খুঁজুন
রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ১৬ ভাদ্র, ১৪৩২

গণহত্যা, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনকল্পে জেলা প্রশাসনের ব্যাপক কর্মসূচী

জাহাঙ্গীর রাজু
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫, ১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
গণহত্যা, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনকল্পে জেলা প্রশাসনের ব্যাপক কর্মসূচী

আজ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং আগামীকাল ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনাত ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে চাঁদপুর জেলায় ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন জেলা প্রশাসন। এ উপলক্ষে গত ৬ মার্চ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযোদ্ধের আত্মোৎসর্গকারী ৩০ লাখ শহীদ সম্ভ্রম হারানো ২ লাখ মা বোনকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করে এবং স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের গুরুত্¦ ও তাৎপর্য তুলে ধরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন সভাপতির বক্তব্যে বলেন, বাঙালী জাতীর সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মহান স্বাধীনতা। কষ্ঠার্জিত এ স্বাধীনতা যেন ম্লান না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ থাকতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে দেশ মাতৃকার কল্যাণে কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, এ বছর পবিত্র রমজান মাসে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন হবে বিধায় রমজানের পবিত্রতার প্রতি সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ থাকতে হবে।

সভায় সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন এর অনুমতিক্রমে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোস্তফিজুর রহমান দিবসগুলো পালনকল্পে কর্মসূচীগুলো উপস্থাপন করেন।

কর্মসূচীগুলো:
২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস:
১৭ মার্চ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত সুবিধা জনক সময়ে শহরের হাসনা আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, বাস স্ট্যান্ড, বড় স্টেশন মোলহেডে ২৫ মার্চের গণহত্যার উপর বস্তুনিষ্ঠ ও নৈর্ব্যত্তিক দূর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামান্য চিত্র প্রদর্শনী, ২০ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারীগরি সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যাক্তি ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গণহত্যা ও ঐতিহাসিক মহান মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে স্মৃতি চারণ ও আলোচনা সভা, ২৫ মার্চ বাদ আসর সকল মসজিদ, মন্দির ও গির্জায় বিশেষ মুনাজাত ও প্রার্থনা, ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১০ টায় ১ মিনিটের জন্য জরুরী স্থাপনা ও কেপিআই ব্যাতীত জেলায় প্রতীকি ব্ল্যাক আউট।

সভায় গৃহীত অন্যান্য সিদ্ধান্তসমূহ নিম্নরূপ:
১. ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন/স্থাপনাসমূহে কোন অবস্থাতেই আলোকসজ্জা করা যাবে না মর্মে সিদ্ধান্ত হয়।
২. জেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, চাঁদপুর ২০ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরিসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে ২৫ মার্চ গণহত্যা ও মহান মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
৩. গণহত্যা দিবসের সকল কর্মসূচিতে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত দপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ আবশ্যিকভাবে উপস্থিত থাকবেন।
৪. জেলা তথ্য অফিসার ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচি বহুল প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে সভায় বিস্তারিত আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে নিম্নবর্ণিত কর্মসূচি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

