খুঁজুন
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২ ফাল্গুন, ১৪৩২

সুদের টাকা নেব না, এটা হারাম : শাহরুখ খান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
সুদের টাকা নেব না, এটা হারাম : শাহরুখ খান

অনায়াসে পর্দায় দর্শকদের মন জয় করতে পারেন শাহরুখ খান। তার ছবি মানেই প্রেক্ষাগৃহে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। কয়েক দশক ধরে বলিউডে রাজ করছেন কিং খান। তাই অভিনেতার ভক্ত সংখ্যাও কম নয়।

বিজ্ঞাপন

শুধু পর্দায় নয়, পর্দার বাইরেও এমন বহু কাজ করেছেন শাহরুখ যা পরবর্তী সময়ে তার প্রতি অনুরাগীদের ভালোবাসা আর সম্মান দুটোই বাড়িয়েছে। সম্প্রতি এমনই এক ঘটনার কথা ফাঁস করলেন প্রয়াত নির্মাতা রবি চোপড়ার স্ত্রী রেণু চোপড়া।

রেণু জানিয়েছেন, কীভাবে তাদের পরিবারের কঠিন সময়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন শাহরুখ। তার ছেলে সিদ্ধার্থের পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘ইত্তেফাক’-এর প্রযোজক হতে এককথায় রাজি হয়ে গিয়েছিলেন তিনি।

ছবির চিত্রনাট্যটুকুও শোনেননি শাহরুখ, এমনকী পড়েনওনি! শুধু তাই নয়, এই ছবি প্রযোজনা করার জন্য যে পরিমাণ টাকা শাহরুখ বিনিয়োগ করেছিলেন তার উপর সুদ নিতেও অস্বীকার করেছিলেন কিং খান।

রেণুর কথায়, আমাদের সব ছবিতে শাহরুখ শুধু অতিথি শিল্পী হিসেবেই অভিনয় করেছেন। এবার যখন ‘ইত্তেফাক’ ছবিটি প্রযোজনা করার কথা হলো, তখন শাহরুখকে বললাম- আমি তোমার সঙ্গে দেখা করতে আসতেছি।

“শোনামাত্রই শাহরুখ আমাকে বললেন, ‘রেণুজি, আপনি বড়। আপনি কেন আসবেন? আমি আসছি আপনার কাছে।’ তবে তখনই সে আসতে পারেনি। কারণ তার তো অনেক ব্যস্ততা। যে কারণে সপ্তাহ তিনেক পর আবারও ফোন করলাম। এবারও শাহরুখ জানালেন, তিনিই আসবেন আমার কাছে। এই যে বড়দের প্রতি যে সম্মান দেখায় শাহরুখ, তা অকল্পনীয়।”

রেণু বলেন, “এরপর শাহরুখ দেখা করতে এলো, আমাকে শুধু জিজ্ঞেস করল এই ছবিতে তার কাজটা কী? ঠিক কী করতে হবে। আমি বলেছিলাম, ‘শাহরুখ আমার কাছে অত টাকা নেই যে এই ছবি প্রযোজনা করতে পারব। কিন্তু আমার ছেলে খুব মন দিয়ে কাজটা করতে পারে। এবার তুমি যদি এই ছবিটা প্রযোজনা করতে পার খুব ভালো হয়।”

শোনামাত্রই রাজি হয়ে যান শাহরুখ খান। চিত্রনাট্য পড়েনি, শোনেননি। শুধু বলেছিল, আপনার ছেলে কাজ করছে, এটুকুই আমার কাছে যথেষ্ট। আমি ঘোড়দৌড়ে নয়, ঘোড়া যে চালায় সেই জকির উপর বিনিয়োগ করতে পছন্দ করি।

“এরপর যখন সিনেমাটি শেষে শাহরুখকে ওর বিনিয়োগ করা টাকা ফেরত দিতে গিয়েছিলাম সুদসমেত, নিতে রাজি হয়নি। শাহরুখ বলেছিল, ‘সুদের টাকা নিতে পারব না। ওটা হারাম!’ এরকম সাচ্চা মানুষ শাহরুখ।”

সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টার উদ্যোগে বনভোজন আয়োজন

মনির হেসেন খান
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টার উদ্যোগে বনভোজন আয়োজন
সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের চাঁদপুর জেলা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা আলমগীর আলম জুয়েলের উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজন ও বন্ধু মেলার আয়োজন করা হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারী শনিবার ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নে অবস্হিত মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যময় কোম্পানীর চরে এই বনভোজনের আয়োজন করা হয়। উক্ত বনভোজনে সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের  চাঁদপুর জেলা কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্হিত ছিলেন।
আরও উপস্হিত ছিলেন সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের সাবেক জেলা কো- অর্ডিনেটর ও বর্তমান কমিটির প্রধান উপদেষ্টা চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি, চাঁদপুর জেলা বি,এন,পির শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক, জেলা লায়ন ক্লাব অব চাঁদপুর রুপালির সভাপতি,  তাওসিফ এন্ড তাওহিদ এন্টারপ্রাইজ বিকাশ ও গ্রামীন লিমিটেডের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ,  ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আলমগীর আলম জুয়েল, সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনের জেলা জয়েন কো- অর্ডিনেটর ইলিয়াস মিয়া, বাহাউদ্দীন বাহার, উত্তম চন্দ্র দেবনাথ, জেলা কমিটির জয়েন কো- অর্ডিনেটর ও চ্যারিটি প্রধান সাংবাদিক মনির হোসেন খান, জয়েন কো- অর্ডিনেটর হাকিম প্লাজা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সফিকুর রহমান, ব্যবসায়ী নেতা সৈয়দ আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী চাঁদপুর জেলা হার্ডওয়ার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান খান লিটন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান, সাবেক ছাত্র নেতা ও ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান খোকা, বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ মেজবা উদ্দিন মাল, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও রেফারি কাজী টুমু সহ আরও অনেকে।
 উক্ত বনভোজন ও বন্ধু মেলায় স্বাগত বক্তব্যে আলমগীর আলম জুয়েল বলেন সারা বাংলা আটাশি ফাউন্ডেশনটি মুলত একটি সামাজিক মানবিক এবং একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এই সংগঠনটির মুল লক্ষ ও উদ্দেশ্য হলো পিছিয়ে পড়া বন্ধু ও মানবতার সেবায় কাজ করা। সমাজসেবা এবং বন্ধুদের সহযোগিতায় সংগঠনটির নানান উদ্যোগের প্রশংসা করে জুয়েল বলেন ভবিষ্যতেও এর ধারাবাহিকতা তিনি অব্যাহত রাখবেন। পরে বিকেলে শহরের কুমিল্লা রোডস্হ জুয়েলের অফিসে চা চক্রের আয়োজনের মধ্য দিয়ে উক্ত বনভোজনের আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।

কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা

মো. ইউনুস
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা অবহিতকরন সভা

কচুয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্বাস্থ্যগত ঝুকি মোকাবিলা ও প্রতিরোধ বিষয়ক অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ব্রাকের আয়োজনে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কি রোগ হতে পারে, যেমন ডেঙ্গু, মেলেরিয়া, চিকুনবুনিয়া ঠান্ডা কাশি শাস।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় পর্যাপ্ত পরিমানে গাছ লাগাতে হবে। সরকারি বেসরকারি উদ্যোগকে আরো কার্যকর ও সমন্বিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সোহেল রানা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ জাহিদ হোসাইন, ডাঃ পংকজ চন্দ্র সরকার।
অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন ব্র্যাক প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ শহীদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাকের জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য প্রকল্পের কর্মকর্তা মোঃ বেলাল হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নার্সিং সুপার ভাইজার তাসনীমা, সিনিয়র স্টাফ নার্স আয়েশা বেগম, ইপি আই বোরহান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ব্রজ পোদ্দার সহ গণমাধ্যমকর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ব্র্যাকের আয়োজনে জলবায়ু পরিবর্তনে কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ৩২ টি ওঠান বৈঠক ও ডেঙ্গ প্রতিরোধ অভিযান ৮টি, ৩৬টি সচেতনা মূলক মাইকিং, ৩ টি সমন্বয়ক সভা, ১টি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ট্রেনিং ও সিএইচসিপিদের ট্রেনি ২টি করা হয়।

হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ

নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ
চাঁদপুর সদর উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী হামানকর্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন বই বিতরণ করা হয়েছ।
১ জানুয়ারী বই বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান খান।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় বই বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মধুসূদন দাস।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও অভিভাবক বৃন্দ।