খুঁজুন
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩ ফাল্গুন, ১৪৩২

দেশের সব গণতান্ত্রিক দল ডিসেম্বরে নির্বাচন চায়: ১২ দলীয় জোট

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
দেশের সব গণতান্ত্রিক দল ডিসেম্বরে নির্বাচন চায়: ১২ দলীয় জোট

১২ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, এ বছরের ডিসেম্বরে কেবল একটি দল নয়, দেশের সব দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল নির্বাচন চায়। একটি অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই দেশের মুক্তি ও উন্নতির অভিমুখ নিশ্চিত করে। বারবার তা প্রমাণিত হয়েছে।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ১২ দলীয় জোট নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন।

উল্লেখ্য, জাপান সফররত প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিক্কেই ফোরামে যোগ দিতে গিয়ে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন ‘ডিসেম্বরে মাত্র একটি দল নির্বাচন চায়।’

এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বলেন, এক কথায় নিরেট মিথ্যাচার করেছেন নোবেলজয়ী অধ্যাপক ইউনূস। কেবল একটি দলই নয়, দেশের সকল গণতন্ত্রপন্থি দল স্পষ্টভাবে গত নয় মাস ধরে ডিসেম্বরে নির্বাচন আয়োজনের কথা বলে এসেছে। বরং তিনি নিজেই কিছু মৌলবাদী, জনসমর্থনহীন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনৈতিক দলকে পাশে নিয়ে নির্বাচনের প্রশ্নটিকে বিলম্বিত করার চেষ্টা করেছেন, করছেন।

১২ দলীয় জোট নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা ১২ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে দফায় দফায় এবছরের জুনের মধ্যেই নির্বাচনের কথা বলেছি। দেশের প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলো সভা, সমাবেশ, সেমিনার, বক্তব্য, বিবৃতি এবং প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বারবার এই কথা উচ্চারণ করেছেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস হয়তো ভুলে যাচ্ছেন তিনি কথার মারপ্যাচ দিয়ে তার গদি রক্ষা করতে পারবেন না। পদত্যাগের নাটক করেও পারবেন না। বাংলাদেশের জনগণ তার নাটকবাজি বুঝে গেছে।

সম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর ইউনূস যে সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তাদের মধ্যে অনেকেই স্বৈরাচারী সরকারের পদলেহনকারী এবং স্বৈরাচারী হাসিনার আচলের নিচে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। আমি, তুমি ও ডামি নির্বাচন প্রতিরোধে তাদের ন্যূনতম কোনো ভূমিকা ছিল না ভোট বর্জনের ব্যাপারেও তারা ছিলেন নীরব। এমনকি জুলাই আগস্টের ছাত্র জনতার আন্দোলনে তাদের কোনো ভূমিকা ছিল না। নিজের পায়ে চলতে পারে না এমন অনেক জনসম্পর্কবিহীন নেতৃত্বকে ডেকে তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এবং গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণকারী দল ও নেতৃবৃন্দকে অপমান করেছেন, অবজ্ঞা করেছেন। তার এই অশোভন আচরণে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাথে সম্পর্কিত দল এবং নেতৃবৃন্দ ব্যথিত এবং দুঃখিত।

‘বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে, ১৯৯০ সালে, এমনকী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে জীবনক্ষয়ী সংগ্রাম করেছে, তার মূলে ছিল ভোট ও নির্বাচন’ উল্লেখ করে ১২ দলীয় জোট নেতৃবৃন্দ বলেন, তিনি কূটকৌশলে ক্ষমতা প্রলম্বিত করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হবে, তিনি ভিন্ন কোনো কিছু অর্জনের উদ্দেশ্যে ভোট ও নির্বাচনকে বিলম্বিত করতে চাইছেন। আর তার সঙ্গে রয়েছেন কয়েকজন উপদেষ্টা।

জোট নেতারা বলেন, আগামী ডিসেম্বরের আগেই নির্বাচন করা সম্ভব। দেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও নানাভাবে বিষয়টি সামনে এসেছে। আমরা চাই দেশের জনগণের দীর্ঘদিনের চাওয়া তিনি পূরণ করবেন। তাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তী কাজ করার জন্য, স্থায়ী কোনো কাজ নয়। সংস্কার চলমান প্রক্রিয়া, ন্যূনতম সংস্কার করে নির্বাচন করতে হবে। আগে প্রয়োজন নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা। পাশাপাশি চলবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিচার। ইতোমধ্যে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া চলমান হয়েছে।