কর্মসূচীগুলো:
১ মার্চ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে রচনা ও আবৃতি প্রতিযোগীতার আয়োজন, ১৬ থেকে ২৬ মার্চ প্রতিদিন বিকাল বা সন্ধ্যায় বাবুরহাট, বাগাদী চৌরাস্তার মোড়, চাঁদপুর ডাকঘরের নিকট সেতুর পাদদেশে পুরান বাজারে স্বাধীনতা যুদ্ধের বস্তুনিষ্ঠ ও নৈবির্ত্তিক মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রামন্য চিত্র প্রদর্শনী, ২৬ মার্চ সারাদিন চাঁদপুর সরকারি কলেজের শিশুদের রচনা প্রতিযোগীতা ও আবৃতি, শিশু একাডেমীতে শিশুদের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা, সূর্যোদয়ের সাথে সকল সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্ত্বশাসিত এবং বেসরকারি ভবন সমূহে যথাযথ মর্যাদার সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, চাঁদপুর শহরের অঙ্গিকার পাদদেশে একত্রিশ বার তপোধ্বনীর মাধ্যমে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভ সূচনা, ভোর ৫ টা ৫৬ মিনিটের পর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বরনে অঙ্গিকার পাদদেশে পুষ্পস্তবক অর্পন, সন্ধ্যা থেকে চাঁদপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্ত্বশাসিত এবং বেসরকারি ভবন সমূহে আলোকসজ¦া, শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপ জাতীয় পতাকা সহ বিভিন্ন পতাকা ও ফেস্টুন দ্বারা সজ্জিত করন, সকাল সাড়ে ৮টায় জেলা প্রশাসক কৃর্তক চাঁদপুর স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ (রমজান মাস বিবেচনায় ডিসপ্লে ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবেনা), দুপুর ১২ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ ঘাটে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী ও কোষ্ট গার্ডের জাহাজ সমূহ জনসাধারণরে দর্শনের জন্য উন্মুক্ত রাখা, সকাল ১০ টায় চাঁদপুর ক্লাব মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠান, বাদ আসর জাতীর শান্তি, সমৃদ্ধি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি কামনা করে মসজিদ, মন্দির ও গির্জা সহ প্যাগোডা ও অন্যান্য উপসনালয়ে মোনাজাত ও প্রার্থনা। সুবিধা জনক সময়ে সকল হাসপাতাল, জেলখানা, সরকারি শিশু পরিবার এবং বাক শ্রবন প্রতিবন্ধী স্কুলে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন।

গৃহীত অন্যান্য সিদ্ধান্তসমূহ নিম্নরূপঃ
১. গৃহীত কর্মসূচির প্রতিটি ভেন্যুর নিরাপত্তা বিধানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ সুপারকে অনুরোধ করা হয়।
২. অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল মহান স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ দক্ষ ও মানসম্মত করার জন্য অংশগ্রহণকারী দলসমূহের যথাযথ পূর্বপ্রস্তুতিসহ প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
৩. জেলা তথ্য অফিসার, চাঁদপুর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচিসমূহ বহুল প্রচারের নিমিত্ত এবং জাতীয় পতাকার সঠিক মাপ, রং এর ব্যবহার সম্পর্কে জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ২০ মার্চ হতে প্রারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
৪. জেলা স্কাউটের সহকারী পরিচালক জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সমাবেশে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক স্কাউটসদের তালিকা সংগ্রহ করবেন।
৫. চাঁদপুর পৌরসভার প্রশাসক ২৬ মার্চ সন্ধ্যা হতে রাত পর্যন্ত মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে সড়ক, সড়কদ্বীপ, শপথ চত্বর, ইলিশ চত্বর, অঙ্গীকার ও মুক্তিসৌধ এলাকাসহ অন্যান্য শুরুত্বপূর্ণ স্থানে আলোকসজ্জা করার জন্য এবং গণপূর্ত বিভাগ নির্বাহী প্রকৌশলী চাঁদপুর সার্কিট হাউজ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং বাসভবনে আলোকসজ্জা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
৬. জেলা ক্রীড়া অফিসার চাঁদপুর স্টেডিয়ামে সমাবেশের নিমিত্ত মঞ্চ, প্যান্ডেল ও মাঠ প্রস্তুত করাসহ আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করবেন এবং কুচকাওয়াজ উপ-কমিটিকে সহায়তা করবেন।
৭. স্থানীয় সকল দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদকগণ দিবসটি উদযাপনে গৃহীত কর্মসূচি বহুল প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং নিজ নিজ পত্রিকায় বিশেষ নিবন্ধ/ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবেন।
৮. চাঁদপুর সদর উপজেলা ব্যতিত অন্য সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিবসটি সরকারি কর্মসূচি ও নির্দেশনা অনুসরণ করে উদযাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। চাঁদপুর সদর উপজেলা জেলা প্রশাসনের সাথে যুক্ত হয়ে দিবসটি উদযাপন করবেন।
৯. মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কর্মসূচিতে সকল কলেজ ও স্কুলের শিক্ষক/শিক্ষিকাগণ এবং ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য অধ্যক্ষ, জেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও প্রধান শিক্ষক/শিক্ষিকাগণ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
১০. বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোডের নির্বাহী প্রকৌশলী দিবসটি উদযাপনের সকল ভেন্যুতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করবেন।
১১. ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স উপ-সহকারী পরিচালক ২৫ মার্চ এবং ২৬ মার্চ প্রত্যুষে অথবা সুবিধাজনক সময়ে কুচকাওয়াজ কমিটির সাথে সমন্বয় করে চাঁদপুর স্টেডিয়ামে পানি ছিটিয়ে ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থ্য গ্রহণ করবেন।
১২. মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সকল সরকারি, আধা- সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত দপ্তরের সকল কর্মকর্তাগণ আবশ্যিকভাবে উপস্থিত থাকবেন।

