লাইসেন্সবিহীন সকল অবৈধ ইটভাটা বন্ধ বা গুড়িয়ে দেয়া হবে: জেলা প্রশাসক

ইটভাটা মালিকদের নিয়ে অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।

হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১৭ মার্চ ২০২৫-এর মধ্যে লাইসেন্সবিহীন সকল অবৈধ ইটভাটা বন্ধ বা গুড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসন, চাঁদপুর এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে ৩ মার্চ সোমবার জেলার ইটভাটা মালিকদের নিয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, ৮ মার্চ তারিখের মধ্যে সকল অবৈধ ভাটাসমূহ বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অন্যথায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে । আগামী ১৭ মার্চ ২০২৫-এর মধ্যে লাইসেন্সবিহীন সকল অবৈধ ইটভাটা বন্ধ বা গুড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক সভায় আরো বলেন, মোবাইল কোর্ট দেওয়ার কারণ হচ্ছে আপনাদের অনেকেরই ইটভাটার লাইসেন্স নেই, অধিকাংশ ইটভাটা হাইকোর্টের নীতিমালার বাহিরে আছে। তাই আপনাদের যে লাইসেন্স প্রয়োজন তা আমি খুব সহজেই দেবো। এটা আপনাদেরকে আমি আশা দিতে পারি তবে আপনার হাইকোর্টের যে আইন ও নীতিমালা আছে সেটা মেনে চলার চেষ্টা করবেন। এ সময় ইটভাটার মালিকরা বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।
শাহারাস্তি ইটভাটার মালিক আমিনুল এহেসান বলেন, কোর্টের নিয়ম কানুন মানার জন্য বর্তমানে আমাদেরকে যে চাপ দেওয়া হচ্ছে, সামনের দিনগুলোতে আমাদেরকে যদি পর্যাপ্ত সময় না দেওয়া হয় আমার মনে হয় না কোন মালিকই এই ব্যবসার সাথে জড়িত থাকবেন।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে হঠাৎ করে আমাদের উপর বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই জেলা প্রশাসকের কাছে আমাদের ইটভাটার মালিকদেরকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। বর্তমানে যে আইন করেছে এ আইন পরিবেশের সাথে কোন মিল নেই। কৃষি জমি থেকে মাটি কাটতে পারবো না এমন আইন যদি থাকে তাহলে আমরা মাটি আনব কোথা থেকে।
অন্যান্যদের মধ্যে একজন ব্যবসায়ী বলেন, কমপক্ষে আমাদেরকে লাইসেন্স করা পর্যন্ত সময় দেন। আর যদি লাইসেন্স করা পর্যন্ত সময় না দেন তাহলে আমাদের অনেকের ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে। কারণ আমাদের অনেকেরই লাইসেন্স নেই।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুপ্রভাত শাহ ও চাঁদপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান।
আপনার মতামত লিখুন