খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৭ মাঘ, ১৪৩২

স্বাধীনতার পর থেকে নেই কোন বিদ্যালয়

কচুয়ায় নাজমুন নাহার বেবী সপ্রাবি করতে চায় এলাকাবাসী

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ মে, ২০২৫, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
কচুয়ায় নাজমুন নাহার বেবী সপ্রাবি করতে চায় এলাকাবাসী

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের ঘোগড়ার বিলের গ্রামের নাম জলা-বিতারা। অতি দুর্গম এ গ্রামে নেই পাকা রাস্তাঘাট ও কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যাতায়াতের জন্য হেটেঁ চলাই এ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা। ঘোগড়াবিলের মাঝখানে অবস্থিত এ গ্রামটিতে শিশু শিক্ষার জন্য নেই কোনও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ফলে দূরের স্কুলে গিয়ে কেউ কেউ পড়তে গেলেও ক’দিন বাদে ঝরে পড়ছে তারা।

দুর্গম এ গ্রামে স্কুল না থাকায় ৩/৪ মাইল পথ হেঁটে কোমলমতি শিশুদের যেতে হয় পাশের গ্রামের স্কুলে। দীর্ঘ এ পথ পেরোনো তাদের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য। কাদামাটির রাস্তা আর সাঁকো পার হয়ে যেতে হয় তাদের। ফলে ভয়ে অনেক শিশুই এখন বিদ্যালয় বিমুখ।

অভিভাবকরাও থাকেন বেশ শঙ্কায়। এর ফলে বাড়ছে শিশুদের ঝরে পড়ার হার। জলা-বিতারা গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে নাজমুন নাহার বেবী প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে একটি সরকারি বিদ্যালয় করতে চায় এলাকাবাসী। এর জন্য ওই গ্রামের জাকির হোসেন ও মনির হোসেন ৩৩ শতাংশ জমিও দান করেছেন।

যদিও স্থানীয়রা জানান, ২০০৪ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের সময়ে এ বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীতে ২০০৮ সালে আওয়ামী সরকারের আমলে বিভিন্ন কারনে বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে যায়।

উপজেলার ২৪৩টি গ্রামের মধ্যে ১৭১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও দুর্গম এলাকা হিসেবে পরিচিত জলা-বিতারা গ্রামে স্বাধীনতার আগে পরে কোন বিদ্যালয় স্থাপিত হয়নি।

জলা-বিতারা গ্রামের অধিবাসী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ও বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোক্তা মো. কবির হোসেন জানান, আমাদের এ গ্রামে ১৫টি ছোট-বড় বাড়ি নিয়ে প্রায় ২হাজার জনসংখ্যার মধ্যে ৫শ জন ভোটার বসবাস করছে। প্রতি ঘরেই দুই থেকে তিনটি করে শিশু আছে। এ গ্রাম থেকে প্রায় ৫ মাইল দূরে সাচার, ৩ মাইল পশ্চিমে বিতারা ও ২ কিলোমিটার দক্ষিণে বাইছারা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল রয়েছে। দূরত্বের কারণেই গ্রামের শিশুরা ঝরে পড়ে স্কুল থেকে।

তিনি আরো জানান, শিশুদের নিরাপত্তার স্বার্থে একটি স্কুল এখানে জরুরি হয়ে পড়েছে। তাই আমরা সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এর সহধর্মীনি নাজমুন নাহার বেবীর নামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছি। এরই প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১লা জানুয়ারী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এর উপস্থিতিতে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৪ জন শিক্ষক ও ১৩০জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন শ্রেনিতে ভর্তি হয়েছে।

বিদ্যালয়ের সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যাংকার মো. মামুনুর রশিদ মোল্লা জানান, আমাদের ৩৩ শতাংশ নিজস্ব জায়গা হয়েছে। এখন একটি স্কুল হলেই শিশুদের লেখাপড়া নিয়ে আমরা নিশ্চিন্ত হতে পারি। গ্রামটিতে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনি জরুরি বলে তিনি মনে করেন। এজন্য তিনি নতুন ভবন, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রসহ বিদ্যালয়টি স্বীকৃতি দেয়ার দাবী জানান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবু ইউসুফ জানান, স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে ঘোগড়ার বিল মধ্যবর্তী অবহেলিত এ গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন এখন সময়ের দাবীতে পরিনত হয়েছে। বিদ্যালয়টি জানুয়ারী থেকে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়েছে। তাই দ্রুত অনুমোদন দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জন্য জোড় দাবী জানাই।

