খুঁজুন
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩ ফাল্গুন, ১৪৩২

আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ‘প্রত্যয় স্কিমের’ আন্দোলন

আলোকিত চাঁদপুর ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ‘প্রত্যয় স্কিমের’ আন্দোলন

ছাত্রজনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর হতে চলছে। এই অভ্যুত্থানের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং তার প্রতিফলন নিয়ে প্রশ্ন আছে অসংখ্য। অনেকে এক বছরে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পূরণ না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়েছেন। আবার কেউবা যতটুকু পূরণ হয়েছে তা এবং পরে আরও ভালো করার প্রত্যয় নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে চেয়েছেন।

তবে গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে উভয়পক্ষই হয়ে পড়েছেন বেশ স্মৃতিকাতর। এক বছর আগের জুলাই মাসে কোনদিন কী ঘটেছিল, সেসবের স্মৃতি রোমন্থন করে ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনা জাগ্রত রাখতে বদ্ধপরিকর সবাই। সবারই এক কথা, জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। তাই তো গণঅভ্যুত্থানের সহায়ক যেসব বিষয় ছিল, সেসব নিয়েও চলছে চুলচেড়া বিশ্লেষণ।

গণঅভ্যুত্থানে যেসব শক্তি সবচেয়ে বেশি সহায়ক হিসেবে কাজ করেছিল তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে আন্দোলন। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সাড়ে ১৫ বছরেও শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে না পারলেও শিক্ষার্থীরা তা মাত্র ৩৬ দিনেই সম্ভব করেছিলেন। এক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে কাজ করেছে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলন- এমনটিই মনে করেন ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতা ও অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা।

কেননা তখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সর্বত্র ছিল আওয়ামী লীগপন্থি শিক্ষকদের একক আধিপত্য। তারা কোনোভাবেই এমন একটি আন্দোলন সফল হতে দিতে চাইতেন না এবং ২০১৮ সালের মতো বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে আন্দোলন দমাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতেন। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাইয়ে তারা নিজেরাই আন্দোলনে থাকায় সেটি তো করতে পারেননি বরং ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলনে পরোক্ষভাবে সহায়তা করেন।

২০২৩ সালে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন-২০২৩ প্রণয়ন করা হয়। পরের বছর ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। সেখানে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১ জুলাইয়ের পর থেকে স্বশাসিত, স্বায়ত্তশাসিত এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার চাকরিতে যারা নতুন যোগ দেবেন, তারা বিদ্যমান ব্যবস্থার মতো আর অবসরোত্তর পেনশন সুবিধা পাবেন না। তার পরিবর্তে নতুনদের বাধ্যতামূলক সর্বজনীন পেনশনের আওতাভুক্ত করা হবে।

সরকারের এ সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে ২০২৪ সালের মার্চ থেকেই বিবৃতি, মানববন্ধনসহ বিভিন্ন ছোট ছোট কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকরা। এর সঙ্গে দ্রুতই যুক্ত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তারা এ স্কিমকে বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়ে আন্দোলন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, কর্মচারী ঐক্য পরিষদসহ সারাদেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কর্মচারীরা ঈদের পরে বেশ কয়েকদিন অর্ধদিবস কর্মবিরতি এবং পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করেন। তবে এ সময়ে পরীক্ষা ও জরুরি সেবা এর আওতামুক্ত ছিল। ১ জুলাই থেকে তারা সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে যান। কর্মসূচি অনুযায়ী ১ জুলাই থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের সব ক্লাস, অনলাইন-সান্ধ্যকালীন ক্লাস ও শুক্র-শনিবারের প্রফেশনাল কোর্সের ক্লাস, সব পরীক্ষা, বিভাগীয় অফিস-সেমিনার-কম্পিউটার ল্যাব ও গবেষণাগার, একাডেমিক কমিটি-সমন্বয় ও উন্নয়ন কমিটি এবং প্রশ্নপত্র সমন্বয় সভা, অনুষদের ডিন কার্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম, নবীনবরণ অনুষ্ঠানের কর্মসূচি গ্রহণ, বাছাই বোর্ডের সভা, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের কার্যালয়, ক্লাস ও পরীক্ষা, সান্ধ্যকালীন, শুক্র ও শনিবারের ক্লাস, বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্রের সেমিনার, কনফারেন্স ও ওয়ার্কশপের কর্মসূচি, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ কর্যালয় এবং কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার বন্ধ রাখা হয়।

