তুহিন আহমেদ, ছাত্রদের পক্ষে রাকিব ভূঁইয়া, সাগর হোসেনসহ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা জাতীয় পার্টি, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ বাহিনীর বিরুদ্ধে এই হামলার অভিযোগ করে। এছাড় অন্তবর্তী সরকার ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকার গঠন এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেন তারা।

বক্তারা বলেন, প্রথমে পুলিশ ও সেনাবাহিনী আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়, তারপর জাতীয় পার্টি। ঘটনার সময় নুরুল হক নুর মাটিতে পড়ার পর লাল টি-শার্ট পরা এক যুবক বেধড়ক মারধর করে। এ ঘটনায় জিড়তদের আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আটক করতে না পারলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

বক্তারা আরো বলেন, ইন্টিরিয়াম সরকারের সহযোগীতায় ফ্যাসিস্টদের দোষর জাতীয় পার্টি তাদের রাজনৈতিক কর্মকন্ড পরিচালনা করছেন এবং তাদের উপর ভর করে আওয়ামী ফ্যাসিবাদরা ফিরে আসার চেষ্টা করছেন। ২৪ এর বাংলায় রাজনিতি করার অধিকার হারিয়ে ফেলছেন। তাদেরকে যারা সহযোগীতা করবে তারাই হলো ফ্যাসিস্টদের দোষর।

ভিপি নুরের ওপর হামলা দেশে সংকটের নতুন মাত্রা যোগ করবে: মাকসুদুর রহমান

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
ভিপি নুরের ওপর হামলা দেশে সংকটের নতুন মাত্রা যোগ করবে: মাকসুদুর রহমান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান বলেছেন, ভিপি নুরের ওপর হামলা পূর্ব পরিকল্পিত কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। নুরের ওপর হামলা রহস্য জন্ম দিয়েছে। কাদের ইশারায় ভিপি নুরের ওপর হামলা হয়েছে তা সরকারকে জনতার সামনে স্পষ্ট করতে হবে। এ হামলা ফ্যাসিবাদী কায়দায় হয়েছে। এ হামলা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। বরং এ হামলা দেশে সংকটের নতুন মাত্রা যোগ করবে। পতিত সরকার জাতীয় পার্টি দিয়ে ট্রাম্পকার্ড খেলতে চায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ফ্যাসিবাদের দোসর জাতীয় পার্টির রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।

শনিবার সকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলা ও সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল যৌথসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

সেক্রেটারি কেএম ইয়াসিন রাশেদ সানীর পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন মাওলানা নাছির উদ্দীন, মাওলানা হেলাল আহমাদ, মাওলানা আনসার আহমাদ, ডা. বেলাল হোসাইন, হাফেজ নেয়ামতুল্লাহ, মাওলানা আবু হানিফ, মাওলানা মজিবুর রহমান, আবুল বাশার, ফয়সাল আহমাদ প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মাকসুদুর রহমান আরও বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল শক্তি ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই যেন ফ্যাসিবাদীরা বাংলাদেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠা হতে না পারে সেজন্য সকলকে সজাগ থাকতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষকদের আলটিমেটাম, ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে আমরণ অনশন

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
প্রাথমিক শিক্ষকদের আলটিমেটাম, ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে আমরণ অনশন

বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও পদোন্নতিসহ তিন দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মহাসমাবেশ থেকে সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা।

আগামী ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাবি না মেনে নিলে পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে আমরণ অনশন কর্মসূচি করবেন সারাদেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

শনিবার বিকেল ৪টার দিকে শহীদ মিনারে আয়োজিত মহাসমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

প্রাথমিক শিক্ষকদের ছয়টি পৃথক সংগঠনের মোর্চা ‘সহকরী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ’ এ মহাসমাবেশ আয়োজন করে। মহাসমাবেশে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে শিক্ষকদের দাবির প্রতি একাত্মতা জানান।

শিক্ষকদের দাবিগুলো হলো—প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে এন্ট্রি পদ সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন-ভাতা দেওয়া, শতভাগ শিক্ষককে পদোন্নতি এবং ১০ ও ১৬ বছরপূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন।

ঐক্য পরিষদের অন্যতম নেতা ও বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সহকারী শিক্ষকদের দাবি মেনে না নিলে ২৬ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সহকারী শিক্ষক ঐক্য সংগঠন আমরণ অনশন শুরু করবে।