খুঁজুন
রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ১৬ ভাদ্র, ১৪৩২

ভিপি নুরের উপর হামলার প্রতিবাদে চাঁদপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

‘আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে হামলাকারীদের আটক করা না হলে পরিনাম হবে ভয়াবহ’

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
‘আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে হামলাকারীদের আটক করা না হলে পরিনাম হবে ভয়াবহ’

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের উপর হামলার প্রতিবাদে চাঁদপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। শনিবার বিকেলে চাঁদপুর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড জেলা গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সম্মুখে চাঁদপুর কুমিল্লা মহসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রায় ঘন্টা খানেক ব্লকেড করেন। এতে করে যান চলাচলে সাময়িক বিগ্ন ঘটে। পরবর্তীতের একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কালি বাড়ী শপথ চত্বরে সমাবেশে মিলিত হয়। এ কর্মসূচিতে একত্বতা পোষণ করে অংশগ্রহন করেন এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, জুলাই মঞ্চ, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র-জনতা সহ আরো অনেকেই।

সমাবেশে জেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কাজী রাছেলের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক জাকির হোসেন এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জিওপি’র সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান, জেলা খেলাফত মজিলিসের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, এনসিপি’র সদর উপজেলার মূখ্য সমন্বয়ক তামিম খান, এনসিপি নেতা সাইফুল ইসলাম, জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম. শরীফ হোসেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি জি.এম. মানিক, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের জেলা সভাপতি সৈয়দ সাকিবুল ইসলাম, জুলাই মঞ্চের পৌর আহ্বায়ক তুহিন আহমেদ, ছাত্রদের পক্ষে রাকিব ভূঁইয়া, সাগর হোসেনসহ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা জাতীয় পার্টি, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ বাহিনীর বিরুদ্ধে এই হামলার অভিযোগ করে। এছাড় অন্তবর্তী সরকার ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকার গঠন এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেন তারা।

বক্তারা বলেন, প্রথমে পুলিশ ও সেনাবাহিনী আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়, তারপর জাতীয় পার্টি। ঘটনার সময় নুরুল হক নুর মাটিতে পড়ার পর লাল টি-শার্ট পরা এক যুবক বেধড়ক মারধর করে। এ ঘটনায় জিড়তদের আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আটক করতে না পারলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

বক্তারা আরো বলেন, ইন্টিরিয়াম সরকারের সহযোগীতায় ফ্যাসিস্টদের দোষর জাতীয় পার্টি তাদের রাজনৈতিক কর্মকন্ড পরিচালনা করছেন এবং তাদের উপর ভর করে আওয়ামী ফ্যাসিবাদরা ফিরে আসার চেষ্টা করছেন। ২৪ এর বাংলায় রাজনিতি করার অধিকার হারিয়ে ফেলছেন। তাদেরকে যারা সহযোগীতা করবে তারাই হলো ফ্যাসিস্টদের দোষর।

হাইমচরের কাটাখালির ঐতিহ্যবাহী মসজিদটি এখন কালের স্বাক্ষী

শওকত আলী
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
হাইমচরের কাটাখালির ঐতিহ্যবাহী মসজিদটি এখন কালের স্বাক্ষী

মোঘল আমলের আদলে নির্মিত শত বছরের পুরাতন ঐতিহ্য ধারন করে দাড়িয়ে আছে চুন সুরকির তৈরী হাইমচরের কাটাখালির ঐতিহ্যবাহী মসজিদটি কালের স্বাক্ষী হিসেবে। চাঁদপুরের প্রাচীনতম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম হাইমচর উপজেলার কাটাখালি জামে মসজিদ। বর্তমানে এটি কাটাখালি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ নামে পরিচিত।

১৯০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এ মসজিদ এখন স্থানীয়দের কাছে ইবাদতের মারকাজ। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে মোঘল আমলে তৈরি মসজিদগুলোর আদলে তৈরি হয়েছে এ মসজিদ। স্থানীয়দের দান-অনুদানেই চলছে মসজিদের নিয়মিত ব্যয়।

সংস্কার হলে মসজিদটির সৌন্দর্য আরও বিকশিত হবে, এমন অভিমত এলাকার ধর্মপ্রান মুসল্লিদের।

গত শুক্রবার দুপুরে ওই এলাকায় গিয়ে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মুসল্লিদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

কাটাখালি জামে মসজিদ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মসজিদ এলাকায় মোট জমির পরিমাণ ৩৩ শতাংশ। তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটির দেয়ালের দুরুত্ব ৩ বর্গফুট। মূল মসজিদের দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট এবং প্রস্থ ৩০ ফুট। মসজিদের অভ্যন্তরে তিনটি গম্বুজের নিচে খুবই চমৎকার শৈল্পিকতায় আঁকা রয়েছে ১২টি নকশা। মূল ভবনে কোনো পিলার নেই, তবে বারান্দায় রয়েছে ২৪টি পিলার।