এদিকে একইদিন থেকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনও ভিন্ন মাত্রা লাভ করে। ক্লাস-পরীক্ষা এবং লাইব্রেরি বন্ধ থাকায় এ আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বেড়ে যায় কয়েকগুণ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরোজ বলেন, ‘ক্লাস-পরীক্ষা চালু থাকলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই আন্দোলনে অংশ নিতে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকতেন। কিন্তু শিক্ষকদের পক্ষ থেকেই ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করায় সেই বিষয়টি ছিল না।’

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেই বিষয়টি, সেটি হলো নীল দল তথা সরকারপন্থি শিক্ষকদের আস্ফালন দেখানোর সুযোগ এই আন্দোলনের মাধ্যমে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। ২০১৮ সালে যেমন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা ক্লাসে না এলে ফেল করিয়ে দেওয়া, আন্দোলনে অংশ নিলে পরীক্ষায় বসতে না দেওয়াসহ নানান হুমকি দেওয়া হতো। ২০২৪ সালে সেটি সম্ভব হয়নি।

এমন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা ও বর্তমানে ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, আমরা ২০১৮ সালের ৮ এপ্রিলের পরে তৎকালীন ভিসি আখতারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করেছিলাম। তিনি আমাদের বলেছিলেন, তোমরা আন্দোলন বন্ধ করো না হলে তোমাদের সার্টিফিকেট বাতিল করা হবে। নীল দলের শিক্ষকরা হুমকি দিতেন, পরীক্ষায় বসতে দেবেন না। আবার অনেক সময় শেখ হাসিনার কাছে নিয়ে যাবে, কী কী দরকার সব ম্যানেজ করে দেবে এমন লোভও দেখিয়েছিল। সেসময় আসলে সরাসরি অনেক কোর্স টিচারের হুমকি উপেক্ষা করেই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে আসতে হয়েছে।

মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়ালিদ নাঈম বলেন, ২০১৮ সালে আমাদের শিক্ষকরা এভাবে বলে দিতেন, আমি ক্লাস নেব। তোমরা আসলে আসবা, না আসলে নাই। না আসলে অ্যাটেনডেন্স দেওয়া হবে না। অ্যাটেনডেন্স না থাকলে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না। আমরা সেসব হুমকির তোয়াক্কা না করেই যেতাম। ২০২৪ সালে সেই বিষয়টি ছিল না। পরোক্ষভাবে তবু কিছু হুমকি এসেছিল, তবে শিক্ষকদের দাবি না মানায় তাদেরও এক ধরনের চাপা ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল।

শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলন ১ জুলাই থেকে সর্বাত্মক আন্দোলনে রূপ নিলে সেদিন থেকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনও সর্বাত্মক রূপ নিতে শুরু করে। পরে শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে শিক্ষকদের আন্দোলনের তীব্রতা হারিয়ে যায়। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আশ্বাস না পাওয়ায় তারা কর্মসূচি চালিয়ে যেতে থাকেন। পরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দেশব্যাপী ছড়িয়ে সরকার পতনের দিকে এগোলে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনো পূর্বঘোষণা না দিয়েই আন্দোলন স্থগিত করেন। ক্ষমতা হারানোর দুদিন আগে ৩ আগস্ট প্রত্যয় স্কিম বাতিল করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টার উদ্যোগে বনভোজন আয়োজন