‘অবিলম্বে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করে দেশ মহাসংকটের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য’ প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানান ১২ দলীয় জোট নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, অন্যথা দেশের মানুষই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তখন তিনি মৌলবাদী ও জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক দলকে পাশে পাবেন না। তার পরিণতি যেন আফগানিস্তানের পালিয়ে যাওয়া মোহাম্মদ আশরাফ গনি আহমদজাইয়ের মতো না হয়।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ১২ দলীয় জোট প্রধান ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, জোটের মুখপাত্র বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, জোটের সমন্বয়ক বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, জামায়াতে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপার) সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দীন পারভেজ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রকিব, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি এম এ মান্নান, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দলের (পিএনপির) চেয়ারম্যান ফিরোজ মো. লিটন।

সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টার উদ্যোগে বনভোজন আয়োজন

মনির হেসেন খান
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টার উদ্যোগে বনভোজন আয়োজন
সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের চাঁদপুর জেলা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা আলমগীর আলম জুয়েলের উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজন ও বন্ধু মেলার আয়োজন করা হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারী শনিবার ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নে অবস্হিত মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যময় কোম্পানীর চরে এই বনভোজনের আয়োজন করা হয়। উক্ত বনভোজনে সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের  চাঁদপুর জেলা কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্হিত ছিলেন।
আরও উপস্হিত ছিলেন সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের সাবেক জেলা কো- অর্ডিনেটর ও বর্তমান কমিটির প্রধান উপদেষ্টা চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি, চাঁদপুর জেলা বি,এন,পির শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক, জেলা লায়ন ক্লাব অব চাঁদপুর রুপালির সভাপতি,  তাওসিফ এন্ড তাওহিদ এন্টারপ্রাইজ বিকাশ ও গ্রামীন লিমিটেডের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ,  ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আলমগীর আলম জুয়েল, সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের জেলা জয়েন কো- অর্ডিনেটর ইলিয়াস মিয়া, বাহাউদ্দীন বাহার, উত্তম চন্দ্র দেবনাথ, জেলা কমিটির জয়েন কো- অর্ডিনেটর ও চ্যারিটি প্রধান সাংবাদিক মনির হোসেন খান, জয়েন কো- অর্ডিনেটর হাকিম প্লাজা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সফিকুর রহমান, ব্যবসায়ী নেতা সৈয়দ আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী চাঁদপুর জেলা হার্ডওয়ার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান খান লিটন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান, সাবেক ছাত্র নেতা ও ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান খোকা, বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ মেজবা উদ্দিন মাল, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও রেফারি কাজী টুমু সহ আরও অনেকে।
 উক্ত বনভোজন ও বন্ধু মেলায় স্বাগত বক্তব্যে আলমগীর আলম জুয়েল বলেন সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনটি মুলত একটি সামাজিক মানবিক এবং একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এই সংগঠনটির মুল লক্ষ ও উদ্দেশ্য হলো পিছিয়ে পড়া বন্ধু ও মানবতার সেবায় কাজ করা। সমাজসেবা এবং বন্ধুদের সহযোগিতায় সংগঠনটির নানান উদ্যোগের প্রশংসা করে জুয়েল বলেন ভবিষ্যতেও এর ধারাবাহিকতা তিনি অব্যাহত রাখবেন। পরে বিকেলে শহরের কুমিল্লা রোডস্হ জুয়েলের অফিসে চা চক্রের আয়োজনের মধ্য দিয়ে উক্ত বনভোজনের আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।

কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা

মো. ইউনুস
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা

কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা ও প্রতিরোধ বিষয়ক অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ব্রাকের আয়োজনে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কি রোগ হতে পারে, যেমন ডেঙ্গু, মেলেরিয়া, চিকুনবুনিয়া ঠান্ডা কাশি শাস।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় পর্যাপ্ত পরিমানে গাছ লাগাতে হবে। সরকারি বেসরকারি উদ্যোগকে আরো কার্যকর ও সমন্বিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সোহেল রানা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ জাহিদ হোসাইন, ডাঃ পংকজ চন্দ্র সরকার।
অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন ব্র্যাক প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ শহীদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাকের জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য প্রকল্পের কর্মকর্তা মোঃ বেলাল হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নার্সিং সুপার ভাইজার তাসনীমা, সিনিয়র স্টাফ নার্স আয়েশা বেগম, ইপি আই বোরহান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ব্রজ পোদ্দার সহ গণমাধ্যমকর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ব্র্যাকের আয়োজনে জলবায়ু পরিবর্তনে কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ৩২ টি ওঠান বৈঠক ও ডেঙ্গ প্রতিরোধ অভিযান ৮টি, ৩৬টি সচেতনা মূলক মাইকিং, ৩ টি সমন্বয়ক সভা, ১টি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ট্রেনিং ও সিএইচসিপিদের ট্রেনি ২টি করা হয়।

হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ

নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ
চাঁদপুর সদর উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন বই বিতরণ করা হয়েছ।
১ জানুয়ারী বই বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান খান।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় বই বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মধুসূদন দাস।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও অভিভাবক বৃন্দ।