নির্মাণ সামগ্রী হিসেবে ব্যবহার হয়েছে চুন-সুরকি। ঝুলন্ত বিম রয়েছে দুটি। মেহরাব বড় একটি এবং ছোট তিনটি। কোরআন শরিফসহ ধর্মীয় গ্রন্থ রাখার জন্য বক্স আছে একটি। মসজিদের ওপরে একটি বড় এবং দুই পাশে দুটি ছোট গম্বুজ রয়েছে। মসজিদ ঘেঁষে রয়েছে পুকুর, যাতে রয়েছে বাঁধানো সিঁড়ি।

এ জেলা চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা মূলত মেঘনা উপকুলীয় অঞ্চল। নদী ভাঙনের কারণে এ এলাকার লোকজনকে বারবার বসতি পরিবর্তন করতে হয়। নদী ভাঙনের শিকার অনেকে এ মসজিদের কাছে এসে নতুন করে বসতি গড়েছেন।

পাশের গাজীপুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মুন্সিও (৭৬) তাদের একজন। নদী ভাঙনের পর মসজিদের পশ্চিমে পরিবার নিয়ে বসতি করে আছেন।

তিনি বলেন, আমার জন্মের পরে এ মসজিদ দেখছি। বিগত প্রায় আড়াই দশক ধরে এ মসজিদে নামাজ পড়ি। আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাশাপাশি প্রতি জুমার নামাজ আদায় করি। অনেক সময় মসজিদে জায়গা পাওয়া যায় না, কারণ অনেক মুসল্লির সমাগম ঘটে এখানে। অনেক দূর থেকেও মানুষ এসে এ মসজিদে নামাজ আদায় করতে দেখা যাচ্ছে।

এ এলাকার আরেক মুসল্লি আলী আহম্মদ গাজী বলেন, এক সময় মসজিদের পশ্চিমে অনেক বসতি ছিল। নদী ভাঙার কারণে মুসল্লির সংখ্যা কিছুটা কমেছে। ছোট বেলায় দেখেছি, মূল মসজিদের অবকাঠামো ছিল স্বল্প পরিসরে। এরপর যারাই এ মসজিদের খেদমতে ছিলেন, তারা মসজিদ সংস্কার করেছেন এবং মুসল্লি বেড়ে যাওয়ায় মসজিদের আকারও বাড়ানো হয়েছে। এখানে প্রতি জুমার নামাজের দিন ৬০০ থেকে ৭০০ মুসল্লি আগমন ঘটে। এছাড়া এ কাটাখালি জামে মসজিদটির সৌন্দর্য দেখার জন্য অনেক স্থান থেকে এখানে শতশত লোকজন আসেন।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য হাসান তপাদার বলেন, ছোট বেলা থেকেই মসজিদটি দেখে আসছি। আমাদের পূর্বপুরুষরাই এ মসজিদে প্রথমে সাত শতাংশ জমি দান করেন এবং পরে আরও জমি দান করেন। এর মধ্যে একজন জমিদাতা হলেন আব্দুর রহমান। বর্তমানে মসজিদ এরিয়াটি প্রায় ৩৩ শতাংশের মধ্যে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে গত কয়েক বছর ধরে বারান্দাসহ মসজিদের অংশ বাড়ানো হয়েছে। যারাই এ মসজিদ পরিচালনা কমিটিতে ছিলেন, প্রত্যেকেই আন্তরিক হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

হাসান তপাদার আরও বলেন, মসজিদের খুব কাছে মেঘনা নদী। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মসজিদের দক্ষিণ-পশ্চিমে কিছু অংশ ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবী করছেন, ভাঙন প্রতিরোধেও সরকারের দৃষ্টি দেওয়া উচিত।

মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা খলিলুর রহমান বলেন, দুই বছরের বেশি সময় এ মসজিদের খেদমতে আছি। অনেক দূর-দূরান্ত থেকে এ মসজিদে লোকজন নামাজ পড়তে আসেন। জুমার দিন ছাড়াও এ কাটাখালি জামে মসজিদে নিয়মিত জামায়াতে প্রায় ৩০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করছেন।

মসজিদের কোষাধ্যক্ষ মফিজ উল্লাহ শাহ্ বলেন, চাঁদপুরের দক্ষিণে কাটাখালি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের অনেক সুনাম রয়েছে। শুধুমাত্র নামাজ আদায় করার জন্য অনেক লোক চাঁদপুর জেলার বাইরে থেকেও একানে আসছেন।

