খুঁজুন
রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ১৬ ভাদ্র, ১৪৩২

বিদেশ না গিয়ে উদ্যোক্তা হয়ে মাসে লাখ টাকা আয় সাহাদাতের

মনিরুজ্জামান বাবলু
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
বিদেশ না গিয়ে উদ্যোক্তা হয়ে মাসে লাখ টাকা আয় সাহাদাতের

পড়াশোনার মাঝ পথে প্রবাসে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে উদ্যোক্তা হয়ে উঠলেন চাঁদপুরের বাবুরহাট এলাকার পোল্ট্রি ফার্ম ব্যবসায়ী সাহাদাত সরদার। এখন তার মাসিক আয় লাখ টাকার উপরে। তবে মুরগীর বাচ্চার দাম আর ফিডের দাম কমানো হলে লাভের পরিমাণ আরো বাড়বে বলে প্রত্যাশা তার।
অন্যদিকে প্রাণী সম্পদ বিভাগের পরামর্শ ছাড়াই এমন সাফল্যে এলাকার তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রেরণা এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

যৌথ পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে প্রবাসে যেতে পাসপোর্ট করা সাহাদাত এখন পোল্টি ফিড ও ফার্মের মালিক। তার অধীনে ১০ থেকে ১২ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছেন। ২০০৫ সাল থেকে ফিড ব্যবসায় জড়িত থাকলেও গেলো ৬ মাস আগে একটি আধুনিক পোল্ট্রি ফার্ম করেন। ফার্ম থেকে এখন মাসিক আয় লাখ টাকার উপরে। তার ফার্মে কাজ করতে পেরে খুশি শ্রমিকেরা।

তার সিয়াম পোল্ট্রি ফার্মের শ্রমিক জানান, ‘আগে ট্রেইলরের কাজ করতাম। ট্রেইলরের কাজ ছেড়ে দিয়ে এই ফার্মে চাকরি নিয়েছি। মুরগির ফার্মে বেতন পাই ১৫-২০ হাজার টাকা। পরিবারের ৪ জন নিয়া এখন সুখে আছি।’

আরেক শ্রমিক বলেন, ‘আমরা ফার্ম পরিচালনা করি। সকালে এসে ৬টার সময় খাবার দেই, পানি দেই, মেডিসিনের প্রয়োজন হলে মেডিসিন দেই। তারপর এই ভূষিগুলো প্রতিনিয়ত নাড়তে হয়। এটা নাড়লে ভূষিগুলো শুকনা থাকলে মুরগির রোগবালাই কম হয়। এভাবে আমরা পরিচালনা করি। আর খাওয়াতে হয় সকালে- দুপুরে- রাতে। আবার ছোটদের এক ধরণের ফিড, বড়দের এক ধরণের ফিড ব্যবহার করছি।’

২০ লাখ টাকা ব্যায়ে আধুনিক পোল্ট্রি ফার্মে রয়েছে টিনসিডে ঝরণার মাধ্যমে তাপ নিয়ন্ত্রণ রাখার ব্যবস্থা। যা হিট থেকে মুরগীর বাচ্চাকে বাঁচানো যায়। এছাড়া রয়েছে হিট লাইটিং, শীতে তাপ দেয়ার জন্য হিট লাইটিং ও গ্যাস হোপার দেয়ার ব্যবস্থা।

বাবুরহাট দাসাদী গ্রামে এই প্রথম এমন ফার্ম দেখে তরুণদের মাঝে উদ্যোক্তা সৃষ্টি হবে বলে জানান এলাকাবাসী।

ফার্মের পাশ^বর্তী বাড়ীর ফারজানা বেগম বলেন, ‘জমিনটা পড়ে আছে। পরে শাহাদৎ ভাই কিনে খামার দিছে আর এখন লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছে। আমি আমার ছেলেরেও চাই এমন একটা পথ ধরিয়ে দিতে, ব্যবসা দিতে।’

এলাকাবাসীর পক্ষে জাকির হোসেন বলেন, ‘এই খামারটা অনেক সুন্দর করেছেন। এটা প্রযুক্তি নির্ভর খামার। যেটাতে ৭-৮ জন লোক কাজ করছে। সেখানে তারা মোটামুটি প্রতি মাসে ভালো একটা ইনকাম করছে। তাদের দেখায় দেখায় হয়তো আশেপাশের গ্রামের অনেকেই খামার করতে আগ্রহ প্রকাশ করবে।’
এলাকার মুরব্বী লোকমান সরদার বলেন, ‘শাহাদাৎ বিদেশে না গিয়ে আজকে দেশে স্বল্প পুজিঁতে খুব ভালো আছে।’