এব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার পারভীন সুলতানা বক্তব্য দিতে রাজি না হলেও বিতারা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে জলা-বিতারা গ্রামে জনস্বার্থে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রস্তাবনা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে।

কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা

মো. ইউনুস
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা

কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা ও প্রতিরোধ বিষয়ক অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ব্রাকের আয়োজনে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কি রোগ হতে পারে, যেমন ডেঙ্গু, মেলেরিয়া, চিকুনবুনিয়া ঠান্ডা কাশি শাস।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় পর্যাপ্ত পরিমানে গাছ লাগাতে হবে। সরকারি বেসরকারি উদ্যোগকে আরো কার্যকর ও সমন্বিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সোহেল রানা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ জাহিদ হোসাইন, ডাঃ পংকজ চন্দ্র সরকার।
অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন ব্র্যাক প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ শহীদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাকের জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য প্রকল্পের কর্মকর্তা মোঃ বেলাল হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নার্সিং সুপার ভাইজার তাসনীমা, সিনিয়র স্টাফ নার্স আয়েশা বেগম, ইপি আই বোরহান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ব্রজ পোদ্দার সহ গণমাধ্যমকর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ব্র্যাকের আয়োজনে জলবায়ু পরিবর্তনে কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ৩২ টি ওঠান বৈঠক ও ডেঙ্গ প্রতিরোধ অভিযান ৮টি, ৩৬টি সচেতনা মূলক মাইকিং, ৩ টি সমন্বয়ক সভা, ১টি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ট্রেনিং ও সিএইচসিপিদের ট্রেনি ২টি করা হয়।

হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ

নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ
চাঁদপুর সদর উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন বই বিতরণ করা হয়েছ।
১ জানুয়ারী বই বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান খান।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় বই বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মধুসূদন দাস।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও অভিভাবক বৃন্দ।

আলগী-সকদী পাঁচগাঁও ঈদগাহ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের তাফসিরুল কোরআন মাহফিল সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ
আলগী-সকদী পাঁচগাঁও ঈদগাহ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের তাফসিরুল কোরআন মাহফিল সম্পন্ন

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫ নং রামপুর ইউনিয়নের আলগী-সকদী পাঁচগাঁও ঈদগাহ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে বার্ষিক তাফসিরুল কোরআন মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে। ২৬ ডিসেস্বর শুক্রবার আলগী পোলের গোড়া (স্বাধীন বাংলা বাজার) সংলগ্ন আলগী-সকদী পাঁচগাঁও কেন্দ্রীয়  ঈদগাহ ময়দানে বিকাল ৩ টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরামগণ তাফসির পেশ করেন।

তাফসীরুল কোরআন মাহফিলে ইসলামীক ফাউন্ডেশনের সাবেক উপ-পরিচালক আলহাজ্ব ড. মুহাম্মদ আব্দুল হক এর সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে তাফসির পেশ করেন ঢাকা জামি’আতুস সাহাবা মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্সের খতিব হাফেজ মাওলানা শায়খ বোরহান বিন মোহাম্মদ খান।
বিশেষ বক্তা হিসেবে তাফসির পেশ করেন চাঁদপুর ওয়ারলেস বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর, হযরত মাওলানা দ্বীন ইসলাম চাঁদপুরী, ভাটের গাঁও ইচুলী বাড়ি জামে মসজিদের খতিব বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন হযরত মাওলানা আব্দুল বাকী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক জে.এম. মেহেদী মাসুদ (মিঠু)।
এছাড়াও অন্যান্য ওলামায়ে কেরামদের মধ্যে তাফসির পেশ করেন আলগী-সকদী পাঁচগাঁও ঈদগাহ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা মুফতি ইউসুফ আল- হাবিবী, চাঁদপুর প্রফেসর পাড়া জামে মসজিদের সাবেক খতিব হযরত মাওলানা ইয়াকুব আলী তপদার।
বিশিষ্ট সংগঠক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মাওলানা মিজানুর রহমান এর যৌথ সঞ্চালনায় তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ আমলের নিয়তে কোরআর হাদিসের আলোকে হুজুরদের আলোচনা শুনেন।
মাহফিলে সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন আবুল কালাম মজুমদার, আব্দুর রহিম গাজী, লিয়াকত আলী খান, মো. নান্নু মিয়াজি, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম রাজু, মো. ইমন শেখ, মো. মুজাহিদ আহমেদ প্রমুখ।
মাহফিলের পূর্বে ইসলামী সাংস্কৃতি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
সুশৃঙ্খল ভাবে তাফসিরুল কোরআন মাহফিল সম্পন্ন করায় সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন মাহফিল এন্তেজামিয়া কমিটি।