তিনি বলেন, আমাদের মসজিদটির মূল ভবন এমনভাবে তৈরি, যেখানে শুধুমাত্র চুন-সুরকি ব্যবহার হয়েছে। ইট-সিমেন্ট ও বালুর ব্যবহার হয়নি। যখন বাইরে প্রচন্ড গরম, তখন মসজিদের ভেতরে নামাজ আদায় করলে খুব শীতল অবস্থার অনুভূত হয়।

নব দিগন্ত ফাউন্ডেশনের শুভ উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ

আল-আমীন পারভেজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
নব দিগন্ত ফাউন্ডেশনের শুভ উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ

“নব দিগন্ত গড়বে পথ, তারুণ্য চেতনায় করব শপথ” — এই স্লোগানকে ধারণ করে চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তরে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি ২০২৫ ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নব দিগন্ত ফাউন্ডেশনের শুভ উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, রবিবার সকালে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজের পুরানো ভবনের অডিটোরিয়ামে উক্ত অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ কামাল হোসেন স্যার।

আরো অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক আরিফ উল্লাহ স্যার। নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিষয়ের সহকারি অধ্যাপক, মতলব বার্তার নির্বাহী সম্পাদক ও চাঁদপুর টিভি’র চেয়ারম্যান আল আমীন পারভেজ, নিশ্চন্তপুর ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিষয়ের সহকারি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন স্যার, আইসিটি প্রভাষক সমীর ঘোষ, নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাকসুদুর রহমান।

আরো উপস্থিত ছিলেন তরুণ সংগঠক ও নিশ্চিন্তপুর বন্ধুমহল ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নাজমুল হাসান রোকন সরকার, ইউনাইটেড ক্লাবের উপদেষ্টা সোহেল মুন্সি, সূর্য তরুণ ব্লাড ডোনার ক্লাব এর সদস্য ইমন খান, নিশ্চিন্তপুর সূর্য তরুণ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাশেম মুন্সি, পদুয়া ব্লাড ডোনার ক্লাবের সভাপতি শাহাদাত, মেডিফাস্ট মেডিকেল সার্ভিস এর সিনিয়র ইনচার্জ পাখি আক্তার।

অনুষ্ঠানে নব দিগন্ত ফাউন্ডেশনের সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আশিকুল ইসলাম, মেরাজ উদ্দিন শুভ, ছাব্বির হোসেন ও মহোসেনা আক্তার।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বই ঘর লাইব্রেরি’র স্বত্বাধিকারী ও বিশিষ্ট ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার মোসলেম উদ্দিন শিপন।

পরে দোয়া ও মিলাদ পরিচালনা করেন নিশ্চিন্তপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব ইমাম হোসেন মোস্তাফি। দোয়া ও মিলাদ শেষে অতিথিবৃন্দ ও সংগঠনের সদস্যরা একসঙ্গে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্য দিয়ে নব দিগন্ত ফাউন্ডেশনের শুভ উদ্বোধনী সম্পন্ন হয়।

বিজয়ী’র উদ্যোগে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে পানির ফিল্টার বিতরণ

আলোকিত চাঁদপুর রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
বিজয়ী’র উদ্যোগে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে পানির ফিল্টার বিতরণ

চাঁদপুর সদর পুরান বাজারের মাদ্রাসার শিশুদের বিশুদ্ধ পানির জন্য ফিল্টার বিতরণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী নারী উদ্যোক্তা সংগঠন “বিজয়ী”।

রবিবার বিকালে আল আফসা মাদ্রাসায় বিজয়ী ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান শিক্ষার্থীদের হাতে পানির ফিল্টার তুলে দেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে তানিয়া ইশতিয়াক খান বলেন, বিজয়ী ২০২০ সাল থেকে নারী ও শিশুদের কল্যানে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। নারীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে “বিজয়ী” নানা রকম হাতের কাজের প্রশিক্ষন দিয়ে উদ্যোক্তা তৈরি করছে। নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে প্রতি নিয়ত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দিয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরন করে যাচ্ছে। শিশুদের নিয়ে নানা রকম ইভেন্ট করে শিশুদের মাঝে খাবার, শীত বস্ত্র, জামা কাপড়সহ শিক্ষা সামগ্রী বিতরন করে আসছে।

তিনি আরও বলেন, ইনশাআল্লাহ আগামীতেও আমরা করে যাবো। এই মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা করতে যেকোন সমস্যা হলে ,বই খাতা কলমের প্রয়োজন হলে জানাবেন আমি যথা সাধ্য চেষ্টা করবো আপনাদের পাশে থাকার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিজয়ীর স্বপ্নদ্রষ্টা আশিক খানসহ “বিজয়” এর কর্মকর্তাবৃন্দ।