মনির হেসেন খান
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টার উদ্যোগে বনভোজন আয়োজন
সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের চাঁদপুর জেলা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা আলমগীর আলম জুয়েলের উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজন ও বন্ধু মেলার আয়োজন করা হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারী শনিবার ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নে অবস্হিত মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যময় কোম্পানীর চরে এই বনভোজনের আয়োজন করা হয়। উক্ত বনভোজনে সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের  চাঁদপুর জেলা কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্হিত ছিলেন।
আরও উপস্হিত ছিলেন সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের সাবেক জেলা কো- অর্ডিনেটর ও বর্তমান কমিটির প্রধান উপদেষ্টা চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি, চাঁদপুর জেলা বি,এন,পির শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক, জেলা লায়ন ক্লাব অব চাঁদপুর রুপালির সভাপতি,  তাওসিফ এন্ড তাওহিদ এন্টারপ্রাইজ বিকাশ ও গ্রামীন লিমিটেডের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ,  ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আলমগীর আলম জুয়েল, সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের জেলা জয়েন কো- অর্ডিনেটর ইলিয়াস মিয়া, বাহাউদ্দীন বাহার, উত্তম চন্দ্র দেবনাথ, জেলা কমিটির জয়েন কো- অর্ডিনেটর ও চ্যারিটি প্রধান সাংবাদিক মনির হোসেন খান, জয়েন কো- অর্ডিনেটর হাকিম প্লাজা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সফিকুর রহমান, ব্যবসায়ী নেতা সৈয়দ আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী চাঁদপুর জেলা হার্ডওয়ার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান খান লিটন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান, সাবেক ছাত্র নেতা ও ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান খোকা, বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ মেজবা উদ্দিন মাল, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও রেফারি কাজী টুমু সহ আরও অনেকে।
 উক্ত বনভোজন ও বন্ধু মেলায় স্বাগত বক্তব্যে আলমগীর আলম জুয়েল বলেন সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনটি মুলত একটি সামাজিক মানবিক এবং একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এই সংগঠনটির মুল লক্ষ ও উদ্দেশ্য হলো পিছিয়ে পড়া বন্ধু ও মানবতার সেবায় কাজ করা। সমাজসেবা এবং বন্ধুদের সহযোগিতায় সংগঠনটির নানান উদ্যোগের প্রশংসা করে জুয়েল বলেন ভবিষ্যতেও এর ধারাবাহিকতা তিনি অব্যাহত রাখবেন। পরে বিকেলে শহরের কুমিল্লা রোডস্হ জুয়েলের অফিসে চা চক্রের আয়োজনের মধ্য দিয়ে উক্ত বনভোজনের আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।

কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা

মো. ইউনুস
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা

কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা ও প্রতিরোধ বিষয়ক অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ব্রাকের আয়োজনে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কি রোগ হতে পারে, যেমন ডেঙ্গু, মেলেরিয়া, চিকুনবুনিয়া ঠান্ডা কাশি শাস।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় পর্যাপ্ত পরিমানে গাছ লাগাতে হবে। সরকারি বেসরকারি উদ্যোগকে আরো কার্যকর ও সমন্বিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সোহেল রানা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ জাহিদ হোসাইন, ডাঃ পংকজ চন্দ্র সরকার।
অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন ব্র্যাক প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ শহীদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাকের জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য প্রকল্পের কর্মকর্তা মোঃ বেলাল হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নার্সিং সুপার ভাইজার তাসনীমা, সিনিয়র স্টাফ নার্স আয়েশা বেগম, ইপি আই বোরহান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ব্রজ পোদ্দার সহ গণমাধ্যমকর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ব্র্যাকের আয়োজনে জলবায়ু পরিবর্তনে কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ৩২ টি ওঠান বৈঠক ও ডেঙ্গ প্রতিরোধ অভিযান ৮টি, ৩৬টি সচেতনা মূলক মাইকিং, ৩ টি সমন্বয়ক সভা, ১টি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ট্রেনিং ও সিএইচসিপিদের ট্রেনি ২টি করা হয়।

হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ

নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ
চাঁদপুর সদর উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন বই বিতরণ করা হয়েছ।
১ জানুয়ারী বই বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান খান।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় বই বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মধুসূদন দাস।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও অভিভাবক বৃন্দ।