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের নির্ভরশীল আইটি এক্সপার্ট রাফান রাজ

আল-আমিন হাসান
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের নির্ভরশীল আইটি এক্সপার্ট রাফান রাজ

চাঁদপুরের ছেলে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের জন্য আইটি এক্সপার্ট হয়ে উঠছেন সারা বিশ্বে। ডিজিটাল দুনিয়ায় প্রতিদিনই বাড়ছে নানা ধরনের ঝুঁকি ও জটিলতা। ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক কিংবা জিমেইল-এসব প্ল্যাটফর্মে প্রায়ই ব্যবহারকারীরা পড়েন আইডি হ্যাক, লগইন সমস্যা, ভেরিফিকেশন বা রিকভারি জটিলতায়।

আর এসব সমস্যার কার্যকর সমাধান করে চাঁদপুরের তরুণ রাফান রাজ স্থান করে নিয়েছেন তরুণদের আস্থার জায়গা।

রাফান রাজ মূলত একজন আইটি এক্সপার্ট। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওয়েবসাইট, ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক এবং জিমেইলসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীদের জটিল সমস্যা সমাধান করে আসছে তার টিম। তার দক্ষতার মাধ্যমে অনেকেই হারানো কিংবা হ্যাক হওয়া একাউন্ট ফিরে পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও অনলাইন সচেতনতা বৃদ্ধিতেও কাজ করে যাচ্ছেন তার টিম।

স্থানীয় থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন জেলার তরুণ-তরুণী এবং প্রবাসীরাও তার টিমের মাধ্যমে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের নানা সমস্যা সামাধান করে নিচ্ছেন এক নিমিষেই। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের কাছে তিনি এবং তার টিম এখন ভরসার প্রতীক হয়ে উঠছেন।

রাফান রাজ বলেন, “প্রযুক্তি আমাদের জীবন সহজ করেছে, তবে এর ঝুঁকিও কম নয়। আমি চাই সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে পারে। এজন্যই আমি চেষ্টা করি তাদের সমস্যার সমাধান দিতে।”

তিনি আরো বলেন, তিনি কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। তবুও তিনি থেমে নেই, তিনি তার উদ্যম দক্ষতায় এগিয়ে যেতে চান সফলতার চূড়ান্ত লক্ষ্যে মানুষের পাশে থেকে। তিনি বলেন যতই বাধা বিপত্তি আসুক আমি তা এড়িয়ে মানুষের জন্য কাজ করে যাবো।

ভবিষ্যতে তিনি আরও বড় পরিসরে কাজ করার পরিকল্পনা করছেন। পাশাপাশি ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে তরুণ প্রজন্মকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার স্বপ্নও রয়েছে তার।

চাঁদপুরের তরুণ রাফান রাজ প্রমাণ করেছেন-দক্ষতা, মনোবল ও প্রশিক্ষণ থাকলে দ্রুত প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায় এবং নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া যায়।

ভিপি নুরের উপর হামলার প্রতিবাদে চাঁদপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

‘আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে হামলাকারীদের আটক করা না হলে পরিনাম হবে ভয়াবহ’

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
‘আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে হামলাকারীদের আটক করা না হলে পরিনাম হবে ভয়াবহ’