আধুনিক ফার্মে লেবার কম, খরচ কম, মুরগী ভালো থাকে। ৬ হাজার মুরগীর জন্য ২ বার পানি দিতে হয়। ৪ জনের স্থলে ২ জনেই এখন তা করছে। সূইচ দিলেই পানি উঠে যায়। ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে এখন সিয়াম পোল্ট্রি ফার্ম, মেসার্স একতা পোল্ট্রি ফিড ও মাছের প্রজেক্টের উদ্যোক্তা সাহাদাত সরদার। শ্রমিকদের বেতন ও আনুষাঙ্গিক খরচা মিটিয়ে এখন মাসিক আয় লাখ টাকার উপরে তার।

উদ্যোক্তা মো. সাহাদাত সরদার বলেন, ‘এখানে ৬ হাজার মুরগি পালি। ২০ লাখ টাকা ব্যয় করে, প্রথম ব্যাচে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা লাভ হইছে, ২য় ব্যাচে ২ লাখ টাকা লাভ হইছে আর এই ৩য় ব্যাচে দেড় লাখ টাকা লাভ হইছে। বাচ্চার দাম আর ফিডের দাম একটু বেশি থাকার কারণে লাভের অংশ কমে গেছে। এই পোল্ট্রি ফার্ম দেয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে একটাই, মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এখন আমার আন্ডারে অনেক লোক কাজ করে প্রায় ১০-১২ জন।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই ফার্মটা আমার নিজের। আমার ফিডের দোকান আছে একতা পোল্ট্রি ফিড নামে ওয়্যারলেস বাজারে। আমি ২০০৫ সাল থেকে ব্যবসা করি। এখন নিজে কিছু প্রজেক্ট দিতেছি। আমার প্রায় ১০০-১৫০ খামারি আছে, তাদের আমি ফিড বাচ্চা দেই এবং আমিই ফিডের ডিলার। কিন্ত ফার্ম চালাতে গিয়ে আমরা সরকারিভাবে কোনো সাহায্য পাই না। সরকারি কোনো ডাক্তার আমাদের এই ফার্মের কেয়ার টেক করে না। কোম্পানীর যে ডাক্তার আছে তাদের নিয়েই আমরা এই ফার্ম পরিচালনা করি।’

উদ্যেক্তা সাহাদাত এখন পুরোদমে পোল্ট্রি ব্যবসায়ী। তিনি চাঁদপুর পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ড বাবুরহাট দাসাদী এলাকার সরদার বাড়ীর বাসিন্দা। পরিবারে দুই ভাই, পাঁচ বোন আর স্ত্রী ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে তার।

মতলব প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে আল রশিদ ক্লাবের মতবিনিময়

মোঃ রবিউল আলম
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ
মতলব প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে আল রশিদ ক্লাবের মতবিনিময়

মতলব প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন মতলব আল রশিদ ক্লাবের পুণর্গঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ। রবিবার সকাল সাড়ে দশটায় প্রেসক্লাব কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন আল রশিদ ক্লাবের সভাপতি ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমদাদ হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া,ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মতলব দক্ষিণ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মোজাহিদুল ইসলাম কিরণ।

সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মতলব প্রেসক্লাবের আহবায়ক মোঃ আমির খসরু, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক গোলাম সারওয়ার সেলিম।

এসময় বক্তারা বলেন, মতলব দক্ষিণ উপজেলার পুরোনো একটি ক্রীড়া সংগঠন আল রশিদ ক্লাবটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর নতুন আঙ্গিকে আবার চালু করার প্রক্রিয়া গ্রহণ করায় সকলেই সন্তোষ প্রকাশ করেন। মাদকের ভয়াবহতা থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে ক্রীড়াঙ্গনকে উজ্জীবিত করা হবে।

সভায় ক্লাব সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়, পরিকল্পনা বা সমস্যা নিয়ে পারস্পরিক আলোচনা ও মতামত আদান-প্রদান করা হয়। এই ধরনের সভায় সাধারণত ক্লাবের কার্যক্রম, উন্নয়ন বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়। এ ক্ষেত্রে সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংবাদিকদের সর্বাত্বক সহযোগিতা কামনা করেন আল রশিদ ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