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের উপর হামলার প্রতিবাদে চাঁদপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। শনিবার বিকেলে চাঁদপুর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড জেলা গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সম্মুখে চাঁদপুর কুমিল্লা মহসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রায় ঘন্টা খানেক ব্লকেড করেন। এতে করে যান চলাচলে সাময়িক বিগ্ন ঘটে। পরবর্তীতের একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কালি বাড়ী শপথ চত্বরে সমাবেশে মিলিত হয়। এ কর্মসূচিতে একত্বতা পোষণ করে অংশগ্রহন করেন এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, জুলাই মঞ্চ, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র-জনতা সহ আরো অনেকেই।

সমাবেশে জেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কাজী রাছেলের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক জাকির হোসেন এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জিওপি’র সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান, জেলা খেলাফত মজিলিসের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, এনসিপি’র সদর উপজেলার মূখ্য সমন্বয়ক তামিম খান, এনসিপি নেতা সাইফুল ইসলাম, জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম. শরীফ হোসেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি জি.এম. মানিক, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের জেলা সভাপতি সৈয়দ সাকিবুল ইসলাম, জুলাই মঞ্চের পৌর আহ্বায়ক তুহিন আহমেদ, ছাত্রদের পক্ষে রাকিব ভূঁইয়া, সাগর হোসেনসহ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা জাতীয় পার্টি, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ বাহিনীর বিরুদ্ধে এই হামলার অভিযোগ করে। এছাড় অন্তবর্তী সরকার ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকার গঠন এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেন তারা।

বক্তারা বলেন, প্রথমে পুলিশ ও সেনাবাহিনী আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়, তারপর জাতীয় পার্টি। ঘটনার সময় নুরুল হক নুর মাটিতে পড়ার পর লাল টি-শার্ট পরা এক যুবক বেধড়ক মারধর করে। এ ঘটনায় জিড়তদের আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আটক করতে না পারলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

বক্তারা আরো বলেন, ইন্টিরিয়াম সরকারের সহযোগীতায় ফ্যাসিস্টদের দোষর জাতীয় পার্টি তাদের রাজনৈতিক কর্মকন্ড পরিচালনা করছেন এবং তাদের উপর ভর করে আওয়ামী ফ্যাসিবাদরা ফিরে আসার চেষ্টা করছেন। ২৪ এর বাংলায় রাজনিতি করার অধিকার হারিয়ে ফেলছেন। তাদেরকে যারা সহযোগীতা করবে তারাই হলো ফ্যাসিস্টদের দোষর।

ভিপি নুরের ওপর হামলা দেশে সংকটের নতুন মাত্রা যোগ করবে: মাকসুদুর রহমান

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
ভিপি নুরের ওপর হামলা দেশে সংকটের নতুন মাত্রা যোগ করবে: মাকসুদুর রহমান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান বলেছেন, ভিপি নুরের ওপর হামলা পূর্ব পরিকল্পিত কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। নুরের ওপর হামলা রহস্য জন্ম দিয়েছে। কাদের ইশারায় ভিপি নুরের ওপর হামলা হয়েছে তা সরকারকে জনতার সামনে স্পষ্ট করতে হবে। এ হামলা ফ্যাসিবাদী কায়দায় হয়েছে। এ হামলা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। বরং এ হামলা দেশে সংকটের নতুন মাত্রা যোগ করবে। পতিত সরকার জাতীয় পার্টি দিয়ে ট্রাম্পকার্ড খেলতে চায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ফ্যাসিবাদের দোসর জাতীয় পার্টির রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।

শনিবার সকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলা ও সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল যৌথসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

সেক্রেটারি কেএম ইয়াসিন রাশেদ সানীর পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন মাওলানা নাছির উদ্দীন, মাওলানা হেলাল আহমাদ, মাওলানা আনসার আহমাদ, ডা. বেলাল হোসাইন, হাফেজ নেয়ামতুল্লাহ, মাওলানা আবু হানিফ, মাওলানা মজিবুর রহমান, আবুল বাশার, ফয়সাল আহমাদ প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মাকসুদুর রহমান আরও বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল শক্তি ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই যেন ফ্যাসিবাদীরা বাংলাদেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠা হতে না পারে সেজন্য সকলকে সজাগ থাকতে হবে।