মতবিনিময় সভায় আল রশিদ ক্লাবের সহ সভাপতি আবুল বাশার, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজেদুল আরেফিন শাওন উপস্থিত ছিলেন মতলব প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দ।

পরে ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা সাবেক সচিব এবং কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল মোঃ জাকির হোসেন কামালকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান আল্ রশিদ ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

সংঘর্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা না পেয়ে কাঁদলেন উপ-উপাচার্য

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
সংঘর্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা না পেয়ে কাঁদলেন উপ-উপাচার্য

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের দফায় দফায় সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, প্রক্টরসহ দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ধরনের সহায়তা না পাওয়ায় কান্নায় ভেঙে পড়েন আহত উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন।

রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় সংঘর্ষ বাধলে প্রশাসন থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা না পেয়ে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান।

এ সংক্রান্ত একটি ভিডিওতে উপ-উপাচার্য ড. মো. কামাল উদ্দিনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি কমপারেটিভলি ভালো আছি। আমার ছাত্ররা সবচেয়ে বেশি আহত। আমরা এখন পর্যন্ত আর্মি-বিজিবির কোনো সাহায্য পাচ্ছি না। প্রত্যেকটা ছাত্রকে তারা দা দিয়ে কোপাচ্ছে। এটা কোন জগতে আছি আমরা? আপনারা আমাদের ছাত্রদের উদ্ধার করুন। আমাদের প্রক্টর, প্রো-ভিসি (একাডেমিক) আহত, আমাদের প্রায় সব শিক্ষক-ছাত্র আহত। আমরা মেডিকেলে জায়গা দিতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের ক্যাডাররা হেলমেট পরে আমাদের ছাত্রদের মারতেছে। আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছি, প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে কথা বলেছি, কিন্তু এখনো আমাদের পাশে কেউ নেই।

এসময় কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, আমি হাত জোড় করে ক্ষমা চাচ্ছি। আমাদের শিক্ষার্থীরা তোমরা শান্ত হও। এলাকাবাসী আপনারা শান্ত হোন। আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এত বছর ধরে আছি, এই গ্রামের সঙ্গে আমাদের ভালো সম্পর্ক ছিল। অন্য একটি কুচক্রী মহলের ইন্ধনে এ ঘটনা ঘটেছে। এই গেমে কেউ হাত দিয়েন না।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা শান্ত হও। আমরা তোমাদের পাশে আছি। এ ঘটনার বিচার হবে।

ফ্যাসিবাদদের কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় দিবেন না: শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ৮:০০ অপরাহ্ণ
ফ্যাসিবাদদের কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় দিবেন না: শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক

কল্যাণপুর ইউনিয়নের ১,২ ও ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ও নবায় কর্মসূচীর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকেলে উত্তর দাসাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন ও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।

তিনি বলেন, গত ১৫ বছর কল্যাণপুর ইউনিয়নে এত উন্নয়ন হয়েছে, যে রাস্তার মোটরসাইকেল চলাচল করতে গিয়ে বালুতে আটকে যায়। ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ উন্নয়নের নামে লুটপাট করেছে। তারা আমাদের দলীয় কার্যালয়ে ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করেছেন। এতে আমাদের অনেক জরুরি কাগজপত্র নষ্ট ও পুড়ে গেছে। ফ্যাসিবাদদের কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় দিবেন না। ফ্যাসিবাদদের বাদ দিয়ে সদস্য পদ সংগ্রহ করবেন। নারীরাও সদস্যপদ সংগ্রহ করবেন।

কল্যাণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন খানের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি সহ-সভাপতি দেওয়ান মো. সফিকুজ্জামান।

কল্যাণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল আলম খানের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহজালাল মিশন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হযরত আলী ঢালী, যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তার হোসেন সাগর, অ্যাড. তাফাজ্জল হোসেন, সদস্য মোশারফ হোসেন সিকদার, পীরজাদা বরকত উল্যাহ খান, জেলা যুবদলের সভাপতি মানিকুর রহমান মানিক, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান নজু, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ খান, দপ্তর সম্পাদক মানিক কাজী প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য এ কে এম ফজলুল হক সেলিম, সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান খান কাজল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. ইমান হোসেন গাজী, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন পাটওয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান সোহাগ, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু হানিফ কাকন, সদস্য সচিব পীরজাদা জুনায়েদ উল্যাহ খান, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. জিসান আহমেদ, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি আশিকুর রহমান শিপনসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীরা।